বাংলাদেশের সুনাম ও প্রবাসীদের মর্যাদা রক্ষায় কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনের ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি প্রবাসীদের প্রতি দেশের সম্মান রক্ষায় আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সাথে, কুয়েতের স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে তার তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় প্রতিবাদ এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের গর্বিত নাগরিক। আমাদের রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। একটি দেশকে উন্নত করতে যা যা প্রয়োজন, তার সবই আমাদের আছে; প্রয়োজন শুধু সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করা।” তিনি কুয়েতে বসবাসরত প্রায় তিন লাখ প্রবাসী বাংলাদেশির অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন যে, তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন নিজেদের পরিশ্রমের পাশাপাশি দেশের মান ও জাতির সম্মান রক্ষায় সর্বদা সজাগ থাকেন। যেকোনো সমস্যায় সবার আগে দূতাবাসের সাথে যোগাযোগের জন্যও তিনি প্রবাসীদের অনুরোধ করেন।
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লিপি “নিউজ”
সম্প্রতি কুয়েতের স্থানীয় কিছু গণমাধ্যমে একটি ‘বিষাক্ত মদকাণ্ডে’ বাংলাদেশি প্রবাসীদের জড়িত থাকার মিথ্যা সংবাদ প্রকাশিত হয়। যদিও প্রকৃত অর্থে এই ঘটনায় কোনো বাংলাদেশি জড়িত ছিলেন না, তবুও কিছু সংবাদমাধ্যম “মদকাণ্ডে মূল হোতা বাংলাদেশি” শিরোনামে খবর প্রচার করে। এই ধরনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে, এমনটা উপলব্ধি করে রাষ্ট্রদূত সৈয়দ তারেক হোসেন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন। তিনি জানান, খবরটি দেখার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সাথে, তিনি নিজ হাতে ‘মদকাণ্ডে মূল হোতা বাংলাদেশি জড়িত’ শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদলিপি তৈরি করেন। এই প্রতিবাদলিপিগুলো কুয়েতের তিনটি গণমাধ্যম যথাক্রমে, দ্যা টাইমস পত্রিকা, আরব টাইমস এবং আল-জাজিরা পোর্টালে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রদূতের এই দৃঢ় ও সময়োচিত পদক্ষেপের ফলস্বরূপ, দ্যা টাইমস পত্রিকাটি তাৎক্ষণিকভাবে তাদের অনলাইন সংস্করণে দূতাবাসের পাঠানো প্রতিবাদলিপিটি প্রকাশ করে।
দ্যা টাইমস পত্রিকায় প্রতিবাদলিপি প্রকাশের পাশাপাশি ওই পত্রিকার সম্পাদক উল্লেখ করেন যে, উক্ত প্রতিবেদনটি প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছিল। তবে, দূতাবাসের ব্যাখ্যা এবং কুয়েতি কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল নিশ্চিতকরণের পর এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, বিষাক্ত মদের ঘটনায় কোনো বাংলাদেশি নাগরিক জড়িত ছিলেন না।
কুয়েতে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা স্থানীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশি নাগরিকদের জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদূতের এই জোরালো প্রতিবাদকে “অবর্ণনীয় প্রশংসার দাবিদার” বলে অভিহিত করেছেন। তারা মনে করেন, এমন একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে রাষ্ট্রদূতের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রবাসীদের মধ্যে আস্থা ও স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। রাষ্ট্রদূত সৈয়দ তারেক হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের মান রক্ষার্থে সব ধরনের প্রয়োজনীয় কাজ করতে আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রস্তুত আছি।”
কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন
Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka) Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka) Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)
বাংলাদেশের সুনাম ও প্রবাসীদের মর্যাদা রক্ষায় কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনের ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি প্রবাসীদের প্রতি দেশের সম্মান রক্ষায় আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সাথে, কুয়েতের স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে তার তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় প্রতিবাদ এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের গর্বিত নাগরিক। আমাদের রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। একটি দেশকে উন্নত করতে যা যা প্রয়োজন, তার সবই আমাদের আছে; প্রয়োজন শুধু সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করা।” তিনি কুয়েতে বসবাসরত প্রায় তিন লাখ প্রবাসী বাংলাদেশির অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন যে, তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন নিজেদের পরিশ্রমের পাশাপাশি দেশের মান ও জাতির সম্মান রক্ষায় সর্বদা সজাগ থাকেন। যেকোনো সমস্যায় সবার আগে দূতাবাসের সাথে যোগাযোগের জন্যও তিনি প্রবাসীদের অনুরোধ করেন।
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লিপি “নিউজ”
সম্প্রতি কুয়েতের স্থানীয় কিছু গণমাধ্যমে একটি ‘বিষাক্ত মদকাণ্ডে’ বাংলাদেশি প্রবাসীদের জড়িত থাকার মিথ্যা সংবাদ প্রকাশিত হয়। যদিও প্রকৃত অর্থে এই ঘটনায় কোনো বাংলাদেশি জড়িত ছিলেন না, তবুও কিছু সংবাদমাধ্যম “মদকাণ্ডে মূল হোতা বাংলাদেশি” শিরোনামে খবর প্রচার করে। এই ধরনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে, এমনটা উপলব্ধি করে রাষ্ট্রদূত সৈয়দ তারেক হোসেন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন। তিনি জানান, খবরটি দেখার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সাথে, তিনি নিজ হাতে ‘মদকাণ্ডে মূল হোতা বাংলাদেশি জড়িত’ শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদলিপি তৈরি করেন। এই প্রতিবাদলিপিগুলো কুয়েতের তিনটি গণমাধ্যম যথাক্রমে, দ্যা টাইমস পত্রিকা, আরব টাইমস এবং আল-জাজিরা পোর্টালে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রদূতের এই দৃঢ় ও সময়োচিত পদক্ষেপের ফলস্বরূপ, দ্যা টাইমস পত্রিকাটি তাৎক্ষণিকভাবে তাদের অনলাইন সংস্করণে দূতাবাসের পাঠানো প্রতিবাদলিপিটি প্রকাশ করে।
দ্যা টাইমস পত্রিকায় প্রতিবাদলিপি প্রকাশের পাশাপাশি ওই পত্রিকার সম্পাদক উল্লেখ করেন যে, উক্ত প্রতিবেদনটি প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছিল। তবে, দূতাবাসের ব্যাখ্যা এবং কুয়েতি কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল নিশ্চিতকরণের পর এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, বিষাক্ত মদের ঘটনায় কোনো বাংলাদেশি নাগরিক জড়িত ছিলেন না।
কুয়েতে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা স্থানীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশি নাগরিকদের জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদূতের এই জোরালো প্রতিবাদকে “অবর্ণনীয় প্রশংসার দাবিদার” বলে অভিহিত করেছেন। তারা মনে করেন, এমন একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে রাষ্ট্রদূতের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রবাসীদের মধ্যে আস্থা ও স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। রাষ্ট্রদূত সৈয়দ তারেক হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের মান রক্ষার্থে সব ধরনের প্রয়োজনীয় কাজ করতে আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রস্তুত আছি।”
কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন
Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka) Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka) Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)