Menu |||

২৮ অক্টোবর সম্মেলন: উৎফুল্ল মৌলভীবাজারের নেতাকর্মীরা

Untitled-1 copy

এক কমিটি দিয়েই এক যুগ। দীর্ঘ দিনের পর এবার হতে যাচ্ছে জেলা আওয়ামীলীগের নতুন কমিটি। সম্মেলনের নির্ধারিত তারিখ ঘোষিত হওয়ার পর এখন উৎফুল্ল নেতাকর্মীরা। সম্মেলনের সর্বশেষ তারিখ নির্ধারণ হয়েছে ২৮ অক্টোবর। এই সম্মেলনকে ঘীরে আশার আলো দেখছেন নেতাকর্মীরা। কারণ সম্মেলন ঘোষিত হওয়ার পর ১১ অক্টোবর বর্ধিত সভা হয়েছে। বর্ধিত সভায় বর্তমান জেলা কমিটির প্রতিপক্ষে বিভিক্ত দুটি গ্রুপের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলন সফল করার জন্য প্রস্তুত কমিটি ও উপ কমিটি গঠনসহ নানান প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তাই এখন ২৮ অক্টোবর সম্মেলনকে নিয়ে সর্বত্র আলোচনা।
মৌলভীবাজার জেলা ও উপজেলা জুড়ে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের মুখে মুখে এখন। কে হচ্ছেন সভাপতি,সম্পাদক। নতুন কমিটিতে কারা স্থান পাচ্ছেন। এমন প্রশ্ন আর আনন্দ বিরাজ করছে নেতাকর্মীদের মাঝে। কে সভাপতি বা সম্পাদক হলে দলের সাংগঠনিক হাল কি ভাবে ধরবেন এমনটিই আলোচনা গুরুত্বের সাথে স্থান পাচ্ছে। এর আগে একাধিকবার কাউন্সিলের তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পরেও তা হয়নি। এনিয়ে জেলা ও উপজেলা ও তৃণমূলের কর্মীদের অভিমানের শেষ ছিলনা। তাই নতুন তারিখ ঘোষনার পর থেকে আনন্দিত। কারণ তাদের প্রত্যাশা ওই দিন কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন যোগ্য নেতৃত্ব বেরিয়ে আসবে। নতুনদের হাত ধরে দীর্ঘদিন জেলার ঝিমিয়ে পড়া দলের কার্যক্রম গতিশীল হবে। আর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন ওই কমিটি অনন্য ভূমিকা রাখবে।
দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানালেন,এক কমিটিতে দীর্ঘদিন নতুন নেতৃত্ব আসার সুযোগ ছিলনা তাই দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছিল। শুধু তাই নয় ঝিমিয়ে পড়া কমিটি ও রয়েছে দলিও কোন্দল। একটিও সভা করতে পারেনি চলমান ওই কমিটি। মেয়াদ উর্ত্তীণ ওই কমিটির জন্য তৈরি হচ্ছিল যত দ্বন্ধ। এই নিয়ে দলের প্রাণ তৃণমূলের ক্ষোভের শেষ ছিলনা। দলের ঝিমিড়ে পড়া কর্যক্রম দেখে তারা দাবি তোলেন নতুন কমিটির। আর দাবি ক্রমেই বিরাট আকার ধারণ করে। দীর্ঘদিন পরেও হলে তাদের দাবি পৌছেছে কেন্দ্রীয় কমিটিতে। কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের এমন দাবির প্রয়োজনীয়তা মনে করে দলের সাংগঠনিক কাজের অগ্রগতি কথা চিন্তা করে তারা এ ব্যাপারে উদ্দ্যোগী হন। তারা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আলোচনার জন্য ১২ মার্চ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দকে ঢাকায় তলব করেন। দলের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কর্মকান্ড উজ্জীবিত করতে ২০ মে জেলা সম্মেলনের নির্দেশ দেন। কিন্তু ওই নির্ধারিত তারিখে জেলা সম্মেলন হয়নি। এর পর তারিখ নির্ধারণ করা হয় ১১ অক্টোবর কিন্তু সে তারিখে সম্মেলন হয়নি আর তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে। তবে জেলা কমিটির অনেকেই বলেন সম্মেলনের জন্য যে তারিখ গুলো ছিল মৌখিক নির্দেশনা। আর ২৮ অক্টোবরের সম্মেলনের তারিখ কেন্দ্রীয় কমিটির লিখিত সিন্ধান্ত। তাই এখান থেকে আর পেছানোর সুযোগ নেই।
দলীয় সূত্রে; দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৩ বছর পর দলের ও জেলা ও উপজেলার কমিটি গঠনের কথা থাকলেও মৌলভীবাজারে ঘটে তার উল্টা। সে সময়ে কাউন্সিল অনুষ্টানে ৪ বছর পর মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন পায়। জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ সভাপতি ও নেছার আহমদকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত ৭১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটি কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন পায়। ২০০৬ সালের ৭ জুলাই মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্টান ৪ বছর ২ মাস ৯ দিন পর প্রস্তাবিত ৭১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটির অনুমোদনের পর কার্যরত দুটি শক্তিতে বিভিক্ত হয়ে পড়ে জেলা আওয়ামীলীগ।
প্রয়াত মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলী গ্রুপ ও সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ গ্রুপ। এই দুই শক্তিধর গ্রুপের বাহিরে ছিল আরো কয়েটি ইপ গ্রুপ। তবে এই দুই শক্তিধর গ্রুপের মত তার ততটা প্রকাশ্য ছিলনা।
জানা যায় এপর্যন্ত ৯টি সাংগঠনিক শাখার মধ্যে শুধু বড়লেখা উপজেলায় নতুন কমিটি গঠন হয়েছিল অন্যান্য উপজেলায় ও শাখায় কমিটি গঠন করা হয়নি। তবে নেতাকর্মীরা আশাবাদী নতুন জেলা কমিটি উপজেলা ও শাখা গুলোর সম্মেলন ও কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব উপহার দিয়ে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম গুলো আরো সুসংগঠিত করবেন। দলেন একাধিক নেতা কর্মীদের সাথে বিডিটোয়েন্টিফোর লাইভের কথা হলে তার বলেন আমরা কেন্দ্রীয় কমিটির এমন সিন্ধান্তকে স্বাগতম জানাই। দলের অগ্রগতির জন্য নতুন কমিটি খুবই প্রয়োজন ছিল।

