বিশেষ প্রতিনিধিঃ আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০১৭ উপলক্ষে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। ১৮ ডিসেম্বর সোমবার বিকালে দূতাবাসের হলরুমে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুয়েতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম।
”নিরাপদ অভিবাসন যেখানে টেক সই উন্নয়ন সেখানে” এই শ্লোগান নিয়েই এবার অভিবাসন দিবস পালিত। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।
বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহ সগিরুল ইসলাম, কাউন্সিলের শ্রম আব্দুল লতিফ খান, প্রথম সচিব জহিরুল ইসলাম খান, সোনালী ব্যাংকের প্রতিনিধি সাফায়েত হোসেন পাটোয়ারী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান মিজান। কাউন্সিল ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান এর সঞ্চালনায়
অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন প্রবাসীরা। কুয়েত প্রবাসীদের সবচেয়ে বড় সমস্যা পাসপোর্টের মেয়াদ এক বছরের একদিন কম হলে স্থানীয় আইনে রেসিডেন্সি লাগানো অকার্যকর বলে গণ্য হয় সেই দিকটি খেয়াল করে ১০ বছর করতে কোন সমস্যা হলে বাংলাদেশ সরকার জরুরী আদেশের মাধ্যমে কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ বৃদ্ধির একটি সুযোগ করে দেওয়ার। এতে কুয়েত প্রবাসীরা আর্থিক ও মানসিক ভাবে লাভবান হবেন। প্রবাসীদের সন্তানদের বাংলাদেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কোটা নির্ধারণ করে দ্রুত তম সময়ে তার কার্যক্রম চালু সহ প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তার সমাধানের দাবি জানান। অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা সম্প্রতি বিমানবন্দরে প্রবাসীদের নিয়ে খারাপ মন্তব্য করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সরকারের কাছে দাবী জানান কোটি রেমিটেনস যোদ্ধাকে কোন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী কর্তৃক হয়রানীর শিকার হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার।
উম্মুক্ত আলোচনা শেষে রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম বক্তব্য দেন। তিনি নিজ অধিকার সংরক্ষণ ও সচেতন থাকার পাশাপাশি কুয়েতের আইন-কানুন মেনে চলার জন্য সব প্রবাসীকে অনুরোধ জানান।
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে নিজেদের বিরত থাকার জন্যও তিনি প্রবাসীদের প্রতি অনুরোধ জানান। সে সময় তিনি বর্তমান সরকার কর্তৃক প্রবাসীদের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে অভিবাসন দিবস উপলক্ষে একটি নাটিকা প্রচারিত হয়।











