৪৭ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে জিম্বাবুয়ে দল। মুস্তাফিজের পর নাসিরও তুলে নিয়েছেন এক উইকেট। ২৭৭ রানে জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবুয়ে দল। ইনিংসের প্রথম বলে চার মারলেও দ্বিতীয় বলেই মুস্তাফিজের বলে বোল্ড হন চিবাবা। ১৭ রানে নাসিরের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেন চাকাবা। এরপর নাসির এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে ফেলে তুলে নেন ওয়ান ডাউনে নামা আরভিনকে।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১০ ওভারে ৩ উইকেটে ৫৬ রান। ব্যাট করছেন এলটন চিগুম্বরা ৫ ও শন উইলিয়ামস ৫ রানে।
এর আগে ইমরুল কায়েস ও তামিম ইকবালের ১৪৭ রানের উদ্ধোধনী জুটিতে ভর করে জিম্বাবুয়েকে ৩০০ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২৭৬ রান।
টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় টাইগার দলপতি মাশরাফি। তামিম এবং কায়েস উদ্বোধনী জুটিতে বাংলাদেশের জন্য শুভ সূচনা এনে দেন।
২৯.৩ ওভারে দলীয় ১৪৭ রানে ও ব্যক্তিগত ৭৩ রানে প্রথমে মাঠ ছাড়েন ইমরুল কায়েস। উইকেট থেকে বের হয়ে সিকান্দার রাজার বল তুলে মারতে গিয়ে স্টাম্পিং হয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে কায়েসের এ সিরিজে এটি টানা দ্বিতীয় অর্ধশত।
৩৪.২ ওভারে দলীয় ১৭৩ রানে ক্রেমারের বলে একইভাবে উইকেট থেকে বের হয়ে তুলে মারতে গিয়ে স্টাম্পিং হন তামিম ইকবাল। তিনিও ব্যক্তিগহ ৭৩ রানে মাঠ ছাড়েন। এরপর ৩৭.৫ বলে দলীয় ১৯০ রানে ওয়ালার বলে ক্রিজ থেকে বের হয়ে মারতে গিয়ে স্টাম্পিং হন মুশফিকুর। মুশফিক ২৫ বলে ২৮ রান করেন।
উদ্বোধনী জুটি বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরে খুব দ্রুতই আউট হতে থাকে টাইগার ব্যাটসম্যানেরা। লিটন দাস ১৭, সাব্বির রহমান ১, নাসির হোসেন ০ রানে আউট হন। ৭ম উইকেট জুটিতে দলনায়ক মাশিরাফি ও মাহমুদুল্লাহ মুল্যবান ৩৭ রান যোগ করেন। মাশরাফি ১৬ রানে ও মাহমুদুল্লাহ ৫২ রান করে বিদায় নেন।
এর আগে প্রথম ম্যাচে সাকিব-মুশফিকের নৈপুন্যে ১৪৫ রানে সফরকারীদের হারায় স্বাগতিকরা। সাকিববিহীন দ্বিতীয় ম্যাচে ৫৮ রানের জয় পায় মাশরাফি বাহিনী। টানা দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ হাতছাড়া জিম্বাবুয়ের।











