ডেস্ক নিউজ : আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। শুক্রবার বেলা সোয়া দুইটায় প্রধান বিচারপতি নিয়োগসংক্রান্ত পত্রে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতি। শনিবার সন্ধ্যা সাতটায় বঙ্গভবনে প্রধান বিচারপতি হিসেবে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নেবেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আজ বেলা সোয়া দুইটায় প্রধান বিচারপতির নিয়োগসংক্রান্ত পত্রে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করেছেন। কাল সন্ধ্যা সাতটায় বঙ্গভবনে সৈয়দ মাহমুদ হোসেন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন।
আইনসচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক বলেন, সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর করা চিঠিটি আইন মন্ত্রণালয়ে এসেছে। তা গেজেট আকারে প্রকাশ হয়েছে।
সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ১৯৮১ সালে জেলা আদালতে এবং ১৯৮৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে নিবন্ধিত হন। ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ২০০১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক নিযুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি নিযুক্ত হন তিনি।
সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম সৈয়দ মুস্তফা আলী এবং মায়ের নাম বেগম কাওসার জাহান। তিনি বিএসসি ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া লন্ডন ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ওরিয়েন্টাল আফ্রিকান স্টাডিজ এবং ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজ থেকে ছয় মাসের ‘কমনওয়েলথ ইয়াং ল ইয়ার্স কোর্স’ করেন।
সাম্প্রতিক খবর:

কুয়েতে প্রবীণ প্রবাসী হারুন মিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল

যে অপরাধের উত্তর নেই: মক্কার ঘটনায় স্তব্ধ প্রবাসী সমাজ

মৌলভীবাজারে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত

কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শিক্ষার্থীর অভিভাবকের আবেগঘন চিঠি: শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য

জেদ্দায় প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সতর্কবার্তা

কুয়েতের সালমি: মরুভূমিতে কোটি টাকার 'গাড়ির বাজার

ইউরোপের চাকরি ও ভিসার প্রলোভন,গ্রেফতার কুয়েতের এক রিক্রুটিং ব্যবসায়ী

কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?












