ডেস্ক রিপোর্ট: কুয়েতের নাগরিকত্ব তদন্ত বিভাগ দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ একটি নাগরিকত্ব জালিয়াতির ঘটনা উন্মোচন করেছে যেখানে একটি মাত্র নাগরিকত্ব ফাইলের অধীনে প্রায় ১,২০০ ব্যক্তিকে ‘নির্ভরশীল’ হিসেবে নিবন্ধিত পাওয়া গেছে এবং তদন্তে দেখা গেছে ১৯৩০-এর দশকে জন্ম নেওয়া ও ১৯৬৫ সালে নাগরিকত্ব পাওয়া মৃত এক ব্যক্তির ফাইলের অধীনে ৯৭৮ জন ব্যক্তি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে নাগরিকত্ব হাতিয়ে নিয়েছেন যার ফলে ইতোমধ্যেই তাদের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে যে ওই ব্যক্তির ৬ জন স্ত্রী ও ৪৪ জন সন্তান ছিল এবং পূর্বে সংরক্ষিত ওই ব্যক্তির ডিএনএ নমুনার সাথে মিলিয়ে দেখা গেছে যে সন্তানদের একটি বিশাল অংশই ভুয়া দাবির মাধ্যমে নথিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল যার সূত্র ধরে তাদের পরবর্তী প্রজন্মের নাগরিকত্বও অবৈধ হয়ে পড়েছে।
বর্তমানে এই ফাইলের সাথে যুক্ত আরও ৫ জন ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন যাদের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তলব করা হলেও তারা উপস্থিত হননি এবং সুপ্রিম ন্যাশনালিটি কমিটি অসহযোগিতার ভিত্তিতে তাদের নাগরিকত্ব বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে যেখানে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়েছে যে ভবিষ্যতে তারা প্রকাশ্যে এলেও সংরক্ষিত ডিএনএ নমুনার সাথে মিল না পাওয়া পর্যন্ত তারা জালিয়াতি হিসেবেই গণ্য হবেন যদিও মূল ফাইলধারী ব্যক্তি নিজে কোনো জালিয়াতি করেছিলেন কি না তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বরং তাকে কেন্দ্র করেই এই বিশাল জালিয়াত চক্রটি গড়ে উঠেছিল।











