উত্তরাঞ্চলীয় কুড়িগ্রাম জেলায় বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে।
কুড়িগ্রামের কয়েকটি চর ঘুরে এসে স্থানীয় সংবাদদাতা শফি খান এই তথ্য দিচ্ছেন।
জেলার চার শতাধিক চরের বেশীরভাগ ঘরবাড়িরই চাল পর্যন্ত গিয়ে বন্যার পানি ঠেকেছে বলে তিনি জানাচ্ছেন।
এর ফলে দুর্বিষহ দিন কাটছে চরগুলোর প্রায় ৫ লাখ অধিবাসীর।
বেশীরভাগ মানুষই বাস করছে মাচায় কিংবা নৌকায়। শুধু সামর্থবানেরাই সরে যেতে পেরেছে দূরবর্তী উঁচু স্থানে।
উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ও বেগমগঞ্জ সহ বিভিন্ন চরে গিয়ে দেখা গেছে এই অবস্থা।
মশালের চরে গিয়ে দেখা যায় একটি পরিবার যে মাচাটিতে বসবাস করছে সেটিও ডুবুডুবু। গৃহকত্রী সাহারা খাতুন তখন মরিচ ভর্তা করছিলেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের চরের সব ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। এখন এই চরের মানুষের একমাত্র খাবার মরিচ এবং লবণ’।
এদিকে, বাংলাদেশের বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানাচ্ছে, গতকাল সন্ধেবেলা থেকে আজ ভোর পর্যন্ত কুড়িগ্রামের একদম সীমান্তবর্তী এলাকায় পানি কিছুটা কমেছে। যদিও কালকে সারাদিনই সেখানে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত ছিল।











