স্টাফ রিপোর্টার : ভাসানটেকের ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী আক্তার হোসেন গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকলেও তার সহযোগীরা বাদীদেরকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ, আসামী পক্ষের লোকজন বিভিন্নভাবে তাদের হুমকি দিচ্ছে। হত্যা করতে চাচ্ছে। তারা বলছে, বাঁচতে হলে মামলা তুলতে হবে’। বিষয়টি তারা পুলিশকে জানিয়েছেন। অন্যদিকে মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার হলেও অন্য আসামীরা ধরা ছোয়ার বাইরে রয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের। মামলা সুত্রে জানা গেছে ১৬ এপ্রিল রাতে মিরপুর ১৪-এর বাগানবাড়ি বস্তিতে এক নারী গার্মেন্টস কর্মীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে একাধিক মামলার আসামী স্থানীয় সন্ত্রাসী আক্তার হোসেন। পরে আক্তারসহ চারজন তাকে ধর্ষণ করে। পরে নির্যাতিত ওই নারী বাদী হয়ে ভাসানটেক থানায় আক্তার হোসেন তার সহযোগী আনোয়ার, মমিনুল ও নাসির উদ্দিনকে আসামী করে মামলা করেন। পরে প্রধান আসামী আক্তারকে মুগদা থানার মান্ডা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ। তবে মামলার অন্য আসামীদের পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। ভাসানটেক থানার ওসি নজরুল গ্রেফতারের সতত্যা নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে কারাগারে থাকা আক্তারের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা চেষ্টার মামলা রয়েছে, পল্টন থানায় ২০ লাখ টাকার আত্মসাতের মামলা রয়েছে, বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা রয়েছে।
সাম্প্রতিক খবর:

মৌলভীবাজারে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত

কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শিক্ষার্থীর অভিভাবকের আবেগঘন চিঠি: শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য

জেদ্দায় প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সতর্কবার্তা

কুয়েতের সালমি: মরুভূমিতে কোটি টাকার 'গাড়ির বাজার

ইউরোপের চাকরি ও ভিসার প্রলোভন,গ্রেফতার কুয়েতের এক রিক্রুটিং ব্যবসায়ী

কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?

কুয়েতের মরুভূমিতে লাল-সবুজের বিপ্লব

টানা পঞ্চম জয়! কুয়েত সামার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের বড় জয়












