স্টাফ রিপোর্টার ॥ নবীগঞ্জে ভাসুরের পুত্রের হাতে ৪সন্তানের জননী আপন চাচীকে জোর পূর্বক শ্লীলতাহানী করে সর্বত্র লুট করে নিয়ে যায়!
জানাযায়, নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামের মৃত মাহমত আলীর পুত্র উমান প্রবাসী ফুলকাজ আলী দীর্ঘদিন পূবে বিয়ে করেন, মৌলভীবাজার জেলার বরহর তিলক গ্রামের ইসাক মিয়ার কন্যা মোচ্ছা শরিফা বেগমকে। ৩ছেলে ও ১মেয়েকে নিয়ে তাদের সুখের সংসার ভালই চলছিল। জীবিকার তাগিদে অর্থ উপার্জনের জন্য সু-দুর ওমানে ফাড়ি জমান ফুলকাজ মিয়া। এই সুযোগে সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছ থেকে টাকা পয়সা কজ্জ নিয়ে উল্টো মারধর সহ শ্লীলতাহানী করার গুরুত্বর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওমান প্রবাসীর স্ত্রী শরিফা বেগম এ প্রতিনিধিকে কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, আমার স্বামী প্রবাসে থাকায় আমার ছেলে মেয়েকে নিয়ে স্বামী বাড়িতেই আলাদা ঘরে বসবাস করে আসছি। আমার স্বামী প্রতি মাসে টাকা পাঠালে মুনসুর আলীর পুত্র আমার ভাসুর পুত্র শিপন আলী আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় কর্জ নেয় টাকা পয়সা। আমার পাওনা টাকা চাইতে গেলে বারবারই তার সাথে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকত। এর পর আমার কাছে টাকা চাইলে আমি টাকা দিতে অপারগতা করলে সে আমাকে মারধর করে। স্থাণীয়দের কাছে বারবার বিচার দিলেও কোন কাজ হয় নাই। অবশেষে গত সেপ্টেম্বর মাসের ৩০তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত অনুমান ১১টার সময় শিপন আলীর নেতৃত্বে মাহমদ আলীর পুত্র মনসুর আলী (৫২), মনসুর আলীর স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৪৮), শিপন আলীর স্ত্রী শাবানা বেগম (৩০) মিলে আমার ঘরে প্রবেশ করে আমাকে ঝাপটে ধরে চর, থাপ্পর, কিল, ঘুষি মেরে মাঠিতে ফেলে আমার পড়ানের কাপড় ছিড়ে আমার ইচ্চার বিরোদ্ধে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানী করে শিপন সহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা। এবং এ সময় শিপন আমার গলা থেকে ১ভরি ওজনের বিদেশী স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়, যার বাজার মূল্য প্রায় ৩৮হাজার টাকা ও মুনসুর আলী সুকেচের ড্রয়ারের তালা ভেঙ্গে স্বামীর পাঠানো ৩০হাজার টাকা সহ আরো ভাঙ্গতি টাকা পয়সা সহ মূল্যবান কাগজ পত্র নিয়ে যাওয়ার সময় আমার ছেলে মেয়েরা সু-চিৎকার করলে তাদেরকেও প্রাণে হত্যার হুমকি দেয়। এমন কি চলে যাওয়ার সময় তার প্রকাশ্যে বলে যে, যদি এ বিষয় কারো কাছে বলিস তাহলে তদের সবাইকে খুন করে লাশ গুম করে ফেলব। পরে তার যাওয়ার পর ছেলে, মেয়ে ও আমার কান্না শুনে আশপাশের লোকজন আসলে তাদের কাছে ঘটনার বিবরন দিলে তারা আমাকে শান্তনা দিয়ে আমার বাবার বাড়িতে খবর দেওয়া কথা বলেন। মোবাইল ফোনে বাবার বাড়ি খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে আমাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছি। অপরদিকে আমি আমার ৪টি সন্তানকে নিয়ে পড়েছি মহা বিপাকে।
আমি প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।
এ ব্যাপারে কোন মামলা মোকদ্দমা হয়েছে কি না তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই পাষন্ডদের নির্যাতনে আমি শারিরিক ভাবে অসুস্থ্য থাকায় মামলা করতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে ২/১দিনের মধ্যে ওই লম্পটদের বিরোদ্ধে মাননীয় আদালতে মামলা করব।











