“যারা বিদেশ থেকে আসবে সাথে সাথে অনুরোধ করব যেসব দেশে এই ধরনের ভাইরাস দেখা গেছে, তারা নিজেরা অন্তত বাইরের কারো সঙ্গে মিশবেন না এবং কিছুদিন অপেক্ষা করে দেখবেন এই রোগের কোনোরকম লক্ষণ দেখা যায় কিনা। যদি লক্ষণ থাকে সাথে সাথে সেটার ব্যবস্থা নেওয়া…কারণ একজনের জন্য আরেকজনের মধ্যে ছড়াতে পারে। এই বিষয়টার দিকে সবার নজর রাখতে হবে।”
বক্তব্যের শুরুতে শেখ হাসিনা বলেন, “করোনা ভাইরাসটা এমনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে এখানে হয়তো মৃতের সংখ্যা তেমন না, কিন্তু আতঙ্ক অনেক বেশি। সেই ক্ষেত্রে আমি সবাইকে বলব এখান থেকেও আমাদের দেশকে মুক্ত রাখতে হবে।
“ইতিমধ্যে আমরা বিদেশ থেকে আসা আমাদের দুইজন নাগরিককে শনাক্ত করেছি। তাদের চিকিৎসা করা হয়েছে, তারা মোটামুটি ভালো এবং একজন সংক্রমিত হয়েছিল। এছাড়া বাকি আমরা সবাই ভালো আছি। কিন্তু এই ভালো থাকলেই চলবে না। ভালো সবাইকে রাখতে হবে। সেটাও মাথায় রাখতে হবে।”
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে সম্মানের সাথে চলতে চাই। সেটা করতে গেলে আমাদের যেটা করতে হবে, দেশকে আমাদের গড়ে তুলতে হবে সুন্দরভাবে। আর এই সুন্দরভাবে দেশ গড়ে তুলতে গেলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আমাদের সকলের জন্য প্রয়োজন।
“নিজেরা যদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকেন তাহলে আশপাশের মানুষগুলো ভালো থাকতে পারবে না বা রোগ-শোক, বালাই এগুলো সবসময় দেখা দেবে।”
সূত্র, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সাম্প্রতিক খবর:

যে অপরাধের উত্তর নেই: মক্কার ঘটনায় স্তব্ধ প্রবাসী সমাজ

মৌলভীবাজারে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত

কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শিক্ষার্থীর অভিভাবকের আবেগঘন চিঠি: শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য

জেদ্দায় প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সতর্কবার্তা

কুয়েতের সালমি: মরুভূমিতে কোটি টাকার 'গাড়ির বাজার

ইউরোপের চাকরি ও ভিসার প্রলোভন,গ্রেফতার কুয়েতের এক রিক্রুটিং ব্যবসায়ী

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

কুয়েতে জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত














