
সংযোগ নোফেল এর কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা এবং শমরিতা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ডা. এ বি এম হারুন, সম্প্রতি কুয়েত সফরে এলে তাঁকে সংবর্ধনা দিয়েছে সংযোগ নোফেল, কুয়েত শাখা। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) কুয়েত এর খাইতানস্থ রাজধানী প্যালেস হোটেলে আয়োজিত এক জমকালো সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি আব্দুল হাই ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংবর্ধিত অতিথি ডা. এ বি এম হারুন।
সাধারণ সম্পাদক নাছের উদ্দিন খোকনের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল কুয়েতের সভাপতি লুৎফুর রহমান মুখাই আলী, প্রবাসী ব্যবসায়ী ও সংগঠক আকবর হোসেন, ব্যাংকার মাইনুদ্দিন, বাহার উদ্দিন, শফিকুর রহমান, লিটন মিয়া, ফরিদ উদ্দিন এবং হোসেন মোহাম্মদ আজিজ। এছাড়া, অনুষ্ঠানে বিষয়ভিত্তিক আলোচনায় অংশ নেন মোহাম্মদ হানিফ, জাহাঙ্গীর হোসেন, মাহবুব আলম ভূঁইয়া, বাবুল দাস, মনির হোসেন বাবু, রিপন, নুরুদ্দিন, আবুল বাশার এবং কামাল হোসেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ডা. এ বি এম হারুনের জনসেবামূলক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় তাঁর অবদান শুধু শমরিতা হাসপাতালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সমগ্র নোয়াখালী অঞ্চলে তা এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন যে তাঁর এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং কুয়েতে বসবাসরত নোয়াখালীর প্রবাসীরাও তাঁর উদ্যোগে সর্বদা পাশে থাকবে।

ডা. এ বি এম হারুন আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি তাঁর বক্তব্যে নোয়াখালীতে একটি উন্নতমানের সেবামূলক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “নোয়াখালীর মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। একা কারও পক্ষে বড় কিছু করা সম্ভব নয়। আমি বিশ্বাস করি, যদি আমরা সবাই এক হয়ে কাজ করি, তাহলে এলাকার স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব। এই স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দিতে আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।” তিনি আরও যোগ করেন যে কুয়েত চেম্বার অব কমার্স-এর আমন্ত্রণে তিনি এখানে এসেছেন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তায় তিনি মুগ্ধ।
উল্লেখ্য, গত সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কুয়েত চেম্বার অব কমার্স এর আমন্ত্রণে ডা. এ বি এম হারুন নয় সদস্যের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সাথে কুয়েত সফরে আসেন।











