এম এস ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধিঃ এক ঝাঁক তরুন মেধাবীদের নিয়ে ডেমক্রেসিওয়াচের উদ্যেগে ব্রিটিশ কাউন্সিল এর তত্ত্বাবধায়নে চারদিন ব্যাপী একটিভ সিটিজেনস ইয়ুথ লিডারশীপ ট্রেনিং প্রােগ্রাম সম্পন্ন হয়েছে।
গত ২৩/০৩/২০১৬ তারিখ বুধবার থেকে ২৬/০৩/২০১৬ তারিখ শনিবার পর্যন্ত ডেমক্রেসিওয়াচের অডিটরিয়াম রুমে চারদিন ব্যাপী একটিভ সিটিজেনস ইয়ুথ লিডারশীপ ট্রেনিং প্রােগ্রাম সম্পন্ন হয়।
ডেমক্রেসিওয়াচের প্রােগ্রাম কাে-অর্ডিনেটর ফাতেমাতুল বতুলের উপস্থাপনায় ট্রেনিং এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট কলামিষ্ট ও লাল গোলাপ অনষ্ঠানের উপস্থাপক শফিক রেহমান।
ঢাকা ইউনির্ভাসিটি সহ অন্যান্য সরকারী ও বেসরকারী ইউনির্ভাসিটিরি ২৮ জন ছাত্রছাত্রী ট্রেনিং এ অংশ গ্রহন করেছে।
ট্রেনিং এ ফেসিলিটেটর হিসাবে ছিলেন, ফাতেমাতুল বতুল, রাকিবুল ইসলাম খান, কামরুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, মাহমুদা সামানজার চৌধুরী ।
চার দিনের ট্রেনিং এর অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে কামরুন নাহার কল্পনা বলেন, একটভি সিটিজেনস এর চার দিনের ট্রেনিং এ অনেক কিছু শিখেছি। প্রেজেন্টেশেন, নেগোসিয়েশন, পাবলিক স্পিকিং, প্রজেক্ট ডেভলাপমেন্ট সব ক্ষেত্রে কিছুনা কিছু উন্নতি হয়ছে। আমরা আশা করি এখন থেকে আমরা একটিভ সিটিজেন হয়ে দেশে ও বিশ্বের সেবায় নিয়োজিত হতে পারবাে। এই ট্রেনিং এর আয়ােজন করার জন্য ডেমোক্রেসীওয়াচ ও ব্রিটিশ কাউন্সিলকে ধন্যবাদ জানায়।
প্রধান অতিথি বিশিষ্ট কলামিষ্ট ও লাল গোলাপ অনষ্ঠানের উপস্থাপক শফিক রেহমান বলেন, আমাদরে সমাজটা যদি একটা নদী হয়, তাহলে তরুন প্রজন্ম সেই নদীর স্রোত। তাদেরকে যে দিকে পথ করে দেওয়া হবে সেদিকেই তাঁরা প্রবাহিত হবে। সব কিছু ভেঙেচুরে সামনের দিকে এগিয়ে চলবে। নিজের ইচ্ছা থাকা সত্তেও তাঁরা নিজেকে বিপরিত দিকে নিয়ে যেতে পারবো। ট্রেনিং এ অংশগ্রহনকারী সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি সবাইকে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সমাজের জন্য নিজেকে নিয়োজিত রাখার আহৃবান জানান।
ডেমক্রেসিওয়াচের প্রােগ্রাম কাে-অর্ডিনেটর ফাতেমাতুল বতুল বলেন, একটিভ সিটিজেনস ইয়ুথ লিডারশীপ ট্রেনিং প্রােগ্রামকে আমি শুধু একটা লিডারশীপ ট্রেনিং বলবাে না, আমি একে মানুষ গড়ার কারিগর বলবাে। মাত্র চারদিনে একজন ইয়থকে এমন মােটিভেশন দেওয়া হয় যা তাদের জীবনের মােড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। নতুন করে ভাবতে শিখায় দেশটা তারই, এর রক্ষণাবেক্ষণ তার।
চার দিনের টেনিং এ অংশগ্রহনকারীরা অটিজম নিয়ে সচেতনতা, যত্রতত্র পোষ্টার ব্যবহার না করা, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের ফ্রি কোচিং, হাইড্রোলিক হর্ণ না বাজানো ও রাস্তায় প্রাইভেট কার কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধিকরা এই চারটি সামাজকি প্রকল্প বাস্তবায়নে সিদ্ধান্ত নেয়।
অগ্রদৃষ্টি.কম // এমএসআই











