Menu |||

বাবাই ছিলেন আমার সকল শক্তির উৎস, গোলাম রসুল চৌধুরী রাহেল

ডারজন খান: বাবা দুটি অক্ষরের এই একটি শব্দ দিয়ে প্রকাশিত হয় সন্তানের সঙ্গে অকৃত্রিম এক সম্পর্ক। মায়ের সঙ্গে সন্তানের যেমন থাকে নাড়ির টান, তেমনি বাবার সঙ্গে থাকে রক্তের বন্ধন। সন্তানের জন্য বাবা হচ্ছেন সবচেয়ে বড় শক্তি। জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে বাবা সন্তানের চোখে পরিবারের সবচেয়ে ক্ষমতাধর, জ্ঞানী, স্নেহশীল, শাসক, পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অথবা কোনো সময় বন্ধু। মেয়ে শিশুরা জীবনের শুরুতেই আদর্শ পুরুষ হিসেবে বাবাকেই কামনা করে। অন্যদিকে ছেলে শিশুরা জীবনের শুরুতে বাবাকে দেখে শক্তির উৎস হিসেবে। তাই ছেলে শিশুরা চায় বাবার মতোই শক্তি অর্জন করতে তথা পরিবারের সর্বময় কর্তা হতে। এ ছাড়া শিশু যখন বাড়ন্ত অবস্থায় থাকে, তখন বাবা তার মূল্যবান উপদেশ দিয়ে সন্তানদের জীবনের পথ দেখিয়ে দেন। বাবারাই পারেন সন্তানদের নানাভাবে নানা সময়ে সাহায্য করতে বললেন,আলহাজ্ব গোলাম রসুল চৌধুরী রাহেল|

আমি ইবনে সিনা হাসপাতালে বসা আমার এক আত্মীয়কে দেখতে গিয়েছিলাম তখন সন্ধ্যা ৭টা হবে। তখন হঠাৎ ফেইসবুকে ডুকলাম জাহিদ ভাইর পোষ্ট দেখলাম সেটার পরার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না । আর সঙ্গে সঙ্গে জাহিদ ভাইর কল রাহেল ভাইর বাবা আর আমাদের মাঝে নেই, একথা শুনে শরীর লোম নারা দিয়ে উটেছে। দৌরে বের হলাম রিক্সাকে ডেকে বল্লাম ছলেন মাউন্ড যাব। যাবার পথে বার বার গড়ির দিকে তাকাচ্ছি আমি এক মাসে যত বার গড়ির দিকে থাকাইনি এই মাউন্টে যাবার ১৪ মিনিটে তারছেয়ে বেশি তাকিয়েছি। এই ১৪মিনিট মনে হচ্ছে আমার কাছে ১৪ ঘন্টা । মাউন্ডে এসে রিক্সা ভাইকে ৫০টাকা দিলাম রিক্সা ভাই কিছু না বলে একটু হাসি দিয়ে চলে গেলেন। বুঝতে পারলাম অনেক খুশি হয়েছেন। দৌরে তৃতীয় তালা গিয়ে উঠলাম ৩০৫ নাম্বার কেবিনে। প্রথমে দেখলাম রাহেল ভাইকে সধা হাস্যরজ্জল মানুষটির চোঁখ দিয়ে অঝর ধারায় পানি ঝড়ছে । তার কান্নায় ভার হয়ে আসছে চারিদিক| ভাতিজাটা বাবার দিকে থাকিয়ে আছে রোমটার ভিতরে কোন শব্দ নেই শুধু রাহেল ভাইর কান্না “আর কান্না করবেন না কেন” যার আঙুল ধরে হাটতে শেখা বাঁচতে শেখা। যিনি আমাদের চিনিয়েছেন পূথিবী, শিখিয়েছেন বেচে থাকার কৌশল। তিনি যে আমাদের মাঝে আর নেই। সবাইকে কাঁদিয়ে নিরবে চলে গেলেন না ফেরা দেশে। আমি কাকে “বাবা” বলে ডাকবো, “বাবা”তুমাকে বাবা বলেতে খুব ইচ্ছা করছে। তুমাকে ঝরিয়ে ধরতে ইচ্ছা করছে, তুমি কি আর আমার কপালে চুমু খাবেনা “বাবা”। আমাকে আর শ্বাসন করবেনা “বাবা”। এত আদর করে কে আমার নাম ধরে ডাকবে “বাবা”। আমায় একটু আদর করনা বাবা অনেক দিন হয়ে গেল তুমাকে “বাবা” বলে ডাকতে পারিনী। তুমি কি দুর থেকে দেখতে পাওনা তুমার ছেলেটা তুমাকে খুজে বেরায়। আমি তুমাকে কোথায় খুজবো “বাবা” বল? নাকি ঐ সমুদ্রে যত দূর দূষ্টি যায় সেখানে? “বাবা” কেন তুমি আমাদের ছেড়ে চলে গেলে? তুমি যাননা যখন একটা মানুষ চলে যায় তখন তার সাথে হারিয়ে যায় অন্য সব আপন মানুষ থেকে “লাল” “নীল”এমন অনেক রঙ্গ। “বাবা”তুমি কি দেখনি মায়ের আহাজারি? কি ভাবে তাকে একটা সাদা কাপড় উপহার দিয়ে তুমি পারলে সব রঙ্গ কেড়ে নিতে।বাবার প্রতি এমন শ্রদ্ধা ও ভালবাসার আহাজারি দেখে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারিনি চোঁখ দিয়ে জল পড়েছে নিজেই বুঝতে পারি নি। তিনি ছিলেন সমাজের অসহায় হতদ্ররিদ মানুষের নিবিদিত প্রাণ সদ্য প্রয়াত বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও সহ-সভাপতি, নবীগঞ্জ জে কে হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি,বিশিষ্ট ব্যবস­ায়ী আলহাজ্ব গোলাম রব্বানী চৌধুরী|উল্লেখ্য : তিনি গত ২৩ সেপ্টম্বর সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

