জাকির সিকদার : নিরপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশে সরকারের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এ উপলক্ষে চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা আসছেন ফেসবুকের ভারত কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তা। এরা হলেন— ফেসবুকের দক্ষিণ এশিয়ার পাবলিক পলিসি ম্যানেজার দীপালি লিবারেন এবং আইন বিশেষজ্ঞ বিক্রম লাংয়ে। বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধের বিষয়ে আলোচনায় যোগ দিতে তারা ভিসার আবেদন করেছে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের পাঠানো চিঠির প্রত্যুত্তর থেকেই এই তথ্য জানা গেছে। সোমবার ফেসবুকের ভারত, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার পাবলিক পলিসি ডিরেক্টর আঁখি দাশ ওই চিঠির উত্তর পাঠান।
জানা গেছে, বাংলাদশে সফরে এসে ফেসবুক কর্মকর্তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকি এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন।
সাক্ষাতে বাংলাদেশের সাথে ফেসবুকের গ্রাহক তথ্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা এবং ফেসবুকের অ্যাডমিন প্যানেল বসানোর বিষয়ে ইতিবাচক ফল পেলেই বন্ধ থাকা ফেসবুক খুলে দেয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে আঞ্চলিক অফিস খুলতে গত বছর ১৭ মে ফেসবুকের সদর দফতর সফরে ফেসবুকের হেড অব পলিসি প্রোগাম লিসা ফস্টারের কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেয়েছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ওই বৈঠকে বাংলা ভাষায় ফেসবুক, বাংলাদেশে আঞ্চলিক অফিস স্থাপন ও স্থানীয়ভাবে গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে লোকাল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য জনপ্রিয় অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক ফেসবুক-এ শিক্ষা সহায়ক টুলস প্রচলনের আহ্বান জানিয়েছিলো বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)। (যমুনা নিউজ, তথ্য সংগ্রহ)