ডেস্ক রিপোর্ট- ১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে এক ধর্মীয় পণ্ডিতের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন আলী খামেনি। ১৯৬২ সালে তিনি আয়াতুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বাধীন ধর্মীয় বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেন।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর আলী খামেনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ‘ইসলামিক রেভোল্যুশন গার্ড কর্পস’ (আইআরজিসি) গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর ধর্মীয় নেতাদের কাউন্সিল ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ আলী খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। তৎকালীন শিয়া ধর্মতত্ত্বে তাঁর প্রয়োজনীয় পদমর্যাদা না থাকা সত্ত্বেও, তাঁকে ক্ষমতায় বসাতে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছিল।
এরপর থেকেই আয়াতুল্লাহ খামেনি ইরানের রাজনীতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর ওপর নিজের কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন। শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে আসা যেকোনো চ্যালেঞ্জকে তিনি কখনো কখনো অত্যন্ত সহিংসভাবে দমন করেছেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি শুরু থেকেই কট্টর অবস্থান নিয়েছেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তিনি সর্বদা সন্দিহান এবং দেশটির সাথে চলমান দ্বন্দ্বে অনড়। এছাড়া তিনি বারবার ইসরায়েল রাষ্ট্রকে বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন এবং প্রকাশ্যে হলোকাস্টের (ইহুদি নিধনযজ্ঞ) ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
ছয় সন্তানের জনক খামেনির দীর্ঘ শাসনামলে এখন পর্যন্ত ইরানে মোট সাতজন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন করেছেন।