“বাবা” কি এক কথায় ” সন্তানের ভালোর জন্য জীবনের অনেক কিছুই নির্দ্বিধায় ত্যাগ করতে হয় বাবা কে। সন্তানের জন্য আদর শ্বাসন আর বিশ্বস্ততার জায়গা হলো বাবা। “বাবা তুলনা বাবা নিজেই” শুধু ভালবাসা বা আদর শ্বাসন নয়, একজন বাবা দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে তার সন্তানকে বড় করে তোলেন। “বাবা”শাশ্বত,চির-আপন­, চিরন্তন। তুমাকে নিয়ে অনেক অনেক কথা বলা যায়। পৃষ্টার পর পৃষ্টা লেখে শেষ করা যাবে না “বাবা”। তোমার যদি ইচ্ছা হয় পরের জন্মে আমাকে আবার তোমার সন্তান করো। আমি “বাবা”কে আবার দেখতে চাই। যে আমার জন্য সবার কাছে গর্ব করে বেড়াবে। আর আমি তুমার লক্ষী ছেলেটি হয়ে তোমার পায়ের পাশে গুটি হয়ে ঘুমাতে ছাই। তোমার ভুকের প্রতিটা দীর্ঘশ্বাসের শব্দ বোধ করতে চাই। শুনেছি মৃত মানুষদের কে কখনো খারাপ বলতে হয় না। কিন্তু মৃত মানুষ বলতে নয়, তিনি আসলেই খুব ভাল ছিলেন এবং বড় মনের মানুষ ছিলেন, যা এই পূথিবীর মানুষ দেখেছেন, যেনেছেন, বুঝেছেন, সমাজিক কাজে অনেক কিছু করে গিয়েছেন। পূথিবীর সবার থেকে আমার বাবা শ্রেষ্ট থা আমি বলবো না। আমি ক্ষুদ্র জীবনে আমার দেখা শ্রেষ্ঠ মানুষ শ্রেষ্ঠ উপহার “আমার বাবা” তা মেনে নিয়েই সারা জীবন অতিবাহিত করে যাব। আমার “বাবা” চিলেন মহাআকাশের মতো বিশাল, তার দেকানো ছায়াপথে যেন, আমি ছোট্র ছোট্র পা ফেলে যেন হেটে যেতে পারি। বিশ্বকে বিকশিত করার ক্ষমতা রাখতে পারি তারমত একজন সৎ সাহসী নির্ভীক মানুষ হয়ে বেচে থাকতে পারি। “বাবা” তোমাকে লিখে আমার সব কথা শেষ করা যাবে না। তোমাকে পাগলের মত ভালবাসি বাবা। জীবনে চলার পথে প্রতিটি বাকে, তোমাকে মিস করবো। বাবা তোমার আত্মা শান্তিতে থাকুক। তুমি ভালো থাক ঐ না ফেরার দেশে। পরিশেষে সব “বাবা”দের জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালবাসা। প্রত্যেক “বাবা” তার প্রিয় সন্তানদের মমতায়-মমতা ছড়িয়ে থাকুক আজীবন।ভাল থাকুক মৃত মানুষ গুলো, ভালো থাকুক পূথিবীর সব “বাবা”রা। ভালবাসার শ্রদ্ধা রইলো প্রিয় বাবাদের প্রতি।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» কুয়েত প্রবাসী মীর মাহবুবুল আলম কর্মস্থলে প্রশংসিত হয়েছেন

» কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশীরা নানা কারণে উদ্বিগ্ন

» মৌলভীবাজারে ফ্রন্টলাইন ফাইটার ডাঃ ফয়ছল

» ছুটিতে গিয়ে আটকে পড়া কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশীদের অনলাইন নিবন্ধন

» ভারতে এক দিনে রেকর্ড ৯৭,৮৯৪ রোগী শনাক্ত

» পেঁয়াজ রপ্তানি ফের চালু করতে বাংলাদেশের চিঠি

» ttt

» করোনায় বিশ্বের অগ্রগতি ২০ বছর পিছিয়ে গেছে: গেটস ফাউন্ডেশন

» অভিনেতা মহিউদ্দিন বাহার আর নেই

» কুয়েতে করোনাভাইরাস এর সর্বশেষ সংবাদ- ১৪/০৯/২০২০

Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

Mahrall Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Mujamma Abbasia. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

বাবাই ছিলেন আমার সকল শক্তির উৎস, গোলাম রসুল চৌধুরী রাহেল

ডারজন খান: বাবা দুটি অক্ষরের এই একটি শব্দ দিয়ে প্রকাশিত হয় সন্তানের সঙ্গে অকৃত্রিম এক সম্পর্ক। মায়ের সঙ্গে সন্তানের যেমন থাকে নাড়ির টান, তেমনি বাবার সঙ্গে থাকে রক্তের বন্ধন। সন্তানের জন্য বাবা হচ্ছেন সবচেয়ে বড় শক্তি। জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে বাবা সন্তানের চোখে পরিবারের সবচেয়ে ক্ষমতাধর, জ্ঞানী, স্নেহশীল, শাসক, পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অথবা কোনো সময় বন্ধু। মেয়ে শিশুরা জীবনের শুরুতেই আদর্শ পুরুষ হিসেবে বাবাকেই কামনা করে। অন্যদিকে ছেলে শিশুরা জীবনের শুরুতে বাবাকে দেখে শক্তির উৎস হিসেবে। তাই ছেলে শিশুরা চায় বাবার মতোই শক্তি অর্জন করতে তথা পরিবারের সর্বময় কর্তা হতে। এ ছাড়া শিশু যখন বাড়ন্ত অবস্থায় থাকে, তখন বাবা তার মূল্যবান উপদেশ দিয়ে সন্তানদের জীবনের পথ দেখিয়ে দেন। বাবারাই পারেন সন্তানদের নানাভাবে নানা সময়ে সাহায্য করতে বললেন,আলহাজ্ব গোলাম রসুল চৌধুরী রাহেল|

