আ,হ,জুবেদঃ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কুয়েত আওয়ামীলীগে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে গ্রুপিং এর রাজনীতি। বার বারই কুয়েত আওয়ামীলীগ এর শুভাকাঙ্ক্ষী, সমর্থক ও নেতাকর্মীরা ভাবতে থাকেন এ বলে যে, এই বুঝি একটি চিরস্থায়ী সমাধান আসছে দলটিকে সুসংগঠিত করার প্রয়াস নিয়ে; কিন্তু বার বার মাঝপথে থেমে যাচ্ছে ঐক্য প্রক্রিয়া ফলে দুর্ভাগা শুভাকাঙ্ক্ষী, সমর্থক ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের স্বপ্ন ও আশা ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে।
এদিকে এবার কুয়েত আওয়ামীলীগের ঐক্য প্রচেষ্টা একটু ভিন্ন রূপ নিয়েছে। গতকাল রোববার রাত ৮টায় কুয়েত সিটিস্থ রাজধানী হোটেলে কুয়েত আওয়ামীলীগ একাংশের সভাপতি আব্দুর রউফ মাওলার নেতৃত্বে একদল আওয়ামী নেতাকর্মী ও কুয়েত আওয়ামীলীগের অন্য আরেকটি অংশের আহবায়ক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী শহিদুল ইসলাম পাপুলের নেতৃত্বে একদল আওয়ামী নেতাকর্মীদের মধ্যে কুয়েত আওয়ামীলীগের মধ্যকার সৃষ্ট দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশ্বস্ত এক সূত্রে জানাগেছে, এসময় উক্ত আলোচনা সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, আলোচনা সভার বাহিরে থাকা অন্যান্য গ্রুপদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে একটি কাউন্সিল এর মাধ্যমে সুশৃঙ্খল একটি কুয়েত আওয়ামীলীগের চিন্তাভাবনা করছেন নেতৃবৃন্দরা।
উল্লেখ্য যে, প্রায় বছর দেড়েক আগে কুয়েত আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এস,এম,আবুল কালাম আন্তরিকভাবে চেষ্টার মাধ্যমে ঐক্য প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে নানা প্রক্রিয়ার দিক দিয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেলেও এক পর্যায়ে আওয়ামীলীগ এর এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ অজ্ঞাত কারণে অপারগতার কথা প্রকাশ করেন।
তবে এবারকার এই ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে কুয়েত আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে খুব বেশি উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ করা না গেলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আব্দুর রউফ মাওলার সমর্থকদের ফেসবুক স্ট্যাটাস লক্ষণীয়।











