Menu |||

৫৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে শাহজালালের আপগ্রেডেশন

সিলেট : হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আপগ্রেডেশন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটিতে ৫শ’ ৬২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্র।

সূত্র আরও জানায়, ২০০৮ সালের জুলাই মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরের আপগ্রেডেশন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এডিপি’র (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) আওতাধীন প্রকল্প ছিলো এটি। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ সম্পন্ন হয় প্রকল্পের কাজ।

ট্যাক্সিওয়ে পুনর্নির্মাণ, ড্রেনেজ সিস্টেমের উন্নয়ন, প্রশস্ত এয়ারক্রাফটের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকরণ, ট্যাক্সিওয়েকে ডি-টাইপ থেকে ই-টাইপে উন্নীতকরণ ও অ্যারোড্রাম ক্যাটাগরি-ও থেকে ক্যাটাগরি-ওও-তে উন্নীতকরণ করা হয়েছে এ প্রকল্পের মাধ্যমে।

শাহজালাল বিমানবন্দরের আপগ্রেডেশন প্রকল্পের বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানম অগ্রদৃষ্টিকে বলেন, বিমানবন্দরের আপগ্রেডেশন প্রকল্পের কাজটি সম্পন্ন করতে প্রায় আট বছর সময় লেগেছে।

‘বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে মিল রেখেই বিমানবন্দরের আপগ্রেডেশনের কাজ পরিচালনার চেষ্টা করা হয়েছে। আপগ্রেডেশনের কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এখন যাত্রীরা আগের তুলনায় আরও নিরাপদে বিমানবন্দরের মাধ্যমে যাতায়াত করতে পারবেন’- বলেন তিনি।

অন্যদিকে, আপগ্রেডেশন সম্পন্ন হওয়ায় আগের তুলনায় এখন নিরাপদে ফ্লাইটগুলো বিমানবন্দরে অবতরণ করতে পারছে বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সিনিয়র পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন।

তিনি অগ্রদৃষ্টিকে বলেন, আগে ফ্লাইটগুলো রানওয়েতে অবতরণের সময় নানা ধরনের সমস্যায় পড়তো। একবার এমিরেটসের একটি এয়ারক্রাফটের চাকা ফেটে গিয়েছিলো। কিন্তু বিমানবন্দরের আপগ্রেডেশনের ফলে রানওয়ে আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে। এ ধরনের সমস্যা এখন আর হবে না বলে আশা করছি। ফলে এখন আগের চেয়ে নিরাপদে অবতরণ করবে ফ্লাইটগুলো। তাছাড়া ট্যাক্সিওয়ে ও ড্রেনেজ সিস্টেমের অনেক উন্নয়ন হয়েছে।

আপগ্রেডেশনের সুফল ভোগ করছেন যাত্রীরা বলেও জানান তিনি। শাহজালাল বিমানবন্দর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, জিএমজি এয়ারলাইন্স, ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সসহ বাংলাদেশের সব এয়ারলাইন্সগুলোর হোম বেস।

এক হাজার ৯শ’ ৮১ একর এলাকায় বিস্তৃত এ বিমানবন্দর দিয়ে দেশের প্রায় ৫২ শতাংশ আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ওঠা-নামা করে। এছাড়া প্রায় ১৭ শতাংশ যাত্রী চট্টগ্রামে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি ব্যবহার করেন। শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে বছরে প্রায় ৪০ লাখ আন্তর্জাতিক ও ১০ লাখ অভ্যন্তরীণ যাত্রী এবং এক লাখ ৫০ হাজার টন ডাক ও মালামাল আসা-যাওয়া করে।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» নীতিহীন সাংবাদিকতা যেন না হয়: প্রধানমন্ত্রী

» কুয়েতে ”মুজিব বর্ষ” বিজয়দিবস কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২০ এর উদ্বোধন

» বাংলাদেশ মেডিকেল দল কুয়েতকে সমর্থন অব্যাহত রেখেছে

» অভিবাসী শ্রমিক কমিয়ে আনতে কুয়েতে আইন পাস

» ধামরাইয়ে মসজিদের সামনে থেকে নবজাতক উদ্ধার

» বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত সুবর্ণের নিউ ইয়র্কে সর্বোচ্চ সম্মান

» কুয়েত প্রবাসী আওয়ামীলীগ নেতা মুজিব আর নেই

» এমপি নিক্সন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা

» কুয়েতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

» অধ্যাদেশে রাষ্ট্রপতির সই, ধর্ষণের শাস্তি এখন মৃত্যুদণ্ড

Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

Mahrall Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Mujamma Abbasia. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