আমি ইবনে সিনা হাসপাতালে বসা আমার এক আত্মীয়কে দেখতে গিয়েছিলাম তখন সন্ধ্যা ৭টা হবে। তখন হঠাৎ ফেইসবুকে ডুকলাম জাহিদ ভাইর পোষ্ট দেখলাম সেটার পরার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না । আর সঙ্গে সঙ্গে জাহিদ ভাইর কল রাহেল ভাইর বাবা আর আমাদের মাঝে নেই, একথা শুনে শরীর লোম নারা দিয়ে উটেছে। দৌরে বের হলাম রিক্সাকে ডেকে বল্লাম ছলেন মাউন্ড যাব। যাবার পথে বার বার গড়ির দিকে তাকাচ্ছি আমি এক মাসে যত বার গড়ির দিকে থাকাইনি এই মাউন্টে যাবার ১৪ মিনিটে তারছেয়ে বেশি তাকিয়েছি। এই ১৪মিনিট মনে হচ্ছে আমার কাছে ১৪ ঘন্টা । মাউন্ডে এসে রিক্সা ভাইকে ৫০টাকা দিলাম রিক্সা ভাই কিছু না বলে একটু হাসি দিয়ে চলে গেলেন। বুঝতে পারলাম অনেক খুশি হয়েছেন। দৌরে তৃতীয় তালা গিয়ে উঠলাম ৩০৫ নাম্বার কেবিনে। প্রথমে দেখলাম রাহেল ভাইকে সধা হাস্যরজ্জল মানুষটির চোঁখ দিয়ে অঝর ধারায় পানি ঝড়ছে । তার কান্নায় ভার হয়ে আসছে চারিদিক| ভাতিজাটা বাবার দিকে থাকিয়ে আছে রোমটার ভিতরে কোন শব্দ নেই শুধু রাহেল ভাইর কান্না “আর কান্না করবেন না কেন” যার আঙুল ধরে হাটতে শেখা বাঁচতে শেখা। যিনি আমাদের চিনিয়েছেন পূথিবী, শিখিয়েছেন বেচে থাকার কৌশল। তিনি যে আমাদের মাঝে আর নেই। সবাইকে কাঁদিয়ে নিরবে চলে গেলেন না ফেরা দেশে। আমি কাকে “বাবা” বলে ডাকবো, “বাবা”তুমাকে বাবা বলেতে খুব ইচ্ছা করছে। তুমাকে ঝরিয়ে ধরতে ইচ্ছা করছে, তুমি কি আর আমার কপালে চুমু খাবেনা “বাবা”। আমাকে আর শ্বাসন করবেনা “বাবা”। এত আদর করে কে আমার নাম ধরে ডাকবে “বাবা”। আমায় একটু আদর করনা বাবা অনেক দিন হয়ে গেল তুমাকে “বাবা” বলে ডাকতে পারিনী। তুমি কি দুর থেকে দেখতে পাওনা তুমার ছেলেটা তুমাকে খুজে বেরায়। আমি তুমাকে কোথায় খুজবো “বাবা” বল? নাকি ঐ সমুদ্রে যত দূর দূষ্টি যায় সেখানে? “বাবা” কেন তুমি আমাদের ছেড়ে চলে গেলে? তুমি যাননা যখন একটা মানুষ চলে যায় তখন তার সাথে হারিয়ে যায় অন্য সব আপন মানুষ থেকে “লাল” “নীল”এমন অনেক রঙ্গ। “বাবা”তুমি কি দেখনি মায়ের আহাজারি? কি ভাবে তাকে একটা সাদা কাপড় উপহার দিয়ে তুমি পারলে সব রঙ্গ কেড়ে নিতে।বাবার প্রতি এমন শ্রদ্ধা ও ভালবাসার আহাজারি দেখে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারিনি চোঁখ দিয়ে জল পড়েছে নিজেই বুঝতে পারি নি। তিনি ছিলেন সমাজের অসহায় হতদ্ররিদ মানুষের নিবিদিত প্রাণ সদ্য প্রয়াত বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও নবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও সহ-সভাপতি, নবীগঞ্জ জে কে হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি,বিশিষ্ট ব্যবস­ায়ী আলহাজ্ব গোলাম রব্বানী চৌধুরী|উল্লেখ্য : তিনি গত ২৩ সেপ্টম্বর সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

