Menu |||

‘ক্রসফায়ারে’ র‌্যাবের চেয়ে পুলিশ এগিয়ে

মানবাধিকার সংগঠনটি বলছে, চলতি ২০১৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ‘ক্রসফায়ারে’ ৬২ জন মারা গেছেন, এর মধ্যে ৩৭ জনের মৃত্যুতে পুলিশ জড়িত।

৩৭ জনের মধ্যে ৩০ জন থানা পুলিশের ‘ক্রসফায়ারে’ মারা গেছেন, ডিবি পুলিশের ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত হয়েছেন ৭ জন।

র‌্যাবের ‘ক্রসফায়ারে’ ২৪ জন এবং বিজিবির ‘ক্রসফায়ারে’ ১ জন নিহত হয়েছেন বলে আসকের পরিসংখ্যানে বলা হয়।

এই সময়ে পুলিশের ‘নির্যাতনে’ ৫ জন, ডিবি পুলিশের ‘নির্যাতনে’ ১ জন, পুলিশের গুলিতে ৫ জন, বিজিবির গুলিতে ১ জন মারা যান বলে আসক জানায়।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত তাদের এই প্রতিবেদনে থানা হাজতে ‘অসুস্থ’ হয়ে ৪ জন এবং ‘রহস্যজনকভাবে’ ১ জনের মৃত্যুর তথ্যও স্থান পায়।

প্রধান জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে আসক জানিয়েছে।

২০০৪ সালে র‌্যাব গঠনের পর পুলিশের এই বিশেষ বাহিনীর অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে বা ক্রসফায়ারে নিহতের ঘটনাগুলো নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো সোচ্চার।

বিচার-বহির্ভূত এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে সমালোচনার মধ্যেই জঙ্গি ও সন্ত্রাসী দমনে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে কয়েকজন কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল পুলিশের পক্ষে অবস্থান নিলেও বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন কয়েকদিন আগেই সংসদে দাঁড়িয়ে কথিত বন্দুকযুদ্ধের সমালোচনা করেন।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মেনন বলেন, “আজকে প্রতিদিনই দেখছি ক্রসফায়ারে জঙ্গি নিহত হচ্ছে। ক্রসফায়ার এই সমস্যার সমাধান নয়। বরঞ্চ তার মধ্য দিয়ে আমরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতা-ব্যর্থতা দেখছি।”

আসকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ে সাদা পোশাকে এসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে ৫০ জনকে তুলে নেওয়া হয়। এর মধ্যে ছয়জনের লাশ পরে পাওয়া যায়, দুজন ফেরত এসেছে, চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বাকিদের কোনো খবর মেলেনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার মোট ৬৯৩ ঘটনায় ১৪২ জন নিহত এবং ৯ হাজার ৮৫ জন আহত হন। এর বাইরে রাজনৈতিক সহিংসতার মোট ১১৮টি ঘটনায় ১২ জন নিহত এবং এক হাজার ২০৫ জন আহত হন।

ছয় মাসে কারা হেফাজতে ৪২জন মারা যাওয়ার তথ্য দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, এর মধ্যে ১৪জন কয়েদি এবং ২৮ জন হাজতি।

আসকের হিসাব অনুযায়ী, ছয় মাসে সীমান্তে ভারতীয় বাহিনী বিএসএফের গুলিতে ১২ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন। অপহরণের শিকার হয়েছেন ১৮ জন, যাদের মধ্যে ১৭ জন ফেরত এসেছে বিজিবির মধ্যস্থতায়।

আসকের প্রতিবেদনে শিশু নির্যাতন ও হত্যা, রাজনৈতিক সংঘাত, হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন, সাংবাদিক হয়রানি, সীমান্ত সংঘাত, কারা হেফাজতে মৃত্যু, ধর্ষণ ও পারিবারিক নির্যাতনসহ বিভিন্ন বিষয়ের সংখ্যাগত হিসাবও দেওয়া হয়েছে।

এই সময়ে ৫৯১টি শিশু বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তার মধ্যে ২৩৫জন শিশু হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে এবং ১৫জন আত্মহত্যা করেছে।

গত ছয় মাসে ৭৪ জন সাংবাদিক বিভিন্নভাবে নির্যাতন, হয়রানি, হুমকি ও পেশাগত কাজ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন বলে আসকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» বিশ্ব বাঙালি পুরস্কার-২০১৯- কীর্তিমান ৫ বাঙালি

» করোনাভাইরাস: সিঙ্গাপুরে এক বাংলাদেশির অবস্থা ‘সঙ্কটাপন্ন’

» মুজিববর্ষে চাঁদাবাজির দোকান যেন না খুলি: কাদের

» সৌদি আরবে প্রবাসী সাংবাদিকদের মিলনমেলা

» লন্ডন যেতে জামিনে মুক্তি চান খালেদা জিয়া

» চীনফেরত মানেই করোনাভাইরাস আক্রান্ত নয়: আইইডিসিআর

» কুয়েত যুবলীগের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

» প্রবাসী কবি ও সাংবাদিক তুহিন মাহমুদের “অতৃপ্ত বাসনা”

» ডাঃ ফারহানা মোবিন এর বই আমিও ‘ মানুষ’

» কুয়েত জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

Mahrall Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Mujamma Abbasia. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

