লাইফ স্টাইল ডেস্ক : সন্তান গর্ভে আসলে মনের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় ঘুরপাক খেতে শুরু করে। এই শারীরিক অবস্থায় কোন ধরনের খাবার খাওয়া যাবে, কোনটি যাবে না, কোন খাবার বেশি পরিমাণে, কোনটা কম করে খেতে হবে— এ রকম নানা প্রশ্নে মন আচ্ছন্ন থাকে।
কিন্তু যে যাই বলুক, সব গর্ভবতী মায়েদের প্রথম সময়টায় পছন্দের তালিকার শীর্ষে থাকে টক জাতীয় খাবার। আর টক ফলের নাম আসলে প্রথমেই আসে তেঁতুলের নাম। কিন্তু যদি জানতে চাওয়া হয় এই তেঁতুল গর্ভবতী মায়েদের জন্য কতটা নিরাপদ?
গর্ভবতী মায়েদের জন্য তেঁতুল একটি নিরাপদ ফল হলেও তা গ্রহনযোগ্য পরিমান মতো হতে হবে। অন্যথায় এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।
তেঁতুলে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমান ভিটামিন ‘সি’ যা ইমিউন সিস্টেম ভালো রাখে। শরীরের ফ্রি রেডিক্যাল ফারমেশনে বাঁধাদানকারী এন্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ তেঁতুলে থাকে অনেক বেশি।
গর্ভকালীন একটি জটিল সমস্যা হয়ে থাকে উচ্চ রক্তচাপ। নিয়মিত তেঁতুলের টক খেলে তা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর পটাশিয়াম ও আয়রন ডায়াবেটিসজনিত সমস্যা সমাধানে দ্রুত কাজ করে। তেঁতুলে থাকা প্রোটিন সমূহ গর্ভবতী মায়েদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
এছাড়াও গর্ভাবস্থায় সুস্বাদু এই টক ফলটি খেলে গর্ভবতী মায়েদের মর্নিং সিকনেসের মত ছোট খাটো সমস্যাগুলো দূর হয়। তবে অতিরিক্ত তেঁতুল গ্রহনের ফলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। এই ফলটি এসপিরিন জাতীয় ওষুধের কাজে বাঁধা দিতে পারে বলে গর্ভবতী মায়েদের তেঁতুল খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। পরিমিত পরিমাণ তেঁতুল খেলে উপকারটা বেশি হলেও বিশেষ এই অবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শটাও জরুরি।
সাম্প্রতিক খবর:

কুয়েতে প্রবীণ প্রবাসী হারুন মিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল

যে অপরাধের উত্তর নেই: মক্কার ঘটনায় স্তব্ধ প্রবাসী সমাজ

মৌলভীবাজারে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত

কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শিক্ষার্থীর অভিভাবকের আবেগঘন চিঠি: শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য

জেদ্দায় প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সতর্কবার্তা

কুয়েতের সালমি: মরুভূমিতে কোটি টাকার 'গাড়ির বাজার

ইউরোপের চাকরি ও ভিসার প্রলোভন,গ্রেফতার কুয়েতের এক রিক্রুটিং ব্যবসায়ী

কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?












