জাকির সিকদার,ঢাকা : অর্থ পাচারের অভিযোগে ডেসটিনির ২০০০ লি. এর চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী ১১ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।
বৃহস্পতিবার মামলা দুটির অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির নির্ধারিত দিনে আংশিক শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লা এ দিন ধার্য করেন।
এ মামলা দুটিতে ডেসটিনি ২০০০ লি. এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ জামিনে আছেন। কারাগারে আটক আছেন ডেসটিনি গ্রুপের এমডি রফিকুল আমীন, পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন, আকবর হোসেন, দিদারুল আলম, শফিউল ইসলাম ও শিরিন আকতার।
পলাতক উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের পরিচালক সাঈদ-উর-রহমান, গোফরানুল হক, মেজবাহ উদ্দিন স্বপন, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, ইরফান আহমেদ, মিসেস ফারাহ দীবা, জমসেদ আরা চৌধুরী, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, শেখ তৈয়বুর রহমান, জাকির হোসেন, আজাদ রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম সরকার, মজিবুর রহমান, সুমন আলী খান, আবুল কালাম আজাদ ও আকরাম হোসেন।
দীর্ঘ তদন্তের পর ২০১৪ সালের ৪ মে দুদকের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদার এবং সহকারী পরিচালক মো. তৌফিক দুটি মামলায় চার হাজার ১১৯ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের (অর্থপাচার) অভিযোগে ডেসটিনির চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনসহ ৫১ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি চার্জশিট আদালতে দাখিল করেন। এতে রফিকুল আমীনসহ ৫১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। অভিযোগপত্রে ৪৪ জনকে পলাতক দেখিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়।
২০১৪ সালের ১১ জুন ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জহুরুল হক চার্জশিট দুটি গ্রহণ করে পলাতক ৪৬ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। অপর ৫ আসামির মধ্যে ১ জন জামিনে ও চারজন কারাগারে আটক ছিলেন। দুটি মামলায় আসামির সংখ্যা ৫১ জন।
২০১২ সালের ৩১ জুলাই ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড এবং ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন লিমিটেডের (ডিটিপিএল) বিরুদ্ধে কলাবাগান থানায় দুটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।