“বাবা” কি এক কথায় ” সন্তানের ভালোর জন্য জীবনের অনেক কিছুই নির্দ্বিধায় ত্যাগ করতে হয় বাবা কে। সন্তানের জন্য আদর শ্বাসন আর বিশ্বস্ততার জায়গা হলো বাবা। “বাবা তুলনা বাবা নিজেই” শুধু ভালবাসা বা আদর শ্বাসন নয়, একজন বাবা দায়িত্ব ও কর্তব্য নিয়ে তার সন্তানকে বড় করে তোলেন। “বাবা”শাশ্বত,চির-আপন­, চিরন্তন। তুমাকে নিয়ে অনেক অনেক কথা বলা যায়। পৃষ্টার পর পৃষ্টা লেখে শেষ করা যাবে না “বাবা”। তোমার যদি ইচ্ছা হয় পরের জন্মে আমাকে আবার তোমার সন্তান করো। আমি “বাবা”কে আবার দেখতে চাই। যে আমার জন্য সবার কাছে গর্ব করে বেড়াবে। আর আমি তুমার লক্ষী ছেলেটি হয়ে তোমার পায়ের পাশে গুটি হয়ে ঘুমাতে ছাই। তোমার ভুকের প্রতিটা দীর্ঘশ্বাসের শব্দ বোধ করতে চাই। শুনেছি মৃত মানুষদের কে কখনো খারাপ বলতে হয় না। কিন্তু মৃত মানুষ বলতে নয়, তিনি আসলেই খুব ভাল ছিলেন এবং বড় মনের মানুষ ছিলেন, যা এই পূথিবীর মানুষ দেখেছেন, যেনেছেন, বুঝেছেন, সমাজিক কাজে অনেক কিছু করে গিয়েছেন। পূথিবীর সবার থেকে আমার বাবা শ্রেষ্ট থা আমি বলবো না। আমি ক্ষুদ্র জীবনে আমার দেখা শ্রেষ্ঠ মানুষ শ্রেষ্ঠ উপহার “আমার বাবা” তা মেনে নিয়েই সারা জীবন অতিবাহিত করে যাব। আমার “বাবা” চিলেন মহাআকাশের মতো বিশাল, তার দেকানো ছায়াপথে যেন, আমি ছোট্র ছোট্র পা ফেলে যেন হেটে যেতে পারি। বিশ্বকে বিকশিত করার ক্ষমতা রাখতে পারি তারমত একজন সৎ সাহসী নির্ভীক মানুষ হয়ে বেচে থাকতে পারি। “বাবা” তোমাকে লিখে আমার সব কথা শেষ করা যাবে না। তোমাকে পাগলের মত ভালবাসি বাবা। জীবনে চলার পথে প্রতিটি বাকে, তোমাকে মিস করবো। বাবা তোমার আত্মা শান্তিতে থাকুক। তুমি ভালো থাক ঐ না ফেরার দেশে। পরিশেষে সব “বাবা”দের জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালবাসা। প্রত্যেক “বাবা” তার প্রিয় সন্তানদের মমতায়-মমতা ছড়িয়ে থাকুক আজীবন।ভাল থাকুক মৃত মানুষ গুলো, ভালো থাকুক পূথিবীর সব “বাবা”রা। ভালবাসার শ্রদ্ধা রইলো প্রিয় বাবাদের প্রতি।

Facebook Comments


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



আজকের দিন-তারিখ

  • সোমবার (সকাল ৯:০৩)
  • ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ
  • ৩রা সফর, ১৪৪২ হিজরি
  • ৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)

Exchange Rate

Exchange Rate: EUR

সর্বশেষ খবর



Agrodristi Media Group

Advertising,Publishing & Distribution Co.

Editor in chief & Agrodristi Media Group’s Director. AH Jubed
Legal adviser. Advocate Musharrof Hussain Setu (Supreme Court,Dhaka)
Editor in chief Health Affairs Dr. Farhana Mobin (Square Hospital, Dhaka)
Social Welfare Editor: Rukshana Islam (Runa)

Head Office

Mahrall Commercial Complex. 1st Floor
Office No.13, Mujamma Abbasia. KUWAIT
Phone. 00965 65535272
Email. agrodristi@gmail.com / agrodristitv@gmail.com

Bangladesh Office

Director. Rumi Begum
Adviser. Advocate Koyes Ahmed
Desk Editor (Dhaka) Saiyedul Islam
44, Probal Housing (4th floor), Ring Road, Mohammadpur,
Dhaka-1207. Bangladesh
Contact: +8801733966556 / +8801920733632

Email Address

agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Licence No.

MC- 00158/07      MC- 00032/13

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com
error: দুঃখিত! অনুলিপি অনুমোদিত নয়।