নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কুয়েতে গত বৃহস্পতিবার সকালে পৃথক দুটি স্থানে একজন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আরেকজন ব্রেইন স্ট্রোকে মৃত্যুবরণ করেন।
প্রবাসী জীবনের সময় এক মাস শেষ হতে না হতেই বাবুল চলে গেলেন না ফেরার দেশে।গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সালে সদ্য কুয়েতে আসা কুমিল্লা মুরাদ নগরের বাবুল নামে এক প্রাবসী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যবরণ করেন।
অন্যদিকে ঐ দিন সকাল সাড়ে দশটায় কানন আহমেদ (৫০) নামে আরেক প্রবাসী মৃত্যু বরণ করেন। তার বাড়ী সিলেটের গোলাপ গঞ্জ থানার বাজেশ্বরী গ্রামের তিনি গত ২২ বছর যাবত কুয়েতে আছেন।
এদিকে মৃত কাননের অসহায় পরিবার কুয়েতে আছে। স্ত্রী ও দুই সন্তানের আকামা সমস্যা। গত দের মাস পূর্বে হার্ট এটাকে অসুস্থ হয়ে চিকিত্সারত অবস্থায় ছিলেন কানন।
এমতাবস্থায় গত বৃহস্পতিবার সকালে কাননের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মোবারক আল কবির হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে, ঐদিন সেখানেই চিকিত্সাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন কানন।
এদিকে গত ১৭ ফেব্রুয়ারী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী নবীনগরের মো:আলমের মৃতদেহ এখনো কুয়েতের হিমঘরে রাখা আছে। সরকারি বন্ধের কারণে বাংলাদেশ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এখনো দূতাবাসে না আসার কারণে লাশ পাঠাতে বিলম্বিত হচ্ছে বলে মৃতের আত্মীয়স্বজন জানান।
উল্লেখ্য, একাধিক কারণে কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশীদের মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। এক পরিসংখ্যানে দেখাগেছে গত জানুয়ারি মাসের চেয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশীদের মৃত্যুর সংখ্যা ছিল বেশি।
এমতাবস্থায় কুয়েত প্রবাসীদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ উদঘাটন করে, এর রোধকল্পে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশীরা।











