
আমাদের জীবনে কিছু মানুষ আসেন, যাদের উপস্থিতি স্বল্প সময়ের হলেও তাদের প্রভাব হয় সুদূরপ্রসারী। কুয়েত প্রবাসী সংগঠক ও কলম সৈনিক এস এম আব্দুল আহাদ ছিলেন তেমনই একজন মানুষ। আজ থেকে ঠিক সাত বছর আগে, অর্থাৎ ২০১৮ সালের ৩১শে আগস্ট, সিলেটের মাটিতে তিনি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। এই নির্মম মৃত্যু শুধু তার পরিবার বা বন্ধু-বান্ধবকে নয়, বরং পুরো প্রবাসী সমাজ ও সংস্কৃতি অঙ্গনে এক গভীর শূন্যতা তৈরি করে গেছে।
আহাদ ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক এবং একজন শক্তিশালী কলম সৈনিক। প্রবাসে থেকেও তিনি দেশের সংস্কৃতি, সাহিত্য এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন tirelessly। তার লেখনি ছিল ধারালো, যা অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা তৈরি করত। একই সাথে, তার সাংগঠনিক দক্ষতা ছিল অসাধারণ, যার মাধ্যমে তিনি প্রবাসীদের একত্রিত করে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করতেন।

ব্যক্তিগতভাবে, সেই ২০১৮ সালের ২৮শে আগস্টের কথা আমি কখনও ভুলতে পারি না। মৃত্যুর মাত্র দুদিন আগে, তার সঙ্গে আমার শেষ কথা হয়েছিল ২ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড। সেই কথোপকথনের স্মৃতি আজও আমার মনে স্পষ্ট, যা আজও এক অবর্ণনীয় কষ্টের কারণ। একজন প্রিয় মানুষকে এত নির্মমভাবে হারিয়ে ফেলার কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
এস এম আব্দুল আহাদ-এর জীবন ছিল একটি প্রেরণা। তিনি প্রমাণ করে গেছেন, একজন মানুষ তার কাজের মাধ্যমে কতটা impactful হতে পারেন। তার মৃত্যু একটি অপূরণীয় ক্ষতি, কিন্তু তার আদর্শ এবং তার রেখে যাওয়া কাজগুলো আমাদের মাঝে আজও বেঁচে আছে।
আমরা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি এবং দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। আহাদকে ভুলে থাকা যাবে না। তার স্মৃতি আমাদের হৃদয়ে চিরকাল অমলিন থাকবে।
আ হ জুবেদ (সম্পাদক, অগ্রদৃষ্টি)











