Menu |||

গাঁজার চালানের সবই মধ্যপ্রাচ্যমুখী

মঙ্গলবার ও সোমবার চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক হয় গাঁজার দুটি চালান। এর একটির গন্তব্য ছিল ওমান এবং অন্যটির সংযুক্ত আরব আমিরাত।

২০১৪ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গাঁজার চারটি চালান আটকের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এর দুটি চালান যাচ্ছিল কুয়েতে, একটি কাতারে এবং অন্যটি ওমানে।

গাঁজার চালান যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ থেকে গত ১৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সভা করে চট্টগ্রাম সমিতি, ওমান।

ওই বৈঠকে ওমানের বিমানবন্দরে গাঁজা ও ইয়াবাসহ বাংলাদেশি ধরা পড়ার বিষয়টি জানানো হয়। এতে ওমান প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোগান্তির কথাও সংশ্লিষ্টদের জানান সমিতির নেতৃবৃন্দ।

চট্টগ্রাম জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জহিরুল আলম মজুমদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “চট্টগ্রাম সমিতি, ওমানের নেতারা বলেন, আয়ুর্বেদিক দাঁতের মাজনের প্রায় দুইশ কৌটায় ভরা গাঁজার চালান সেখানকার বিমানবন্দরে ধরা পড়ে।

“এরপর থেকে বাংলাদেশি যাত্রীদের ওই দেশের বিমানবন্দরে আলাদা করে রাখা হত এবং আলাদা তল্লাশি করা হয়। এতে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।”

ওমানে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করেন।

ওমান প্রবাসীদের কাছে তথ্য পাওয়ার পর গত ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রাম জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা হয়। এরপরই শাহ আমানতে মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের তল্লাশি জোরদার করা হয়।

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সারওয়ার ই জাহান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ওমানের চট্টগ্রাম সমিতি অভিযোগ করেছিল। তবে সেই চালান চট্টগ্রাম দিয়ে যায়নি।

“দুটো চালান ধরা পড়ার পর আপনাদের মনে হতে পারে, আগেও হয়ত এখান দিয়ে গিয়েছিল। আসলে আগে তেমন কিছু হয়নি।”

সোমবার শাহ আমানতে ধরা পড়া বিমানযাত্রী ওমান প্রবাসী মো. রুবেল। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা। তার দুটি তোষকের ভেতর ছিল ছয় কেজি গাঁজা।

মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়া বিমানযাত্রী জমির উদ্দিন চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাসিন্দা। আবুধাবিগামী জমিরের কাছে ছিল ২০০ গ্রাম গাঁজা ও ৫৪০টি ইয়াবা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের উপ-পরিচালক শামীম আহম্মেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আগে বিমানবন্দরে স্বর্ণে বেশি নজর দেওয়া হত। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে এখন মাদকের বিষয়ে জোর দিচ্ছে, তাই ধরা পড়ছে। এর আগে যে গাঁজা যায়নি, সেটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না।”

২০১৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ৫ কেজি গাঁজাসহ কুমিল্লার মো. হানিফ ধরা পড়েন ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে। তিনি কাতার যাচ্ছিলেন। ওই বছরের ১৩ মে ২ কেজি গাঁজাসহ কুয়েতগামী ইয়াসিন খান নামের এক যাত্রী ধরা পড়েন।

২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর শাহজালালে ২ কেজি গাঁজাসহ ধরা পড়েন কুয়েতগামী মো. হারুন, তিনি ফেনীর বাসিন্দা। ২০১৮ সালের ৪ জুলাই ১০ কেজি গাঁজাসহ কুমিল্লার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম গ্রেপ্তার হন। তিনি গাঁজা নিয়ে ওমান যাচ্ছিলেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা শামীম বলেন, বাংলাদেশে গাঁজা চাষ আইনত নিষিদ্ধ হলেও ভারত সীমান্তের ফেনী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অংশ দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকে।

“বাংলাদেশে কিছু গাঁজাসেবী আছে। তবে এটা ট্রানজিট কান্ট্রিও।”

 

চট্টগ্রাম জেলা কর্মসংস্থান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জহিরুল আলম মজুমদার বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের কিছু কর্মী মাদকাসক্ত। কিন্তু সেখানে মাদক সংগ্রহ করা খুব কঠিন। তাই দেশ থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করে একটি চক্র।

“আবার এসব গাঁজা মধ্যপ্রাচ্য হয়ে পশ্চিমা দেশেও চলে যেতে পারে। চক্রের নেপথ্যের লোকরা ধরা পড়ে না বলে চক্র শনাক্ত করা যায় না।”

মাদক পাচারের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন জহিরুল।

ইতোপূর্বে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ধরা পড়া গাঁজার চালানের সঙ্গে বাহক গ্রেপ্তার হলেও পাচারকারী চক্রের সন্ধান মেলেনি। সোমবার গ্রেপ্তার রুবেলের বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেনি স্থানীয় পুলিশ।

