Menu |||

রাহাতের মৃত্যু দুর্ঘটনা নয়, ‘হত্যাকাণ্ড’, দাবি সাবেক ছাত্রদের

বুধবার ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের সামনে মানববন্ধন করে ওই দুর্ঘটনায় জড়িতদের শাস্তিও দাবি করেন তারা।
রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ওল্ড রেমিয়ান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন-ওর‌ওয়া আয়োজিত মানববন্ধনে কলেজের বর্তমান শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।

মানববন্ধনে ওরওয়ার সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন, রাহাতের মৃত্যুর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।

“তার মরদেহের ময়না তদন্ত না করা, তাড়াহুড়ো করে তার গ্রামের বাড়িতে লাশ পাঠিয়ে দেওয়া- সবই ছিল তড়িঘড়ির ব্যাপার। একটা রাখঢাকের ব্যাপার ছিল, মানুষ বুঝতে পারার আগে ব্যাপারটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।

“পরেরদিনও প্রথম আলোতে নিউজ আসল যে এটা নিছক দুর্ঘটনা। কিন্তু এটা মোটেও দুর্ঘটনা নয়, এটা খুন করা হয়েছে, এটা একটা হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনার তদন্ত হওয়া উচিত। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া উচিত। আমরা এই ঘটনার বিচার চাই।”

গত ১ নভেম্বর রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ ক্যাম্পাসে দৈনিক প্রথম আলোর সাময়িকী কিশোর আলোর একটি অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরার রাহাত (১৫)। আনিসুল হক কিশোর আলোর সম্পাদক।

ওই অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি করা মঞ্চের পেছনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছিল নবম শ্রেণির ছাত্র রাহাত। আয়োজকরা তাকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কাছের অনেকগুলো হাসপাতাল রেখে রাহাতকে মহাখালীর হাসপাতালটিতে নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কিশোর আলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, ওই অনুষ্ঠান আয়োজনের অংশীদার ছিল ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। তাদের মেডিকেল ক্যাম্পও সেখানে ছিল। ওই ক্যাম্পের চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে মহাখালীর হাসপাতালটিতে নেওয়া হয়েছিল।

রাহাতের মৃত্যুর ঘটনায় আয়োজক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

রাহাতের মৃত্যুর ঘটনায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে দৈনিক প্রথম আলোকে উকিল নোটিস পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ফয়েজ উল্লাহ (ফয়েজ)।

বুধবারের মানববন্ধনে মশিউর রহমান বলেন, প্রথম আলো রাহাতের মৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না। তাকে কাছের কোনো হাসপাতালে না নিয়ে দূরের হাসপাতালে নেওয়ার সমালোচনা করেন তিনি।

“স্কুলের কর্তৃপক্ষ ছিল, র‌্যাব, পুলিশ ছিল কারও সঙ্গে পরামর্শ না করে প্রিন্সিপালের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে, বাচ্চার গার্ডিয়ানকে না জানিয়ে তারা আবরারকে অনেক দূরের ওই হাসপাতালে নিয়ে গেল।

আমরা এই এলাকাটাকে হসপিটাল এলাকা বলি তারপরও বিপজ্জনক অবস্থায় তাকে কাছের হাসপাতালে না নিয়ে আয়েশা মেমোরিয়ালে নিয়ে গেল। যদি বাচ্চাটাকে কাছের হাসপাতালে নিত, হয়তো সে বেঁচে যেত।”

রাহাতের মৃত্যুর পরও প্রথম আলো তাদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছে বলে অভিযোগ করেন মশিউর।

 

 

সূত্র, বিডিনিউজ২৪

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» “ট্রেন” – মোজাহার

» কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা ও বিমান চলাচল স্থগিত

» রাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্র তোফায়েল আহমেদ

» মৌলভীবাজারে নজরুলের সিলেট আগমনের শতবার্ষিকী উদযাপন কমিটি গঠন

» কুয়েতে সুবাস ছড়াচ্ছে বাংলাদেশের কাঠের ধোঁয়া

» কুয়েতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে প্রবাসীদের ঈদুল আযহা উদযাপন

» কুয়েতে প্রথম খাদ্য সহায়তা পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

» কুয়েতে পশুর হাটে ক্রেতাদের ভিড়, দামের ঝাঁজে কপালে ভাঁজ প্রবাসীদের

» কুয়েতের জিলিব এর এক বাড়িতে বিধ্বংসী আগুনে ৫ জনের মৃত্যু

» গাধাটি হারিয়েছিল, ফিরে এসেছে— জাতিসংঘের প্রতি বার্তা

Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

UN Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Hawally. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

