স্টাফ রিপোর্টার- কুয়েতের শ্রমবাজারে ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রবাসী কর্মীদের পেশাগত দক্ষতা কাজে লাগানোর লক্ষ্যে পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ার নির্দিষ্ট কিছু সেক্টর থেকে অন্য সেক্টরে কর্মী স্থানান্তরের নতুন সুযোগ ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্তের প্রথম দিনেই ৬৭৬ জন প্রবাসী কর্মী তাদের ভিসা বা কাজের ক্ষেত্র পরিবর্তনের জন্য আবেদন জমা দিয়েছেন।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই বিশেষ সুযোগটি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। মূলত যারা দীর্ঘ সময় ধরে নির্দিষ্ট কিছু বাণিজ্যিক বা সরকারি খাতে সীমাবদ্ধ ছিলেন, তাদের এখন বেসরকারি খাতের বিভিন্ন পেশায় যুক্ত হওয়ার পথ সুগম হলো।
সরকারি এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো স্থানীয় শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তির সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা। এতদিন যেসব খাতে কর্মী স্থানান্তর কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত ছিল, এখন সেই সীমাবদ্ধতা শিথিল করার ফলে প্রবাসী কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প,শিল্প খাত, কৃষি, গবাদি পশু এবং মৎস্য খাতের কর্মীরা এই সুবিধার আওতায় পড়বেন। তবে এই প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য বর্তমান নিয়োগকর্তা বা কফিলের অনুমতির বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।
আবেদনের এই বিশাল চাপ সামলাতে কুয়েত প্রশাসন ইতোমধ্যে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। কর্মীদের ভোগান্তি কমাতে অনলাইন পোর্টাল এবং অফিসিয়াল ডেস্কগুলোতে সেবার মান বাড়ানো হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটিতে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং কর্মীদের বৈধতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। যেহেতু ৩০ জুনের পর এই সময়সীমা বাড়ানো হবে কি না তা নিয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি, তাই কর্তৃপক্ষ যোগ্য প্রবাসীদের দ্রুত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে হাজারো প্রবাসী তাদের পছন্দমতো কর্মসংস্থান খুঁজে নেওয়ার এবং আইনি জটিলতামুক্ত থেকে পেশাগত জীবন এগিয়ে নেওয়ার এক সুবর্ণ সুযোগ পেলেন।











