Menu |||

জামাল খাসোগি: কে এই সৌদি সাংবাদিক, যিনি কনস্যুলেটে ঢুকে হারিয়ে গেছেন

বিবাহ বিচ্ছেদের একটি সনদ নেয়ার জন দোসরা অক্টোবর নিজ দেশ, সৌদি আরবের ইস্তানবুল কনস্যুলেটে প্রবেশে করেছিলেন সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি। তুরস্কের পুলিশ বলছে, তিনি এরপর আর সেখান থেকে বেরিয়ে আসেননি।

ইস্তানবুলের পুলিশ মনে করছে, কনস্যুলেটের ভেতরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু সৌদি সরকারের দাবি যে, তিনি বেরিয়ে গেছেন।

সৌদি আরবের রাজ পরিবারের একসময়কার উপদেষ্টা হঠাৎ করেই তাদের অনুগ্রহ হারিয়ে গত বছর থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসনে রয়েছেন।

কিন্তু কে এই জামাল খাসোগি? কিভাবে তার উত্থান হয়েছিল? তার নিখোঁজের পেছনে কি ভূমিকা রেখেছে?

জন্ম ও পেশা

মদিনায় ১৯৫৮ সালে জন্মগ্রহণকারী জামাল খাসোগি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে পড়াশোনা করেন।

 

এরপর সৌদি আরবে ফিরে আশির দশকে তিনি সাংবাদিক হিসাবে পেশাজীবন শুরু করেন। আঞ্চলিক একটি সংবাদপত্রের হয়ে তিনি আফগানিস্তানে সোভিয়েত অভিযান কাভার করেন।

তখন তিনি ওসামা বিন লাদেনের উত্থানের বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে দেখতে পান। আশি এবং নব্বুইয়ের দশকে বর্তমানে আল-কায়েদার এই নিহত নেতার বেশ কয়েকটি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন।

সাংবাদিক হিসাবে বিখ্যাত হয়ে ওঠা

এরপর তার পেশাজীবনে আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ যোগ হয়। যার মধ্যে কুয়েতের প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ রয়েছে।

নব্বইয়ের দশকে তিনি স্থায়ীভাবে সৌদি আরবে ফিরে আসেন। ১৯৯৯ সালে তিনি ইংলিশ ভাষার আরব সংবাদপত্র আরব নিউজে উপ-সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।

২০০৩ সালে আল ওয়াতান সংবাদপত্রের সম্পাদক নিযুক্ত হন, কিন্তু সৌদি ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় দুই মাসের মধ্যে বহিষ্কৃত হন।

এরপর তিনি লন্ডনে এবং ওয়াশিংটনে সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রিন্স তুর্কি বিন-ফয়সালের মিডিয়া উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করেন, যে প্রিন্স একসময় সৌদি আরবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ছিলেন।

২০০৭ সালে আল ওয়াতানে তিনি আবার ফিরে আসেন, কিন্তু তিন বছর পর নতুন করে আরেক বিতর্কের মুখে তাকে চলে যেতে হয়।

২০১১ সালের আরব বসন্তের সময় তিনি ইসলামপন্থী গ্রুপগুলোর প্রতি সমর্থন জানান, যারা বেশ কয়েকটি আরব দেশে ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে।

২০১২ তিনি সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট আরব নিউজ চ্যানেলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যেটি কাতারের চ্যানেল আল জাজিরার প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠার চেষ্টা করছিল।

নিখোঁজ জামাল খাসোগিকে নিয়ে আশঙ্কা বাড়ছেই ।

কিন্তু বাহরাইনের একজন নামী বিরোধী নেতাকে বক্তব্য দেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানোয় প্রচারের ২৪ ঘণ্টা পরেই বাহরাইন ভিত্তিক এই চ্যানেলটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

সৌদি আরব সম্পর্কিত বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কণ্ঠ হিসাবে বিবেচিত মি. খাসোগি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমেও নিয়মিত প্রদায়ক হিসাবে কাজ করতেন।

‘আমাদের, সৌদিদের আরো ভালো কিছু প্রাপ্য’

২০১৭ সালের গ্রীষ্মে সৌদি আরব ত্যাগ করেন সাংবাদিক জামাল খাসোগি।

ওয়াশিংটন পোস্টে তার প্রথম লেখায় তিনি লেখেন, তিনি এবং আরো কয়েকজন স্বেচ্ছা নির্বাসনে এসেছেন, কারণ তাদের ভয়, তাদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

তিনি বলেছেন, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক সংস্কার বিষয়ে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরোধিতা করায় অসংখ্য মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, আল-হায়াত সংবাদপত্রে তার কলাম বাতিলের জন্য চাপ দিয়েছে সৌদি সরকার এবং তখনকার মার্কিন হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সৌদি আরবের অতিরিক্ত প্রীতি নিয়ে টুইট না করার জন্যও সতর্ক করে দেয়া হয়।

