আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিয়ানমারের গুদার পিন এলাকায় ৫টি গণকবরের সন্ধান মিলেছে। বার্তা সংস্থা এপি বলছে, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে তারা। গ্রামবাসীর দাবি ৪শ মানুষকে হত্যা করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। গ্রামের কয়েকটি পুকুরে ফেলে দেয়া হয় দেড় শতাধিক মরদেহ।
গত বছর আগস্টে রাখাইনে সেনা অভিযানের পর পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা বলে আসছে নির্বিচারে মানুষ হত্যার ভয়াবহ কাহিনী। এবার এপির অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের চিত্র।
বাংলাদেশের বালুখালি ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা জানায়, ২৭ আগস্ট ঐ গ্রামে হামলা চালায় সেনাবাহিনীর ২শো সদস্য। হামলা থেকে বেঁচে যাওয়ারা জানান, শুধু আগ্নেয়াস্ত্র নয়, কবর খোঁড়ার সরঞ্জাম ও মরদেহ নষ্ট করতে এসিডের মতো সামগ্রীও সাথে এনেছিল সেনাবাহিনী। ঘটনার ১৩ দিন পরের ভিডিও ফুটেজে গণহত্যার প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে এপি।
এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে আবারো গণহত্যার অভিযোগ তদন্তের দাবি জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াংহি লির।
জাতিসংঘের বিশেষ দূত ইয়াংহি লি বলেন,রাখাইনে যে গণহত্যা হয়েছে এ তথ্য তার ক্ষুদ্রাংশ মাত্র। মিয়ানমারের ভবিষ্যতের জন্য হলেও বিষয়টির ফয়সালা হওয়া উচিত। সত্যিই যদি সেনা সদস্যরা এই হত্যাযজ্ঞে জড়িত থাকে তাহলে এর দায় তাদের নিতে হবে। দেশটির জনগণেরও প্রকৃত সত্য জানার অধিকার রয়েছে।
সাম্প্রতিক খবর:

কুয়েতে প্রবীণ প্রবাসী হারুন মিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল

যে অপরাধের উত্তর নেই: মক্কার ঘটনায় স্তব্ধ প্রবাসী সমাজ

মৌলভীবাজারে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত

কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শিক্ষার্থীর অভিভাবকের আবেগঘন চিঠি: শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য

জেদ্দায় প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সতর্কবার্তা

কুয়েতের সালমি: মরুভূমিতে কোটি টাকার 'গাড়ির বাজার

ইউরোপের চাকরি ও ভিসার প্রলোভন,গ্রেফতার কুয়েতের এক রিক্রুটিং ব্যবসায়ী

কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?












