Menu |||

কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুনের বিরুদ্ধে। সরকারি সম্পদের অপব্যবহার, আর্থিক অনিয়ম, অফিসে হাজিরা দিয়ে বাসায় চলে যাওয়া, ষ্টাফদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ বিভিন্ন কারণে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে । এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ রোগী ও সেবা প্রার্থীরা।

হাসপাতালের একাধিক সূত্র ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যোগদান করার পর থেকেই নানা অনিয়মে জর্জরিত কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সরকারি কোয়ার্টার আনুষ্ঠানিক বরাদ্দ না থাকলেও বসবাসকারী কয়েকজন কর্মচারীর কাছ থেকে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এবং তা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎকরে আসছেন বলে অভিযোগ। এছাড়া হাসপাতালের বহির্বিভাগে সরকার নির্ধারিত তিন টাকার টিকিট পাঁচ টাকা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

অভিযোগ অনুযায়ী, অতিরিক্ত দুই টাকা ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া হয়। টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা জহুরুল ও জাহাঙ্গীর নামের দুই কর্মচারীর মাধ্যমে টিকিট বিক্রি করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের একাধিক সূত্র জানায়, সরকারি এ্যাম্বোলেন্স ব্যক্তিগত ও আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের আনা-নেওয়া ছাড়াও নিজে সফিপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে বসার সময় নিয়ে যান বলে জানায়।

এছাড়া ড্রাইভার রিপনকে দিয়ে তার ব্যক্তিগত কাজ এবং পরিবারের জন্য অতিরিক্ত ব্যবহারে অতিষ্ট হয়ে অন্যত্র বদলি হয়ে চলে গেছে। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের দিয়ে ব্যক্তিগত বাজার করা, রান্না করা ও বাসার বিভিন্ন কাজ করানো হলেও ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পায়না।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিজে একটি সরকারী কোয়ার্টার বরাদ্দ নিলেও একসঙ্গে দুটি সরকারি কোয়ার্টার দখলে রেখেছেন।

সকালে সরজমিনে দেখা যায়, অফিস সময়ের অনেক পরে নিজর সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে আসলেন এবং হাজিরা দিয়ে পুনরায় বাসায় চলে যান এবং কোয়ার্টারেই বেশীর ভাগ সময় অবস্থান করেন। এতে দাপ্তরিক কাজে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।

খোজ নিয়ে জানাযায়, স্থানীয় কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিককে নিজের নামের সিল ব্যবহার করতে দিয়ে ক্লিনিক থেকে নিয়মিত চাঁদা নেন ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুন।

হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের কাছ থেকে সরকারি বায়োমেট্রিক মেশিন কেনার জন্য চাঁদা নেওয়া, জিহাদ নামে নিজের আত্মীয় দিয়ে টিকিট কাউন্টারের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরকারি রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্ত না করেই রোগীদের কাছ থেকে টাকা নিতেন এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া টিকিট দিয়ে প্রতি মাসে হাতিয়ে নেয় বিপুল টাকা। পরে তাকে সরিয়ে প্যাথলজি বিভাগের রিসিট কাটার দায়িত্ব দেওয়া হলে প্রায় দুই লাখ টাকা ইউজার ফি নিয়ে কিছুদিন পলাতক ছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তার আত্মীয় হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। নিজের খেয়াল খুশিমত চালাচ্ছেন হাসপাতাল। জাতীয় পর্যায়ে ফার্স্ট হওয়ার জন্য শুধুমাত্র মহিলাদের এন আই ডি এবং ফোন নাম্বার কালেক্ট করে সেগুলো ভায়া হিসেবে ইন্ট্রি দেয়ায় নির্দেশ দেয়ায় অনেক মহিলা ভায়া না করলেও সাধারন চিকিৎসা নিতে আসা রুগীদের এনআইডি কার্ড রেখে তাদের নাম রেজিষ্ট্রেশন করে রাখা হচ্ছে ।