”আমি বাড়ি ছেড়েছি, আবার পরিবার আর চাকরি হারিয়েছি এবং আমার কণ্ঠ তুলে ধরেছি। এটা না করলে যারা কারাগারে রয়েছে, তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে। যখন অনেকেই কোন কথা বলতে পারছে না, তখন আমি বলছি। আমি সবাইকে জানাতে চাই, সৌদি আরব কখনোই এমন ছিল না, যা এখন হচ্ছে। সৌদিদের আরো ভালো কিছু প্রাপ্য।”

তার কলামে সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেছেন যে, নানা অভিযানের মাধ্যমে আসলে চরমপন্থীদের সরকার উৎসাহিত করছে। যুবরাজকে তিনি রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

মঙ্গলবার ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর থেকে মি. খাসোগিকে আর দেখা যায়নি। স্ত্রীকে ডিভোর্সের সনদ আনার জন্য তিনি সেখানে গিয়েছিলেন।

তার বান্ধবী হাতিস চেঙ্গিস বলছেন, তিনি কনস্যুলেটের বাইরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন, কিন্তু তাকে দেখতে পাননি।

তুরস্কের কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের বিশ্বাস, কনস্যুলেটের ভেতরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে এবং তারা ভেতরে প্রবেশাধিকার চেয়েছেন। কিন্তু সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব অভিযোগের ভিত্তি নেই।

 

সূত্র, বিবিসি

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিট খারিজ করে দিয়েছে আদালত

» মৌলভীবাজারে আর্ন্তজাতিক অভিবাসী দিবস পালিত

» আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ২০১৮

» কুয়েতে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৪৮তম মহান বিজয় দিবস পালন

» প্রবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

» কুয়েতে ভিসা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে চালু হতে যাচ্ছে নতুন নিয়ম

» মৌলভীবাজারে জনগণের মূখোমূখী এমপি প্রার্থীগণ

» ওমানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কুয়েত প্রবাসী ব্যবসায়ীদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

» দুর্বলের সাথে সবলের মাস্তানি

» টেলি সামাদ হাসপাতালে

Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

Mahrall Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Mujamma Abbasia. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

জামাল খাসোগি: কে এই সৌদি সাংবাদিক, যিনি কনস্যুলেটে ঢুকে হারিয়ে গেছেন

বিবাহ বিচ্ছেদের একটি সনদ নেয়ার জন দোসরা অক্টোবর নিজ দেশ, সৌদি আরবের ইস্তানবুল কনস্যুলেটে প্রবেশে করেছিলেন সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি। তুরস্কের পুলিশ বলছে, তিনি এরপর আর সেখান থেকে বেরিয়ে আসেননি।

ইস্তানবুলের পুলিশ মনে করছে, কনস্যুলেটের ভেতরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু সৌদি সরকারের দাবি যে, তিনি বেরিয়ে গেছেন।

সৌদি আরবের রাজ পরিবারের একসময়কার উপদেষ্টা হঠাৎ করেই তাদের অনুগ্রহ হারিয়ে গত বছর থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসনে রয়েছেন।

কিন্তু কে এই জামাল খাসোগি? কিভাবে তার উত্থান হয়েছিল? তার নিখোঁজের পেছনে কি ভূমিকা রেখেছে?

জন্ম ও পেশা

মদিনায় ১৯৫৮ সালে জন্মগ্রহণকারী জামাল খাসোগি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে পড়াশোনা করেন।

 

এরপর সৌদি আরবে ফিরে আশির দশকে তিনি সাংবাদিক হিসাবে পেশাজীবন শুরু করেন। আঞ্চলিক একটি সংবাদপত্রের হয়ে তিনি আফগানিস্তানে সোভিয়েত অভিযান কাভার করেন।

তখন তিনি ওসামা বিন লাদেনের উত্থানের বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে দেখতে পান। আশি এবং নব্বুইয়ের দশকে বর্তমানে আল-কায়েদার এই নিহত নেতার বেশ কয়েকটি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন।

সাংবাদিক হিসাবে বিখ্যাত হয়ে ওঠা

এরপর তার পেশাজীবনে আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ যোগ হয়। যার মধ্যে কুয়েতের প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ রয়েছে।

নব্বইয়ের দশকে তিনি স্থায়ীভাবে সৌদি আরবে ফিরে আসেন। ১৯৯৯ সালে তিনি ইংলিশ ভাষার আরব সংবাদপত্র আরব নিউজে উপ-সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন।

২০০৩ সালে আল ওয়াতান সংবাদপত্রের সম্পাদক নিযুক্ত হন, কিন্তু সৌদি ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় দুই মাসের মধ্যে বহিষ্কৃত হন।