৫৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে শাহজালালের আপগ্রেডেশন

সিলেট : হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আপগ্রেডেশন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটিতে ৫শ’ ৬২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সূত্র।

সূত্র আরও জানায়, ২০০৮ সালের জুলাই মাসে শাহজালাল বিমানবন্দরের আপগ্রেডেশন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এডিপি’র (বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) আওতাধীন প্রকল্প ছিলো এটি। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ সম্পন্ন হয় প্রকল্পের কাজ।

ট্যাক্সিওয়ে পুনর্নির্মাণ, ড্রেনেজ সিস্টেমের উন্নয়ন, প্রশস্ত এয়ারক্রাফটের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকরণ, ট্যাক্সিওয়েকে ডি-টাইপ থেকে ই-টাইপে উন্নীতকরণ ও অ্যারোড্রাম ক্যাটাগরি-ও থেকে ক্যাটাগরি-ওও-তে উন্নীতকরণ করা হয়েছে এ প্রকল্পের মাধ্যমে।

শাহজালাল বিমানবন্দরের আপগ্রেডেশন প্রকল্পের বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানম অগ্রদৃষ্টিকে বলেন, বিমানবন্দরের আপগ্রেডেশন প্রকল্পের কাজটি সম্পন্ন করতে প্রায় আট বছর সময় লেগেছে।

‘বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে মিল রেখেই বিমানবন্দরের আপগ্রেডেশনের কাজ পরিচালনার চেষ্টা করা হয়েছে। আপগ্রেডেশনের কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এখন যাত্রীরা আগের তুলনায় আরও নিরাপদে বিমানবন্দরের মাধ্যমে যাতায়াত করতে পারবেন’- বলেন তিনি।

অন্যদিকে, আপগ্রেডেশন সম্পন্ন হওয়ায় আগের তুলনায় এখন নিরাপদে ফ্লাইটগুলো বিমানবন্দরে অবতরণ করতে পারছে বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সিনিয়র পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন।

তিনি অগ্রদৃষ্টিকে বলেন, আগে ফ্লাইটগুলো রানওয়েতে অবতরণের সময় নানা ধরনের সমস্যায় পড়তো। একবার এমিরেটসের একটি এয়ারক্রাফটের চাকা ফেটে গিয়েছিলো। কিন্তু বিমানবন্দরের আপগ্রেডেশনের ফলে রানওয়ে আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে। এ ধরনের সমস্যা এখন আর হবে না বলে আশা করছি। ফলে এখন আগের চেয়ে নিরাপদে অবতরণ করবে ফ্লাইটগুলো। তাছাড়া ট্যাক্সিওয়ে ও ড্রেনেজ সিস্টেমের অনেক উন্নয়ন হয়েছে।

আপগ্রেডেশনের সুফল ভোগ করছেন যাত্রীরা বলেও জানান তিনি। শাহজালাল বিমানবন্দর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, জিএমজি এয়ারলাইন্স, ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সসহ বাংলাদেশের সব এয়ারলাইন্সগুলোর হোম বেস।

এক হাজার ৯শ’ ৮১ একর এলাকায় বিস্তৃত এ বিমানবন্দর দিয়ে দেশের প্রায় ৫২ শতাংশ আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ওঠা-নামা করে। এছাড়া প্রায় ১৭ শতাংশ যাত্রী চট্টগ্রামে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি ব্যবহার করেন। শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে বছরে প্রায় ৪০ লাখ আন্তর্জাতিক ও ১০ লাখ অভ্যন্তরীণ যাত্রী এবং এক লাখ ৫০ হাজার টন ডাক ও মালামাল আসা-যাওয়া করে।

Facebook Comments


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



আজকের দিন-তারিখ

  • সোমবার (রাত ১:২০)
  • ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৮ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি
  • ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল)

Exchange Rate

Exchange Rate: EUR

সর্বশেষ খবর



Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

Mahrall Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Mujamma Abbasia. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Bangladesh Office

Director. Rumi Begum
Adviser. Advocate Koyes Ahmed
Desk Editor (Dhaka) Saiyedul Islam
44, Probal Housing (4th floor), Ring Road, Mohammadpur,
Dhaka-1207. Bangladesh
Contact: +8801733966556 / +8801920733632

Email Address

agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Licence No.

MC- 00158/07      MC- 00032/13

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com
error: দুঃখিত! অনুলিপি অনুমোদিত নয়।