ভারতের কেরালা রাজ্যে হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ পাঠিয়ে দুবাই প্রবাসী স্বামী তালাকের ঘোষণা দেয়ার পর ভেঙে পড়েছেন তার স্ত্রী।
এ বিষয়ে রাজ্য মহিলা কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছেন ওই তরুণী।
মাস খানেক আগে রাজ্যের ২১ বছর বয়সী এক মেডিকেল কলেজ ছাত্রীর সাথে দুবাই প্রবাসী একজনের বিয়ে হয়।
বিয়ের দিন সাতেক পরেই ওই ব্যক্তি আবার দুবাই চলে যান। এরপরে তিনি নববিবাহিতা স্ত্রীর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
বিভিন্নভাবে যোগাযোগর চেষ্টা করেও স্বামীর সাথে যোগাযোগে ব্যর্থ হন।
এরপর বিয়ের এক মাসের মাথায় দুবাই থেকে ওয়াটস অ্যাপ এর মাধ্যমে মেসেজ পাঠিয়ে তালাকের নোটিশ দেন ওই ব্যক্তি।
এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তার স্ত্রী। এ বিষয়ে রাজ্য মহিলা কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।
মহিলা কমিশনের একজন সদস্য বলেছেন, এমনটা মেনে নেয়া যায় না।
এদিকে হোয়াটস অ্যাপে তালাকের বৈধতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
কেরালা রাজ্যের এক-তৃতীয়াংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের বাসিন্দা।
হোয়াটস অ্যাপে এই তালাকের বিষয়টিতে মুসলিম কমিউনিটির মাঝে মত-ভিন্নতা তৈরি হয়েছে।
কেউ বলছেন, এটি বৈধ তালাক হয়নি। কারণ তালাক যিনি দেবেন তাকে উচ্চারণ করতে হবে কিংবা যিনি তালাক-প্রাপ্ত হবেন তাকে কানে শুনতে হবে।











