দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে ২৫ ডিসেম্বর এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে প্রিয় মাতৃভূমিতে পা রাখলেন। রাজধানীর রাজপথ আজ কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং এক জনমানবের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। দীর্ঘ প্রবাস জীবনে নানা প্রতিকূলতা, ত্যাগ আর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হয়ে ফেরা এই নেতাকে বরণ করে নিতে আজ যেন পুরো দেশই ঢাকার রাস্তায় নেমে এসেছিল।
বিকালে যখন তাকে বহনকারী বিমানটি মাটি স্পর্শ করে, তখন রানওয়ে থেকে শুরু করে বিমানবন্দরের বহির্গমন পথ পর্যন্ত শুধুই ছিল লক্ষ লক্ষ মানুষের স্লোগান আর ভালোবাসার জোয়ার। এটি কেবল একজন নেতার ঘরে ফেরা নয়, বরং তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে এক নতুন আশার জাগরণ। ১৭ বছর আগে যে তরুণ নেতা দেশ ছেড়েছিলেন, আজ ফিরে আসা সেই নেতার মাঝে উপস্থিত জনতা খুঁজে পেয়েছেন এক পরিণত ও দূরদর্শী ব্যক্তিত্বকে। পিতার রাজনৈতিক আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে এবং দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় শাণিত হয়ে তিনি যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছেন, তার প্রতিফলন দেখা গেছে উপস্থিত জনতার চোখের উজ্জ্বলতায়।
তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তনে বিমানবন্দরের চারপাশ থেকে শুরু করে নয়াপল্টন পর্যন্ত জনস্রোত আছড়ে পড়ে। সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীরা তাকে ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে অভ্যর্থনা জানান। দীর্ঘ প্রবাস জীবনে অর্জিত আন্তর্জাতিক রাজনীতির জ্ঞান এবং দেশের মানুষের প্রতি তার অবিচল নিষ্ঠা তাকে আজ এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। উপস্থিত জনতা মনে করেন, এই ফেরা কেবল ব্যক্তির ফেরা নয়, বরং এটি বাংলাদেশের রাজনীতির এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হয়ে তিনি আবারও প্রমাণ করলেন যে, মাটির টানে আর জনগণের ভালোবাসার কাছে কোনো দূরত্বই বাধা হতে পারে না।
আ হ জুবেদ, সম্পাদক অগ্রদৃষ্টি











