
কুয়েতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভিসা নিয়ে চলছে এক রমরমা বাণিজ্য, যার পরিমাণ প্রতিদিন প্রায় ৮ কোটি টাকা। দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, যদিও ভিসা সত্যায়নের সংখ্যা কমেছে, তবুও দালালদের দৌরাত্ম্য কমেনি। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০টি ভিসা নিয়ে এই অবৈধ বাণিজ্য চলছে।
কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, আগে প্রতিদিন গড়ে ৫০০ থেকে ৫৫০টি নতুন ভিসা সত্যায়নের আবেদন আসত। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে ১২০ থেকে ১৩০-এ দাঁড়িয়েছে। তবে, এই কমে যাওয়া সংখ্যার মধ্যেও ভিসার বেচাকেনা থেমে নেই। সচেতন মহলের মতে, প্রতিদিন আসা ১২০টি ভিসার মধ্যে প্রায় ১০০টি ভিসাই দালালদের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে।
জানা গেছে, দালালরা প্রতিটি ভিসার জন্য ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছেন। গড়ে প্রতি ভিসার মূল্য ৮ লাখ টাকা ধরলেও, ১০০টি ভিসার জন্য প্রতিদিন প্রায় ৮ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন হচ্ছে। এই বিশাল অঙ্কের অর্থ বাংলাদেশ থেকে আসা সাধারণ শ্রমিকদের পকেট থেকে যাচ্ছে। এতে করে বিদেশে কর্মসংস্থানের আশায় থাকা হাজার হাজার বাংলাদেশি পরিবার অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এই অবৈধ ভিসা বাণিজ্য বন্ধে দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। দালালদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা না গেলে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।











