স্পিন নয়, গেল তিন ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের প্রাপ্তির পাল্লাকে সমৃদ্ধ করেছে পেস আক্রমণ। নেপথ্যে একজন হিথ স্ট্রিক। সাক্ষাতকারে জিম্বাবুয়ের সাবেক অধিনায়ক জানান, ক্রিকেটারদের প্রতিভা ছিল সবসময়ই, তবে ছিল না আত্মবিশ্বাস। সেটাই জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। সাথে মাশরাফির অধিনায়কত্বের রসায়নে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে দূরন্ত দলে। ওয়ানডের সাফল্যের ধারা দেখতে চান আসছে বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতেও। বিশ্বকাপে পেসারদের সাফল্যের মূলে ছিল আগুন ঝড়ানো কন্ডিশন। ক্রিকেটের বিশ্ব আসর তাই স্মরণীয় মাশরাফি-রুবেল-তাসকিনদের কাছে।
তবে আলোচনায় যখন হোম কন্ডিশন, পেসে প্রাপ্তি খোঁজার চেষ্টা করেন কজন? প্রথাগত সেই ধারণা এখন অতীত। বাংলাদেশের সাফল্য মানেই যেন মাশরাফি-মুস্তাফিজদের জ্বলে ওঠা। সবশেষ তিন ওয়ানডে সিরিজের পরিসংখ্যান তাই বলছে। ভারত সিরিজে যা সবচেয়ে আকর্ষণীয়। তিন ম্যাচ ওয়াডে সিরিজে ২১ উইকেট পেসারদের।
নেপথ্যের কারিগর একজন হিথ স্ট্রিক। তার ভাষায়, এখানকার কন্ডিশন পেসারদের জন্য খুব একটা সুবিধাজনক না। তবে ক্রিকেটারদের জ্বলে ওঠার প্রতিভা নিয়ে কোনো সন্দেহ ছিলনা আমাদের। কাজটা ছিল ওদের সামর্থ্য সম্পর্কে আত্মবিশ্বাস তৈরি। আমরা সেটা করতে পেরেছি।
দলের সিংহভাগ ক্রিকেটার একসাথে খেললেও, ধারাবাহিকতা ছিলোনা কখনই। সে দলটাই এক দিনের ক্রিকেটে এখন অদম্য। কোচিং স্টাফদের নয়, স্ট্রিক কৃতিত্ব দিলেন অধিনায়ককে। যার নেতৃত্ব ১৯ ওয়ানডের ১৪ টায় জিতেছে টিম বাংলাদেশ।
হিথ স্ট্রিক বলেন, ভালো খেললেই হয়না। জেতার অভ্যাসটা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা অনেক ভাগ্যবান যে দলের নেতৃত্বে মাশরাফির মতো একজন ক্রিকেটার। পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা তার অসাধারণ। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে ২২ আগস্ট কন্ডিশনিং ক্যাম্প শুরু জাতীয় দলের। তার আগে ক্ষণিকের বিশ্রাম। তবে ভাবনা জুড়ে তার বিশ্ব টি টোয়েন্টি। পরিবারকে সময় দিতে মাসখানেকের ছুটিতে জিম্বাবুয়ে গেছেন স্ট্রিক।











