স্টাফ রিপোর্টার- মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতে দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আযহা। আগামী ২৭ মে (বুধবার) দেশটিতে ঈদ উদযাপিত হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এবারের ঈদে ২৬ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দীর্ঘ ৬ দিনের সরকারি ছুটি থাকায় প্রবাসীদের একটি বড় অংশ নাড়ির টানে দেশে ফিরলেও, যারা কুয়েতে থাকছেন তাদের হাত ধরেই জমে উঠেছে দেশটির পশুর হাটগুলো। ক্যাব্দ, সেবদি, সোলাইবিয়া, আবদালি, আব্বাসিয়া ও সুয়েখের স্থায়ী পশুর বাজারগুলোকে ঈদ উপলক্ষে এবার বিশাল পরিসরে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। হাটগুলোতে কুয়েতি নাগরিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের ক্রেতাদের ভিড় সবচেয়ে বেশি।
তবে বরাবরের মতোই এই বাজারগুলোর বিক্রয় ব্যবস্থাপনায় বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
ক্যাব্দসহ বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর দাম আকাশছোঁয়া। ক্রেতারা বলছেন দাম সাধ্যের বাইরে, আর বিক্রেতারা বলছেন আমদানি ও লালন-পালন খরচ বাড়ায় দাম কিছুটা চড়া।
বর্তমানে বাজারে আকারভেদে একটি ছোট দুম্বা বা ছাগল সর্বনিম্ন ১১০ কুয়েতি দিনার থেকে শুরু করে ৩৫০ দিনার পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে—যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৫০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা। অন্যদিকে গরুর দাম শুরু হয়েছে ৩৫০ দিনার থেকে, যা বড় আকারের ক্ষেত্রে দুই হাজার দিনার পর্যন্ত ঠেকছে; বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় দেড় লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা। চড়া দামের কারণে বাজারে এখন দেখার লোকের অভাব না থাকলেও কেনার সংখ্যা কিছুটা কম। বেশিরভাগ ক্রেতাই এখন শুধু দরদাম যাচাই করছেন।
তবে কুয়েত প্রবাসী ক্রেতাদের একটি বড় অংশ আশা করছেন, ঈদের ঠিক আগের দিন পশুর দাম অনেকটাই কমে আসবে। বাজেট মেলাতে অনেকে এককভাবে দুম্বা কেনার পাশাপাশি, একাধিক পরিবার মিলে যৌথভাবে গরু বা উট কিনে কোরবানি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।