ledars copy
অনুসন্ধানে ২৮ অক্টোবর কাউন্সিলে প্রার্থী হিসাবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে দলের নেতাকর্মীদের মুখে যাদের নাম শোভা পাচ্ছে। তারা হলেন সভাপতি পদে; মো; ফিরুজ,নেছার আহমদ,অধ্যাপক রফিক আহমদ,উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ,মুহিবুর রহমান তরফদার,সৈয়দ বজললুল করিম,মো: শাহাব উদ্দিন আহমদ।
সাধারণ সম্পাদক পদে; মো: ফজলুর রহমান,সৈয়দ মফচ্ছির আলী,মো; কামাল হোসেন,মসুদ আহমদ,মিছবাউর রহমান,এম এ রহিম (সিআইপি),আব্দুল মালেক তরফদার সুয়েব,সাইফুর রহমান বাবলু,ভিপি আব্দুল মতিন।
দলের নেতাকর্মীরা বলেন সম্মেলনের তারিখ ঘোষনার পর থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীরা বিরামহীন ভাবে লবিং করে যাচ্ছেন। কখন ও ঢাকায় কখনও উপজেলা ও তৃণমূলের সকল কর্মীদের নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে জোর লবিং করে যাচ্ছেন।

বদরুল আলম চৌধুরী

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» জঙ্গি আস্তানা বর্জনের আহবান তথ্যমন্ত্রীর