হাসপাতালের রোগীদের খাবার, ধোপা এবং স্টেশনারি এই তিন ধরনের জিনিসের টেন্ডার দেয়ার সরকারি নিয়ম থাকলেও তিনি শুধুমাত্র খাবার এবং ধোপার টেন্ডার দিয়েছেন। স্টেশনারি তিনি নিজেই কিনেন যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত।
হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য, রোগী ভর্তি সংখ্যা বেশি দেখানো, অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম এবং পরিবেশগত অব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থাকলেও অজ্ঞাত কারনে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না উর্ধতন কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে, ফার্মাসিস্ট দিয়ে জরুরি বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং সেখানে তাদের অনৈতিক অর্থ আদায়ে অতিষ্ট হয়ে গেছে ভুক্তভোগী রোগীরা।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার আচরণ অনেক সময় অসৌজন্যমূলক ও কঠোর। এতে কর্মপরিবেশে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। ধুপা ঠিকাদারের সাথে তার এবং তার পরিবারের বিশেষ সম্পর্ক তাকে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে তার থেকে আর্থিক সুবিধা নেয়ারও অভিযোগ আছে ।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে জানতে চাইলে তিনি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে দাবী করেন।

এ বিষয়ে গাজীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মামুনুর রহমান বলেন, “অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম চলতে থাকলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের দাবি।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» কুয়েতে চুরির চেষ্টাকালে ৫ বাংলাদেশি আটক

» পূর্ণ জনবল নিয়ে পুরোদমে ফিরছে কুয়েতের ব্যাংকগুলো

» পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলেও কুয়েতে আকামা নবায়নের সুযোগ

» কুয়েতের চেয়ে বড় কেউ নয়’: প্রভাবশালী ব্যবসায়ীকেও ফিরিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

» মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সমাধান কি পাকিস্তানে? ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার দিকে তাকিয়ে বিশ্ব

» কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়মের অভিযোগ

» ৫৬ বছরের অবিচ্ছেদ্য বন্ধন, বিলেতে মৌলভীবাজারের তালুকদার পরিবারের খুশির মুহূর্ত

» আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে জিসিসি, জর্ডান ও রাশিয়ার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

» ইরানের আগ্রাসন মোকাবিলায় এক টেবিলে জিসিসি, রাশিয়া ও জর্ডান

» কুয়েতে ইরানি হামলায় বিদেশি শ্রমিক নিহত, ইয়েমেনি ড্রোন ভূপাতিত করল ইসরায়েল

Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

UN Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Hawally. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নানা ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুনের বিরুদ্ধে। সরকারি সম্পদের অপব্যবহার, আর্থিক অনিয়ম, অফিসে হাজিরা দিয়ে বাসায় চলে যাওয়া, ষ্টাফদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ বিভিন্ন কারণে হাসপাতালের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে । এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ রোগী ও সেবা প্রার্থীরা।

হাসপাতালের একাধিক সূত্র ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যোগদান করার পর থেকেই নানা অনিয়মে জর্জরিত কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সরকারি কোয়ার্টার আনুষ্ঠানিক বরাদ্দ না থাকলেও বসবাসকারী কয়েকজন কর্মচারীর কাছ থেকে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এবং তা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎকরে আসছেন বলে অভিযোগ। এছাড়া হাসপাতালের বহির্বিভাগে সরকার নির্ধারিত তিন টাকার টিকিট পাঁচ টাকা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

অভিযোগ অনুযায়ী, অতিরিক্ত দুই টাকা ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া হয়। টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা জহুরুল ও জাহাঙ্গীর নামের দুই কর্মচারীর মাধ্যমে টিকিট বিক্রি করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের একাধিক সূত্র জানায়, সরকারি এ্যাম্বোলেন্স ব্যক্তিগত ও আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের আনা-নেওয়া ছাড়াও নিজে সফিপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে বসার সময় নিয়ে যান বলে জানায়।

এছাড়া ড্রাইভার রিপনকে দিয়ে তার ব্যক্তিগত কাজ এবং পরিবারের জন্য অতিরিক্ত ব্যবহারে অতিষ্ট হয়ে অন্যত্র বদলি হয়ে চলে গেছে। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের দিয়ে ব্যক্তিগত বাজার করা, রান্না করা ও বাসার বিভিন্ন কাজ করানো হলেও ভয়ে তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পায়না।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিজে একটি সরকারী কোয়ার্টার বরাদ্দ নিলেও একসঙ্গে দুটি সরকারি কোয়ার্টার দখলে রেখেছেন।

সকালে সরজমিনে দেখা যায়, অফিস সময়ের অনেক পরে নিজর সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে আসলেন এবং হাজিরা দিয়ে পুনরায় বাসায় চলে যান এবং কোয়ার্টারেই বেশীর ভাগ সময় অবস্থান করেন। এতে দাপ্তরিক কাজে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।

খোজ নিয়ে জানাযায়, স্থানীয় কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিককে নিজের নামের সিল ব্যবহার করতে দিয়ে ক্লিনিক থেকে নিয়মিত চাঁদা নেন ওই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুন।

হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের কাছ থেকে সরকারি বায়োমেট্রিক মেশিন কেনার জন্য চাঁদা নেওয়া, জিহাদ নামে নিজের আত্মীয় দিয়ে টিকিট কাউন্টারের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরকারি রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্ত না করেই রোগীদের কাছ থেকে টাকা নিতেন এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া টিকিট দিয়ে প্রতি মাসে হাতিয়ে নেয় বিপুল টাকা। পরে তাকে সরিয়ে প্যাথলজি বিভাগের রিসিট কাটার দায়িত্ব দেওয়া হলে প্রায় দুই লাখ টাকা ইউজার ফি নিয়ে কিছুদিন পলাতক ছিলেন বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তার আত্মীয় হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। নিজের খেয়াল খুশিমত চালাচ্ছেন হাসপাতাল। জাতীয় পর্যায়ে ফার্স্ট হওয়ার জন্য শুধুমাত্র মহিলাদের এন আই ডি এবং ফোন নাম্বার কালেক্ট করে সেগুলো ভায়া হিসেবে ইন্ট্রি দেয়ায় নির্দেশ দেয়ায় অনেক মহিলা ভায়া না করলেও সাধারন চিকিৎসা নিতে আসা রুগীদের এনআইডি কার্ড রেখে তাদের নাম রেজিষ্ট্রেশন করে রাখা হচ্ছে ।

হাসপাতালের রোগীদের খাবার, ধোপা এবং স্টেশনারি এই তিন ধরনের জিনিসের টেন্ডার দেয়ার সরকারি নিয়ম থাকলেও তিনি শুধুমাত্র খাবার এবং ধোপার টেন্ডার দিয়েছেন। স্টেশনারি তিনি নিজেই কিনেন যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত।
হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য, রোগী ভর্তি সংখ্যা বেশি দেখানো, অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম এবং পরিবেশগত অব্যবস্থাপনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ থাকলেও অজ্ঞাত কারনে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না উর্ধতন কর্তৃপক্ষ।

এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে, ফার্মাসিস্ট দিয়ে জরুরি বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং সেখানে তাদের অনৈতিক অর্থ আদায়ে অতিষ্ট হয়ে গেছে ভুক্তভোগী রোগীরা।

হাসপাতাল সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার আচরণ অনেক সময় অসৌজন্যমূলক ও কঠোর। এতে কর্মপরিবেশে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। ধুপা ঠিকাদারের সাথে তার এবং তার পরিবারের বিশেষ সম্পর্ক তাকে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে তার থেকে আর্থিক সুবিধা নেয়ারও অভিযোগ আছে ।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে জানতে চাইলে তিনি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে দাবী করেন।

এ বিষয়ে গাজীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মামুনুর রহমান বলেন, “অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম চলতে থাকলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের দাবি।

Facebook Comments Box


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Exchange Rate

Exchange Rate EUR: Fri, 17 Apr.

সর্বশেষ খবর



Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

UN Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Hawally. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Bangladesh Office

Director. Rumi Begum
Adviser. Advocate Koyes Ahmed
Desk Editor (Dhaka) Saiyedul Islam
44, Probal Housing (4th floor), Ring Road, Mohammadpur,
Dhaka-1207. Bangladesh
Contact: +8801733966556 /+8801316861577

Email Address

agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Licence No.

MC- 00158/07      MC- 00032/13

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com
error: দুঃখিত! অনুলিপি অনুমোদিত নয়।