“আমরা আইনে বিশ্বাস করি। আইনি প্রক্রিয়ায় যতটুকু সময় লাগে সেই সময়ের মধ্যে ধর্ষণ মামলাগুলোর বিচার যাতে সম্পন্ন করা যায়, সেই চেষ্টা সরকার করবে।… বিচার বিভাগ স্বাধীন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অবশ্যই রক্ষা করা হবে।”
তবে শাস্তি বাড়ালেই এ ধরনের অপরাধ কমবে কি না, সেই প্রশ্নও আছে অনেকের মধ্যে। তাদের ভাষ্য, সাক্ষ্য আইনের জটিলতা দূর করে বিচার পাওয়ার পথ সহজ করতে হবে। সেই সঙ্গে সামাজিকভাবে বিষয়টি মোকাবেলা করা জরুরি।
এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “সাক্ষীর সুরক্ষা আইন নিয়ে কাজ করছি। ধর্ষণের সাজা যাবজ্জীবন থেকে মৃত্যুদণ্ড করায় এই অপরাধটি কমে আসবে, না হলে (শাস্তি) বাড়ানোর প্রশ্নে আসতাম না।”
তিনি বলেন, “আমি মাননীয় প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করব, তিনি যেন প্র্যাকটিস নির্দেশনা দেন যেন বিজ্ঞ বিচারকবৃন্দ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এইসব মামলাগুলির বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেন।
“অপরদিকে আইন মন্ত্রণালয় থেকে আমরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যে স্টেশন পিপিরা আছেন, তাদের নির্দেশনা দেব যে মামলাগুলো শেষ করার জন্য ইমিডিয়েট পদক্ষেপ নাও।”
আইনমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১ এর ১ (গ) ধারায় যৌতুকের জন্য সাধারণ জখম করার ঘটনা আপসযোগ্য ছিল না। কিছুদিন আগে হাই কোর্ট বিভাগের একটি দ্বৈত বেঞ্চ ওই ধারা আপসযোগ্য করার রায় দেয়।
“মানননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৃহস্পতিবার কথা হয়। আইনে সেই ধারাটিকে… সাধরণ জখম… আপসযোগ্য করা হয়েছে।
“যেহেতু সংসদ অধিবেশন নেই, সেজন্য আগামীকাল রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
সাম্প্রতিক খবর:

মৌলভীবাজারে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত

কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শিক্ষার্থীর অভিভাবকের আবেগঘন চিঠি: শিক্ষক দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য

জেদ্দায় প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সতর্কবার্তা

কুয়েতের সালমি: মরুভূমিতে কোটি টাকার 'গাড়ির বাজার

ইউরোপের চাকরি ও ভিসার প্রলোভন,গ্রেফতার কুয়েতের এক রিক্রুটিং ব্যবসায়ী

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

কুয়েতে জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুয়েত কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

কুয়েতে শেষ হলো আকামা বদলের সুযোগ, ২৭ হাজার প্রবাসীর খাত পরিবর্তন