‘ক্রসফায়ারে’ র‌্যাবের চেয়ে পুলিশ এগিয়ে

মানবাধিকার সংগঠনটি বলছে, চলতি ২০১৬ সালের প্রথম ছয় মাসে ‘ক্রসফায়ারে’ ৬২ জন মারা গেছেন, এর মধ্যে ৩৭ জনের মৃত্যুতে পুলিশ জড়িত।

৩৭ জনের মধ্যে ৩০ জন থানা পুলিশের ‘ক্রসফায়ারে’ মারা গেছেন, ডিবি পুলিশের ‘ক্রসফায়ারে’ নিহত হয়েছেন ৭ জন।

র‌্যাবের ‘ক্রসফায়ারে’ ২৪ জন এবং বিজিবির ‘ক্রসফায়ারে’ ১ জন নিহত হয়েছেন বলে আসকের পরিসংখ্যানে বলা হয়।

এই সময়ে পুলিশের ‘নির্যাতনে’ ৫ জন, ডিবি পুলিশের ‘নির্যাতনে’ ১ জন, পুলিশের গুলিতে ৫ জন, বিজিবির গুলিতে ১ জন মারা যান বলে আসক জানায়।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত তাদের এই প্রতিবেদনে থানা হাজতে ‘অসুস্থ’ হয়ে ৪ জন এবং ‘রহস্যজনকভাবে’ ১ জনের মৃত্যুর তথ্যও স্থান পায়।

প্রধান জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে আসক জানিয়েছে।

২০০৪ সালে র‌্যাব গঠনের পর পুলিশের এই বিশেষ বাহিনীর অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে বা ক্রসফায়ারে নিহতের ঘটনাগুলো নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো সোচ্চার।

বিচার-বহির্ভূত এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে সমালোচনার মধ্যেই জঙ্গি ও সন্ত্রাসী দমনে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে কয়েকজন কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল পুলিশের পক্ষে অবস্থান নিলেও বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন কয়েকদিন আগেই সংসদে দাঁড়িয়ে কথিত বন্দুকযুদ্ধের সমালোচনা করেন।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মেনন বলেন, “আজকে প্রতিদিনই দেখছি ক্রসফায়ারে জঙ্গি নিহত হচ্ছে। ক্রসফায়ার এই সমস্যার সমাধান নয়। বরঞ্চ তার মধ্য দিয়ে আমরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দুর্বলতা-ব্যর্থতা দেখছি।”

আসকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ে সাদা পোশাকে এসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে ৫০ জনকে তুলে নেওয়া হয়। এর মধ্যে ছয়জনের লাশ পরে পাওয়া যায়, দুজন ফেরত এসেছে, চারজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বাকিদের কোনো খবর মেলেনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার মোট ৬৯৩ ঘটনায় ১৪২ জন নিহত এবং ৯ হাজার ৮৫ জন আহত হন। এর বাইরে রাজনৈতিক সহিংসতার মোট ১১৮টি ঘটনায় ১২ জন নিহত এবং এক হাজার ২০৫ জন আহত হন।

ছয় মাসে কারা হেফাজতে ৪২জন মারা যাওয়ার তথ্য দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, এর মধ্যে ১৪জন কয়েদি এবং ২৮ জন হাজতি।

আসকের হিসাব অনুযায়ী, ছয় মাসে সীমান্তে ভারতীয় বাহিনী বিএসএফের গুলিতে ১২ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন। অপহরণের শিকার হয়েছেন ১৮ জন, যাদের মধ্যে ১৭ জন ফেরত এসেছে বিজিবির মধ্যস্থতায়।

আসকের প্রতিবেদনে শিশু নির্যাতন ও হত্যা, রাজনৈতিক সংঘাত, হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন, সাংবাদিক হয়রানি, সীমান্ত সংঘাত, কারা হেফাজতে মৃত্যু, ধর্ষণ ও পারিবারিক নির্যাতনসহ বিভিন্ন বিষয়ের সংখ্যাগত হিসাবও দেওয়া হয়েছে।

এই সময়ে ৫৯১টি শিশু বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তার মধ্যে ২৩৫জন শিশু হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে এবং ১৫জন আত্মহত্যা করেছে।

গত ছয় মাসে ৭৪ জন সাংবাদিক বিভিন্নভাবে নির্যাতন, হয়রানি, হুমকি ও পেশাগত কাজ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন বলে আসকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

Facebook Comments


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা

মুজিববর্ষ

প্রবাসীদের সেবায় ”প্রবাসীর ডাক্তার” শুধুমাত্র বাংলাটিভিতে

আজকের দিন-তারিখ

  • শনিবার ( সকাল ৬:০৯ )
  • ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
  • ২৮শে জমাদিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী
  • ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ( বসন্তকাল )

Exchange Rate

Exchange Rate: EUR

সর্বশেষ খবর



Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

Mahrall Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Mujamma Abbasia. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Bangladesh Office

Director. Rumi Begum
Adviser. Advocate Koyes Ahmed
Desk Editor (Dhaka) Saiyedul Islam
44, Probal Housing (4th floor), Ring Road, Mohammadpur,
Dhaka-1207. Bangladesh
Contact: +8801733966556 / +8801920733632

Email Address

agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Licence No.

MC- 00158/07      MC- 00032/13

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com