সিলেট প্রতিনিধিঃ মহান মুক্তিযোদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর ৩৪তম মৃত্যূ বার্ষিকী সিলেটে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে বিভিন্ন সংগঠন।
বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যূবার্ষিকী উদযাপন পরিষদ
নগরীর চৌহাট্টাস্থ সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদমিনারে বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যূবার্ষিকী উদযাপন পরিষদ জাতীয় কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগীতার পুরস্কার ও সার্টিফিকেট বিতরন অনুষ্টিত হয়।
চিত্রাংকন কমিটির আহবায়ক রোটারিয়ন আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জগ্ননাথপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ আতাউর রহমান।
চিত্রাংকন কমিটির সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট মোঃ সাজ্জাদুর রহমান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জাবেদ আহমদের যৌথ পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক মনোরঞ্জন তালুকদার। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা এডিশনাল পি পি এ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বনাথ প্রবাসী কল্যান এসোসিয়েশন ইউ এস এর সভাপতি আলহাজ মনির আহমদ, সিলেট জেলা বারের এ পি পি এ্যাডভোকেট রাশিদা সাইাদা খানম, বাংলাদেশ জাতীয় যুব উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি আলহাজ ডা. এম এ রকিব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী প্রফেসর. দেলওয়ার হোসেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী মোঃ নজির উদ্দিন ও জাদ শিল্পী মোঃ বেলাল উদ্দিন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হাকীম সাদুল্লাহ বাচ্চু, বিশিষ্ট মানবাধিকারকর্মী মোস্তাফিজুর রহমান পপু, বিশিষ্ঠ সংগঠক সাজ্জাদুর রহমান, এ্যাডভোকেট বাবলো ভৌমিক, বিশিষ্ঠ মানবাধিকারকর্মী এস এম শওকত আমিন তৌহিদ, সাংবাদিক খালেদ মিয়া, হুমায়ুন রশিদ শাহিন, আলী আহসান হাবিব, সালেক আহমদ, সিলেট পল্লী বিদ্যুতের চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন বাবুল, মোঃ ইউসুফ সেলু বাদল পুরুকায়স্থ, আলী হোসেন আলীম, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুর রহিম তালুকদার প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানে দেড়শতাধিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরুস্কার তুলে দেওয়া হয়।
সিলেট মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন
মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এমএজি ওসমানী’র ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী’র কবর স্থানে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে মোনাজাত করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাবেক ইউনিট কমান্ডার ভবতোষ রায় বর্মন, মুক্তিযোদ্ধা অলিউর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মনমোহন সিংহ, মুক্তিযোদ্ধা অনিল দাশ তালুকদার, মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, মুক্তিযোদ্ধা মন্তাজ আলী, মুক্তিযোদ্ধা সতিষ রায়, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান অধর সিংহ, সৈয়দ আহমদ বহলুল, আলী আহমদ, এডভোকেট মোঃ বদরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, হিরণ মিয়া প্রমুখ।
ভাসানী-ওসমানী স্মৃতি সংসদ
ভাসানী-ওসমানী স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর ও সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা বাংলাদেশের দুর্যোগ মুহূর্তে কান্ডারী। একদলীয় শাসনের একমাত্র প্রতিবাদকারী জেনারেল আতাউল গণী ওসমানীর ৩৪তম জন্মবার্ষিকী বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল সকালে শাহজালাল দরগাহ প্রাঙ্গণের কবর স্থানে পুষ্পস্তবক অর্পন, ফাতেহা পাঠ ও কবর জিয়ারত, বিকালে সাহেব নগরস্থ সংসদের কার্যালয়ে ওসমানীর কর্মময় জীবনের উপর আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।
সংসদের উপদেষ্টা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আহমদ সেলিমের পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আমিনুল ইসলাম বকুল। বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী গোলাম মর্তুজা, আলহাজ্ব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, জহির আলী, সুহেল আহমদ, হাবীব আলী মিঠু, রাকিব আলী, ফারুক আহমদ ও সুমন দাস প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন বঙ্গবীর ওসমানী ছিলেন সৎ ও আদর্শের রাজনীতির অগ্রপথিক। মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করে বাঙালির হাজার বছরের প্রত্যাশিত ভূখ- স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ লাভে অসামান্য অবদান রেখেছেন ওসমানী। একাত্তরের দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে যার রণকৌশল ও নেতৃত্বে আমরা অর্জন করেছি লাল সবুজের পতাকা। আজকের দিনে বঙ্গবীর ওসমানীর মত দেশপ্রেমিক মানুষের বড়োই প্রয়োজন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালনের জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।











