ডেস্ক নিউজ : অন্ধত্ব ও মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানোর লক্ষ্যে সারা দেশে দুই কোটি ২১ লাখ শিশুকে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো হয়েছে। ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ১টি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুকে ১টি লাল রঙের উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সুত্র জানায়, স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টার মধ্যে সারা দেশে এক লাখ ২০ হাজার স্থায়ী ও ২০ হাজার অস্থায়ী ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ান।
বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, খেয়াঘাট ইত্যাদি স্থানে ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র স্থাপন করে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো হয়।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, দেশে বর্তমানে ভিটামিন এ’র অভাবে অন্ধত্বে ভুগছে এমন শিশুর হার ১ শতাংশেরও কম। অথচ ১৯৭৪ সালে এই হার ছিল ৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ। সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় দেশে অন্ধত্বের হার কমে এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, ভিটামিন এ-এর অভাবে শুধু অন্ধত্বই হয় না, এতে অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ১৯৭৩ সাল থেকে জাতীয়ভাবে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
সাম্প্রতিক খবর:

কুয়েতে প্রবীণ প্রবাসী হারুন মিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল

যে অপরাধের উত্তর নেই: মক্কার ঘটনায় স্তব্ধ প্রবাসী সমাজ

মৌলভীবাজারে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত

কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শিক্ষার্থীর অভিভাবকের আবেগঘন চিঠি: শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য

জেদ্দায় প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সতর্কবার্তা

কুয়েতের সালমি: মরুভূমিতে কোটি টাকার 'গাড়ির বাজার

ইউরোপের চাকরি ও ভিসার প্রলোভন,গ্রেফতার কুয়েতের এক রিক্রুটিং ব্যবসায়ী

কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?












