অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকে : বরিশালের আগৈলঝাড়ায় দুর্গাপূজা পরবর্তী দশহরার মেলায় এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় দফায় দফায় হামলা-সংঘর্ষে ৮জন আহত হয়েছে। অপর এক হামলার প্রস্তুতিকালে স্থানীয় জনগণ ১জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
জানা গেছে, উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে শুক্রবার সন্ধ্যার পর দুর্গা দশহরার মেলায় এক তরুণীর শ্লীলতাহানি ঘটায় ওই গ্রামের সুকলাল ঘটকের ছেলে ও বিএনপি নেতা শ্যামল ঘটকের ভাতিজা সুকান্ত ঘটক। পুলিশ ওই বখাটেকে আটক করে থানায় নেয়ার সময় পার্শ্ববর্তী বাশাইল গ্রামের বিএনপি নেতা মনির মোল্লা পুলিশের কাছ থেকে সুকান্তকে চড়-থাপ্পর দিয়ে ছাড়িয়ে নেয়। এসময় মেলাস্থলে উত্তেজনায় ছড়িয়ে পরলে পন্ড হয়ে যায় মেলা। মারামারিতেহ কমপক্ষে ৮ জন আহত হয়। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনার জের ধরে পরদিন শনিবার বাহাদুরপুর বাজারে অভিযুক্তের কাকা শ্যামল ঘটকের কাছে ঘটনার বিচার দাবি করলে শ্যামল ঘটনা অস্বীকার করে। এনিয়ে পুনরায় মারামারিতে ৩ জন আহত হয়।
অপরদিকে উপজেলার সীমান্তবর্তী কুড়লিয়া পানবাড়ি দুর্গামন্ডপে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে পূর্বশত্রুতার জের ধরে কারফা গ্রামের ৮-১০ বখাটে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ কুড়লিয়া গ্রামের সুষেন হাওলাদারের ছেলে সোহাগকে মারার জন্য হামলার প্রস্তুতির সময় কারফা গ্রামের সত্যজিৎ রায়ের ছেলে সুমন রায়কে দেশীয় অস্ত্রসহ স্থানীয়রা আটক করে পুলিশ সোপর্দ করে। এসময় সুমনের সহযোগী সুজন রায়, নিপুল বিশ্বাস, শ্যামল রায়, সঞ্জিত বিশ্বাসসহ অন্যরা পালিয়ে যায়। এব্যাপারে একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।