পতেঙ্গা থানার ওসি উৎপল বড়ুয়ার কাছে রুবেলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, তবে তদন্তের স্বার্থে তা এখনই বলতে পারছি না।”

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামীম বলেন, “ঢাকা বিমানবন্দরে আমাদের আলাদা ইউনিট থাকলেও চট্টগ্রামে নেই। আলাদা ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াড থাকলে গাঁজার মতো মাদক শনাক্ত করা সহজ হবে।”

বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সারওয়ার ই জাহান বলেন, “পাচারকারী যত কৌশলই নিক সফল হতে পারবে না। মাদক পাচারের বিষয়ে আমাদের জিরো টলারেন্স আছে। আমাদের স্ক্যানিং মেশিনেও মাদক ধরা পড়ে।”

চট্টগ্রাম সমিতি, ওমানের সভাপতি ইয়াছিন চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিমানবন্দরে কড়াকড়ি আরোপ হওয়ায় তারা আশাবাদী যে গাঁজার চালান আর আসবে না। এতে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ভোগান্তি থেকে রেহাই পাবে।

 

সূত্র, বিডিনিউজ২৪.কম

Facebook Comments Box

সাম্প্রতিক খবর:

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

কুয়েতে জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?

কুয়েতের মরুভূমিতে লাল-সবুজের বিপ্লব

কুয়েত গাউছিয়া কমিটি ফাহাহিল শাখার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

টানা পঞ্চম জয়! কুয়েত সামার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের বড় জয়

কুয়েতের আদালতে বাংলাদেশি নাগরিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড বহাল

বিদেশী বিনিয়োগকারীদের ১৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদী রেসিডেন্সি দিচ্ছে কুয়েত

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» মৌলভীবাজারে তমদ্দুন মজলিসের ৭৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

» ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

» কুয়েতে জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

» গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

» কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

» খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?

» কুয়েতের মরুভূমিতে লাল-সবুজের বিপ্লব

» কুয়েত গাউছিয়া কমিটি ফাহাহিল শাখার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

» টানা পঞ্চম জয়! কুয়েত সামার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের বড় জয়

» মৌলভীবাজারে যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুল আজিজকে নাগরিক সংবর্ধনা

Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

UN Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Hawally. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

গাঁজার চালানের সবই মধ্যপ্রাচ্যমুখী

মঙ্গলবার ও সোমবার চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটক হয় গাঁজার দুটি চালান। এর একটির গন্তব্য ছিল ওমান এবং অন্যটির সংযুক্ত আরব আমিরাত।

২০১৪ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গাঁজার চারটি চালান আটকের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এর দুটি চালান যাচ্ছিল কুয়েতে, একটি কাতারে এবং অন্যটি ওমানে।

গাঁজার চালান যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ থেকে গত ১৪ জানুয়ারি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সভা করে চট্টগ্রাম সমিতি, ওমান।

ওই বৈঠকে ওমানের বিমানবন্দরে গাঁজা ও ইয়াবাসহ বাংলাদেশি ধরা পড়ার বিষয়টি জানানো হয়। এতে ওমান প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোগান্তির কথাও সংশ্লিষ্টদের জানান সমিতির নেতৃবৃন্দ।

চট্টগ্রাম জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জহিরুল আলম মজুমদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “চট্টগ্রাম সমিতি, ওমানের নেতারা বলেন, আয়ুর্বেদিক দাঁতের মাজনের প্রায় দুইশ কৌটায় ভরা গাঁজার চালান সেখানকার বিমানবন্দরে ধরা পড়ে।

“এরপর থেকে বাংলাদেশি যাত্রীদের ওই দেশের বিমানবন্দরে আলাদা করে রাখা হত এবং আলাদা তল্লাশি করা হয়। এতে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।”

ওমানে প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি বসবাস করেন।

ওমান প্রবাসীদের কাছে তথ্য পাওয়ার পর গত ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রাম জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা হয়। এরপরই শাহ আমানতে মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের তল্লাশি জোরদার করা হয়।

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সারওয়ার ই জাহান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ওমানের চট্টগ্রাম সমিতি অভিযোগ করেছিল। তবে সেই চালান চট্টগ্রাম দিয়ে যায়নি।

“দুটো চালান ধরা পড়ার পর আপনাদের মনে হতে পারে, আগেও হয়ত এখান দিয়ে গিয়েছিল। আসলে আগে তেমন কিছু হয়নি।”

সোমবার শাহ আমানতে ধরা পড়া বিমানযাত্রী ওমান প্রবাসী মো. রুবেল। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাসিন্দা। তার দুটি তোষকের ভেতর ছিল ছয় কেজি গাঁজা।

মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়া বিমানযাত্রী জমির উদ্দিন চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাসিন্দা। আবুধাবিগামী জমিরের কাছে ছিল ২০০ গ্রাম গাঁজা ও ৫৪০টি ইয়াবা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের উপ-পরিচালক শামীম আহম্মেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আগে বিমানবন্দরে স্বর্ণে বেশি নজর দেওয়া হত। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে এখন মাদকের বিষয়ে জোর দিচ্ছে, তাই ধরা পড়ছে। এর আগে যে গাঁজা যায়নি, সেটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না।”

২০১৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ৫ কেজি গাঁজাসহ কুমিল্লার মো. হানিফ ধরা পড়েন ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে। তিনি কাতার যাচ্ছিলেন। ওই বছরের ১৩ মে ২ কেজি গাঁজাসহ কুয়েতগামী ইয়াসিন খান নামের এক যাত্রী ধরা পড়েন।

২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর শাহজালালে ২ কেজি গাঁজাসহ ধরা পড়েন কুয়েতগামী মো. হারুন, তিনি ফেনীর বাসিন্দা। ২০১৮ সালের ৪ জুলাই ১০ কেজি গাঁজাসহ কুমিল্লার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম গ্রেপ্তার হন। তিনি গাঁজা নিয়ে ওমান যাচ্ছিলেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা শামীম বলেন, বাংলাদেশে গাঁজা চাষ আইনত নিষিদ্ধ হলেও ভারত সীমান্তের ফেনী, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া অংশ দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকে।

“বাংলাদেশে কিছু গাঁজাসেবী আছে। তবে এটা ট্রানজিট কান্ট্রিও।”

 

চট্টগ্রাম জেলা কর্মসংস্থান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জহিরুল আলম মজুমদার বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের কিছু কর্মী মাদকাসক্ত। কিন্তু সেখানে মাদক সংগ্রহ করা খুব কঠিন। তাই দেশ থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করে একটি চক্র।

“আবার এসব গাঁজা মধ্যপ্রাচ্য হয়ে পশ্চিমা দেশেও চলে যেতে পারে। চক্রের নেপথ্যের লোকরা ধরা পড়ে না বলে চক্র শনাক্ত করা যায় না।”

মাদক পাচারের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের শ্রমবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন জহিরুল।

ইতোপূর্বে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ধরা পড়া গাঁজার চালানের সঙ্গে বাহক গ্রেপ্তার হলেও পাচারকারী চক্রের সন্ধান মেলেনি। সোমবার গ্রেপ্তার রুবেলের বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেনি স্থানীয় পুলিশ।

পতেঙ্গা থানার ওসি উৎপল বড়ুয়ার কাছে রুবেলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, তবে তদন্তের স্বার্থে তা এখনই বলতে পারছি না।”

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামীম বলেন, “ঢাকা বিমানবন্দরে আমাদের আলাদা ইউনিট থাকলেও চট্টগ্রামে নেই। আলাদা ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াড থাকলে গাঁজার মতো মাদক শনাক্ত করা সহজ হবে।”

বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক সারওয়ার ই জাহান বলেন, “পাচারকারী যত কৌশলই নিক সফল হতে পারবে না। মাদক পাচারের বিষয়ে আমাদের জিরো টলারেন্স আছে। আমাদের স্ক্যানিং মেশিনেও মাদক ধরা পড়ে।”

চট্টগ্রাম সমিতি, ওমানের সভাপতি ইয়াছিন চৌধুরী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বিমানবন্দরে কড়াকড়ি আরোপ হওয়ায় তারা আশাবাদী যে গাঁজার চালান আর আসবে না। এতে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ভোগান্তি থেকে রেহাই পাবে।

 

সূত্র, বিডিনিউজ২৪.কম

Facebook Comments Box

সাম্প্রতিক খবর:

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

কুয়েতে জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন

খাদ্য নিরাপত্তা ও নাগরিক সচেতনতা: উন্নত বিশ্বের চেয়ে আমরা ঠিক কতটা পিছিয়ে?

কুয়েতের মরুভূমিতে লাল-সবুজের বিপ্লব

কুয়েত গাউছিয়া কমিটি ফাহাহিল শাখার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে

টানা পঞ্চম জয়! কুয়েত সামার লিগের উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সের বড় জয়

কুয়েতের আদালতে বাংলাদেশি নাগরিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড বহাল

বিদেশী বিনিয়োগকারীদের ১৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদী রেসিডেন্সি দিচ্ছে কুয়েত


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



Exchange Rate

Exchange Rate EUR: Wed, 2 Sep.

সর্বশেষ খবর



Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

UN Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Hawally. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Bangladesh Office

Director. Rumi Begum
Adviser. Advocate Koyes Ahmed
Desk Editor (Dhaka) Saiyedul Islam
44, Probal Housing (4th floor), Ring Road, Mohammadpur,
Dhaka-1207. Bangladesh
Contact: +8801733966556 /+8801316861577

Email Address

agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Licence No.

MC- 00158/07      MC- 00032/13

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com
error: দুঃখিত! অনুলিপি অনুমোদিত নয়।