বিশেষ প্রতিনিধিঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় উৎসবের আমেজ এখন সুদূর মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতেও।
দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কুয়েতের বিভিন্ন অঞ্চলে আনন্দ-উল্লাস ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজয়ের এই মাহেন্দ্রক্ষণ উদযাপন করতে প্রবাসীরা এক হয়ে মেতে ওঠেন বাঁধভাঙ্গা উল্লাসে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং সদ্য প্রয়াত দলীয় চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। একই সাথে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে প্রাণ হারানো সকল নেতাকর্মীর সম্মানে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। আধ্যাত্মিক এই আবহে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যা শেষ হয় প্রথাগত মিষ্টি বিতরণের মাধ্যমে।
কুয়েত বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা সোয়েব আহম্মেদ, মাইন উদ্দিন, চুন্নু মোল্লা, আবুল হাসেম এনাম, আক্তারুজ্জামান শামস ও কাদের মোল্লাসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে বিজয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।
উৎসবের এক পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। সেখানে তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তারা প্রবাসীদের স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমকর্মীদের বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কুয়েতের সভাপতি মঈন উদ্দিন সরকার সুমন, সাধারণ সম্পাদক আ. হ. জুবেদ,সিনিয়র সহ-সভাপতি আল আমিন রানা,সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেবজু মিয়া,যুগ্ম সম্পাদক আলাল আহম্মদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক সাদেক রিপনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে প্রবাসীরা প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগের যে ঐতিহাসিক সুযোগ পেয়েছেন, তাকে গণতন্ত্রের এক নতুন দিগন্ত হিসেবে দেখছেন কুয়েত প্রবাসীরা। এখন তাদের প্রত্যাশা, নবগঠিত সরকার বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত প্রবাসীবান্ধব প্রতিশ্রুতিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবে।