এরপর তিনি লন্ডনে এবং ওয়াশিংটনে সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রিন্স তুর্কি বিন-ফয়সালের মিডিয়া উপদেষ্টা হিসাবে কাজ করেন, যে প্রিন্স একসময় সৌদি আরবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ছিলেন।

২০০৭ সালে আল ওয়াতানে তিনি আবার ফিরে আসেন, কিন্তু তিন বছর পর নতুন করে আরেক বিতর্কের মুখে তাকে চলে যেতে হয়।

২০১১ সালের আরব বসন্তের সময় তিনি ইসলামপন্থী গ্রুপগুলোর প্রতি সমর্থন জানান, যারা বেশ কয়েকটি আরব দেশে ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠে।

২০১২ তিনি সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট আরব নিউজ চ্যানেলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যেটি কাতারের চ্যানেল আল জাজিরার প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠার চেষ্টা করছিল।

নিখোঁজ জামাল খাসোগিকে নিয়ে আশঙ্কা বাড়ছেই ।

কিন্তু বাহরাইনের একজন নামী বিরোধী নেতাকে বক্তব্য দেয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানোয় প্রচারের ২৪ ঘণ্টা পরেই বাহরাইন ভিত্তিক এই চ্যানেলটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

সৌদি আরব সম্পর্কিত বিষয়ে নির্ভরযোগ্য কণ্ঠ হিসাবে বিবেচিত মি. খাসোগি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমেও নিয়মিত প্রদায়ক হিসাবে কাজ করতেন।

‘আমাদের, সৌদিদের আরো ভালো কিছু প্রাপ্য’

২০১৭ সালের গ্রীষ্মে সৌদি আরব ত্যাগ করেন সাংবাদিক জামাল খাসোগি।

ওয়াশিংটন পোস্টে তার প্রথম লেখায় তিনি লেখেন, তিনি এবং আরো কয়েকজন স্বেচ্ছা নির্বাসনে এসেছেন, কারণ তাদের ভয়, তাদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

তিনি বলেছেন, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক সংস্কার বিষয়ে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরোধিতা করায় অসংখ্য মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, আল-হায়াত সংবাদপত্রে তার কলাম বাতিলের জন্য চাপ দিয়েছে সৌদি সরকার এবং তখনকার মার্কিন হবু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সৌদি আরবের অতিরিক্ত প্রীতি নিয়ে টুইট না করার জন্যও সতর্ক করে দেয়া হয়।

”আমি বাড়ি ছেড়েছি, আবার পরিবার আর চাকরি হারিয়েছি এবং আমার কণ্ঠ তুলে ধরেছি। এটা না করলে যারা কারাগারে রয়েছে, তাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে। যখন অনেকেই কোন কথা বলতে পারছে না, তখন আমি বলছি। আমি সবাইকে জানাতে চাই, সৌদি আরব কখনোই এমন ছিল না, যা এখন হচ্ছে। সৌদিদের আরো ভালো কিছু প্রাপ্য।”

তার কলামে সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেছেন যে, নানা অভিযানের মাধ্যমে আসলে চরমপন্থীদের সরকার উৎসাহিত করছে। যুবরাজকে তিনি রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

মঙ্গলবার ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর থেকে মি. খাসোগিকে আর দেখা যায়নি। স্ত্রীকে ডিভোর্সের সনদ আনার জন্য তিনি সেখানে গিয়েছিলেন।

তার বান্ধবী হাতিস চেঙ্গিস বলছেন, তিনি কনস্যুলেটের বাইরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন, কিন্তু তাকে দেখতে পাননি।

তুরস্কের কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের বিশ্বাস, কনস্যুলেটের ভেতরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে এবং তারা ভেতরে প্রবেশাধিকার চেয়েছেন। কিন্তু সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, এসব অভিযোগের ভিত্তি নেই।

 

সূত্র, বিবিসি

Facebook Comments


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে নৈতিক শক্তি ও সাহস নিয়ে পুলিশ এখন থেকে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে পারবে। আপনি কি তা মনে করেন?

প্রবাসীদের সেবায় ”প্রবাসীর ডাক্তার” শুধুমাত্র বাংলাটিভিতে

সর্বশেষ খবর



Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

Mahrall Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Mujamma Abbasia. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Bangladesh Office

Director. Rumi Begum
Adviser. Advocate Koyes Ahmed
Desk Editor (Dhaka) Saiyedul Islam
44, Probal Housing (4th floor), Ring Road, Mohammadpur,
Dhaka-1207. Bangladesh
Contact: +8801733966556 / +8801920733632

Email Address

agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Licence No.

MC- 00158/07      MC- 00032/13

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com