রাহাতের মৃত্যু দুর্ঘটনা নয়, ‘হত্যাকাণ্ড’, দাবি সাবেক ছাত্রদের

বুধবার ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের সামনে মানববন্ধন করে ওই দুর্ঘটনায় জড়িতদের শাস্তিও দাবি করেন তারা।
রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ওল্ড রেমিয়ান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন-ওর‌ওয়া আয়োজিত মানববন্ধনে কলেজের বর্তমান শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।

মানববন্ধনে ওরওয়ার সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন, রাহাতের মৃত্যুর বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।

“তার মরদেহের ময়না তদন্ত না করা, তাড়াহুড়ো করে তার গ্রামের বাড়িতে লাশ পাঠিয়ে দেওয়া- সবই ছিল তড়িঘড়ির ব্যাপার। একটা রাখঢাকের ব্যাপার ছিল, মানুষ বুঝতে পারার আগে ব্যাপারটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।

“পরেরদিনও প্রথম আলোতে নিউজ আসল যে এটা নিছক দুর্ঘটনা। কিন্তু এটা মোটেও দুর্ঘটনা নয়, এটা খুন করা হয়েছে, এটা একটা হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনার তদন্ত হওয়া উচিত। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হওয়া উচিত। আমরা এই ঘটনার বিচার চাই।”

গত ১ নভেম্বর রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ ক্যাম্পাসে দৈনিক প্রথম আলোর সাময়িকী কিশোর আলোর একটি অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরার রাহাত (১৫)। আনিসুল হক কিশোর আলোর সম্পাদক।

ওই অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি করা মঞ্চের পেছনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছিল নবম শ্রেণির ছাত্র রাহাত। আয়োজকরা তাকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কাছের অনেকগুলো হাসপাতাল রেখে রাহাতকে মহাখালীর হাসপাতালটিতে নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

কিশোর আলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, ওই অনুষ্ঠান আয়োজনের অংশীদার ছিল ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। তাদের মেডিকেল ক্যাম্পও সেখানে ছিল। ওই ক্যাম্পের চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে মহাখালীর হাসপাতালটিতে নেওয়া হয়েছিল।

রাহাতের মৃত্যুর ঘটনায় আয়োজক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

রাহাতের মৃত্যুর ঘটনায় ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে দৈনিক প্রথম আলোকে উকিল নোটিস পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ফয়েজ উল্লাহ (ফয়েজ)।

বুধবারের মানববন্ধনে মশিউর রহমান বলেন, প্রথম আলো রাহাতের মৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না। তাকে কাছের কোনো হাসপাতালে না নিয়ে দূরের হাসপাতালে নেওয়ার সমালোচনা করেন তিনি।

“স্কুলের কর্তৃপক্ষ ছিল, র‌্যাব, পুলিশ ছিল কারও সঙ্গে পরামর্শ না করে প্রিন্সিপালের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে, বাচ্চার গার্ডিয়ানকে না জানিয়ে তারা আবরারকে অনেক দূরের ওই হাসপাতালে নিয়ে গেল।

আমরা এই এলাকাটাকে হসপিটাল এলাকা বলি তারপরও বিপজ্জনক অবস্থায় তাকে কাছের হাসপাতালে না নিয়ে আয়েশা মেমোরিয়ালে নিয়ে গেল। যদি বাচ্চাটাকে কাছের হাসপাতালে নিত, হয়তো সে বেঁচে যেত।”

রাহাতের মৃত্যুর পরও প্রথম আলো তাদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছে বলে অভিযোগ করেন মশিউর।

 

 

সূত্র, বিডিনিউজ২৪

Facebook Comments Box


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Exchange Rate

Exchange Rate EUR: Tue, 9 Jun.

সর্বশেষ খবর



Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

UN Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Hawally. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Bangladesh Office

Director. Rumi Begum
Adviser. Advocate Koyes Ahmed
Desk Editor (Dhaka) Saiyedul Islam
44, Probal Housing (4th floor), Ring Road, Mohammadpur,
Dhaka-1207. Bangladesh
Contact: +8801733966556 /+8801316861577

Email Address

agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Licence No.

MC- 00158/07      MC- 00032/13

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com
error: দুঃখিত! অনুলিপি অনুমোদিত নয়।