এন.আই.মিলন, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) থেকে ঃ দিনাজপুরের বীরগঞ্জে পিএসসি পরিক্ষায় ভূয়া শিক্ষার্থী পরিক্ষা দেওয়ার অভিযোগ, এটিও’র ভুমিকা প্রশ্নাতিত।
বীরগঞ্জ পৌর শহরের প্রানকেন্দ্র মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৫ম শ্রেণীর সমাপনী (পিএসসি) পরিক্ষায় ১৯ টি স্কুলের ৩৮১ জন পরিক্ষার্থী। ১ম পরিক্ষায় ১২ জন অনুপস্থিত থাকলেও পরের পরিক্ষা গুলিতে ১৩ জন করে অনুপস্থিত। পরিক্ষা চলাকালে ডে-লাইট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ১ জন ভূয়া ছাত্রী পরিক্ষা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। ঘটনাটি জানাজানি হলে ছাত্রীটি আর পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করেনী। এটিও ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও রয়েছে।
এব্যাপারে কেন্দ্র সচিব শরিফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গত ২২ নভেম্বর সমাপনী (পিএসসি) পরিক্ষা চলাকালে ৪ নং রুমে ডে-লাইট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের মোছাঃ জেরিন তাহমিন, পিতা রওশন আজম, গ্রাম ভাদুরিয়া, ৩নং ওয়ার্ড, সেন্টারপাড়া নামক ডিআর ফরমে ৮০ রোল পুরন করা ছাত্রীর স্থলে সাদিকা সুলতানা পরিক্ষা দিচ্ছিল, একসময় ছাত্রীটি আমাদের বিদ্যালয়েই পড়ালেখা করতো। ২২ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে ৬ জন অনুপস্থিত। আমি ঘটনাটি উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
কেন্দ্র দায়ীত্বরত কর্মকর্তা সহকারী শিক্ষা অফিসার এটিও রফিকুল ইসলাম ঘটনাটি তুচ্ছ মনে করে বলেন আমাকে কেন্দ্র সচিব জানায় আমিও উপর মহলে জানাই।
অভিযুক্ত বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মহাবুব আল আজিজ (তিতুমীর) এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ভূয়া শিক্ষার্থী ঘটনাটি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়ে বলেন যা ইচ্ছা লিখেন, টাকা দিলে সব ঠিক হয়ে যাবে। তবে ২য় ও ৩য় পরিক্ষায় শিক্ষাথীটি অনুপস্থিত কেন? জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দেয়নি।
এলাকাবাসী ও কিছু শিক্ষক জানায়, ডে-লাইট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটি বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার মদতে গড়ে উঠা প্রতিষ্ঠান, তাই তিতুমীর নিজেকে অনেক ক্ষমতাধর মনে করেন। প্রতিষ্ঠানটির ভূয়া শিক্ষার্থী সহ বেশকিছু দূর্নিতী পাওয়া গেলেও সহকারী শিক্ষা অফিসার বিষয়টি অজ্ঞাত কারনে কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করেনি। বারবার তিনি এড়িয়ে চলেন স্কুলটির ব্যাপারে। তাই তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির দিকে প্রশাসনের আসু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।











