
বাংলাদেশ হতে দক্ষ ও পেশাদার মানবসম্পদ কুয়েতে প্রেরণ এবং দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের প্রধানতম প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে ‘লা মানা’ প্রথা।
কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন “কুয়েতের উপ-প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফাহাদ ইউসুফ সৌদ আল-সাবাহ এর সাথে সাক্ষাতকালে এই মন্তব্য করেন”।
সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন, ওএসপি, এডব্লিউসি, পিএসসি কুয়েতের উপ-প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফাহাদ ইউসুফ সৌদ আল-সাবাহ এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনাকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ থেকে কুয়েতে দক্ষ ও পেশাদার মানবসম্পদ, বিশেষ করে প্রকৌশলী, ডাক্তার, নার্স, ফিজিওথেরাপিস্ট এবং আইটি বিশেষজ্ঞদের পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিশাল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। এই প্রচেষ্টায়, রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশীদের ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে কুয়েতের ‘লা মানা’ প্রথা বাতিল করার জন্য শেখ ফাহাদ ইউসুফ সৌদ আল-সাবাহ-এর ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এসময় কুয়েতের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে জানান যে, কুয়েতে বসবাসরত বিভিন্ন দেশীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্থানীয় আইন ভাঙার প্রবণতা বেশি। এমতাবস্থায়, তিনি কুয়েতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা যাতে কুয়েতের আইন-কানুনের প্রতি কঠোর আনুগত্য বজায় রেখে সুশৃঙ্খল ভাবে জীবন-যাপন করে এই মর্মে তাদেরকে অবহিত করার জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন।











