স্টাফ রিপোর্টারঃ জুনায়েদ আহমেদ পরিবারের ৫সদস্যের লাশ কমলগঞ্জের কান্দিগাও গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করে এইমাত্র কুয়েত আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট এসে পৌঁছেছেন।
গত ১৬অক্টোবর কুয়েত সময় ১টা ৩০মিনিটে আকস্মিক কুয়েত প্রবাসী জুনায়েদ আহমেদের বাসায় ভয়াবহ একটি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান প্রবাসী জুনায়েদের স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্য ৪ সদস্য।
পরে ১৮ই অক্টোবর রাতেই বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে জুনায়েদ পরিবারের ৫সদস্যের লাশ বাংলাদেশ পাঠানো হয়েছিল।
এদিকে জুনায়েদ পরিবারের ৫সদস্যের লাশ সমাহিত করে এক মাস তিন দিন পর কুয়েতের কর্মস্থলে আজ রাত স্থানীয় সময় ১২টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে কুয়েত এয়ারপোর্ট এসে পৌঁছেছেন।
এসময় জুনায়েদকে এক নজর দেখতে ও কুশল বিনিময় করতে কুয়েত এয়ারপোর্টে গিয়েছেন, সংগঠক ও ব্যবসায়ী মিঠুন সেলিম, সংগঠক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, সংগঠক ও সংবাদকর্মী এস,এম,আব্দুল আহাদ, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী আ,হ,জুবেদ, ক্রীড়াপ্রেমী শামিম আহমেদ প্রমুখ।
মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় জীবনের অর্জিত মূল্যবান সম্পদ, স্বপ্ন, আশা, আকাঙ্ক্ষা,ভবিষ্যৎ বংশধর তথা সর্বস্ব হারিয়ে বাকরুদ্ধ কুয়েত প্রবাসী জুনায়েদ।
বেদনাবিধুর চেহারায় বার বার বলে দেয় ভিতরে কান্নার পাহাড় জমে আছে,শুধু কন্ঠে কান্নার শব্দ নেই।
অনেকের মতে, মানুষের মৃত্যু অনিবার্য ও এই পৃথিবীতে জন্মিলে প্রত্যেক প্রাণিকে মৃত্যুর স্বাদগ্রহণ করতেই হবে, দ্বীনদার ও পরহেজগার জুনায়েদ, এই কঠিন বাস্তব সত্য কথাগুলো সহজভাবেই মেনে নেন।
ফলে সব হারানো এই জুনায়েদ অনেকাংশেই স্বাভাবিক।
উল্লেখ্য, গত ১৬অক্টোবর কুয়েত সময় ১টা ৩০মিনিটে আকস্মিক কুয়েত প্রবাসী জুনায়েদ আহমেদের বাসায় ভয়াবহ একটি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান প্রবাসী জুনায়েদের স্ত্রীসহ পরিবারের অন্যান্য ৪ সদস্য। এ সময় জুনায়েদ কর্মস্থলে ছিলেন।
এই ঘটনার পর থেকেই জুনায়েদ বাকরুদ্ধ।











