জাকির সিকদার: বাংলাদেশের পোশাক কারখানা ভবনগুলোর ৮০ শতাংশই নিরাপদ বলে জানিয়েছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর। প্রায় দুই বছর ধরে দেশের পোশাক খাতের কারখানাগুলোর কর্ম-পরিবেশ নিয়ে সরকার, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা এবং বিক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স পরিদর্শন
চালিয়ে আসছে, যা আজ (সোমবার) শেষ হচ্ছে। খবর- বিবিসি`র। জানা যায়, নিরীক্ষা দল চারটি রংয়ে ভাগ করে এ পরিদর্শন চালানো হয়। সবুজ ও হলুদ রংয়ের মানদণ্ডকে সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং অল্প সংস্কার প্রয়োজন এমন ধরা হয়েছে। এছাড়া অ্যাম্বার বা পীত রংয়ের প্রতীক দিয়ে তার ব্যপক সংস্কার দরকার, আর লাল রং দিয়ে ঐ কারখানা বিপজ্জনক বলে বোঝানো হয়। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের মহাপরিদর্শক সাঈদ আহমেদ বলেছেন, ত্রিপক্ষীয় নিরীক্ষায় চার ধরণের মানদণ্ড ঠিক করে কারখানাগুলোতে পরিদর্শন চালানো হয়। এর বাইরে বিপজ্জনক হওয়ায় ছয়টি কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। রানা প্লাজায় ধস ও তারও আগে তাজরীন গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ডে শত শত পোশাক শ্রমিক নিহত হবার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সরকার, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা বা আইএলও এবং বিদেশি ক্রেতাদের দুটি জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স দেশটির সাড়ে তিন হাজার পোশাক কারখানাকে ভাগ করে নিয়ে এই পরিদর্শন শুরু করে। আজ (সোমবার) পনেরো শত কারখানার পরিদর্শন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
সাম্প্রতিক খবর:

কুয়েতে প্রবীণ প্রবাসী হারুন মিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল

যে অপরাধের উত্তর নেই: মক্কার ঘটনায় স্তব্ধ প্রবাসী সমাজ

মৌলভীবাজারে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত

কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শিক্ষার্থীর অভিভাবকের আবেগঘন চিঠি: শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য

জেদ্দায় প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সতর্কবার্তা

কুয়েতের সালমি: মরুভূমিতে কোটি টাকার 'গাড়ির বাজার

ইউরোপের চাকরি ও ভিসার প্রলোভন,গ্রেফতার কুয়েতের এক রিক্রুটিং ব্যবসায়ী

কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?