» জরুরি সেবা ‘৯৯৯’র উদ্বোধন করলেন জয়

» গণতন্ত্রের যাত্রা ব্যাহত হওয়ার সুযোগ নেই : ওবায়দুল কাদের

» গ্রেনেড সরবরাহকারী তাজউদ্দিনকে ভূয়া নাম-ঠিকানায় পাসপোর্ট দিয়ে বিদেশে পাঠানো হয়

» তৃণমূল পর্যায়ের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে পারলে দেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে : স্পিকার

» আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েলের মুক্তির দাবী জানালেন আশরাফুল ইসলাম রবিন

» মনোহরদীর রামপুর শ্মশানঘাটে অনুষ্ঠিত হলো ২৪ প্রহরব্যাপি হরিনাম সংকীর্তন

» ভাসানীর ‘খামোশ’ আজ বড় প্রয়োজন : গোলাম মোস্তফা ভুইয়া

» অভিষেক টেস্টে আয়ারল্যান্ডের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান

» স্পেশাল অলিম্পিকস-এর ৫০ বছর পূর্তিতে দুই মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন



logo copy

Editor-In-Chief & Agrodristi Group’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor-in-Chief at Health Affairs : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

২৮ অক্টোবর সম্মেলন: উৎফুল্ল মৌলভীবাজারের নেতাকর্মীরা

Untitled-1 copy

এক কমিটি দিয়েই এক যুগ। দীর্ঘ দিনের পর এবার হতে যাচ্ছে জেলা আওয়ামীলীগের নতুন কমিটি। সম্মেলনের নির্ধারিত তারিখ ঘোষিত হওয়ার পর এখন উৎফুল্ল নেতাকর্মীরা। সম্মেলনের সর্বশেষ তারিখ নির্ধারণ হয়েছে ২৮ অক্টোবর। এই সম্মেলনকে ঘীরে আশার আলো দেখছেন নেতাকর্মীরা। কারণ সম্মেলন ঘোষিত হওয়ার পর ১১ অক্টোবর বর্ধিত সভা হয়েছে। বর্ধিত সভায় বর্তমান জেলা কমিটির প্রতিপক্ষে বিভিক্ত দুটি গ্রুপের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলন সফল করার জন্য প্রস্তুত কমিটি ও উপ কমিটি গঠনসহ নানান প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তাই এখন ২৮ অক্টোবর সম্মেলনকে নিয়ে সর্বত্র আলোচনা।
মৌলভীবাজার জেলা ও উপজেলা জুড়ে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের মুখে মুখে এখন। কে হচ্ছেন সভাপতি,সম্পাদক। নতুন কমিটিতে কারা স্থান পাচ্ছেন। এমন প্রশ্ন আর আনন্দ বিরাজ করছে নেতাকর্মীদের মাঝে। কে সভাপতি বা সম্পাদক হলে দলের সাংগঠনিক হাল কি ভাবে ধরবেন এমনটিই আলোচনা গুরুত্বের সাথে স্থান পাচ্ছে। এর আগে একাধিকবার কাউন্সিলের তারিখ নির্ধারিত হওয়ার পরেও তা হয়নি। এনিয়ে জেলা ও উপজেলা ও তৃণমূলের কর্মীদের অভিমানের শেষ ছিলনা। তাই নতুন তারিখ ঘোষনার পর থেকে আনন্দিত। কারণ তাদের প্রত্যাশা ওই দিন কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন যোগ্য নেতৃত্ব বেরিয়ে আসবে। নতুনদের হাত ধরে দীর্ঘদিন জেলার ঝিমিয়ে পড়া দলের কার্যক্রম গতিশীল হবে। আর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন ওই কমিটি অনন্য ভূমিকা রাখবে।
দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানালেন,এক কমিটিতে দীর্ঘদিন নতুন নেতৃত্ব আসার সুযোগ ছিলনা তাই দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছিল। শুধু তাই নয় ঝিমিয়ে পড়া কমিটি ও রয়েছে দলিও কোন্দল। একটিও সভা করতে পারেনি চলমান ওই কমিটি। মেয়াদ উর্ত্তীণ ওই কমিটির জন্য তৈরি হচ্ছিল যত দ্বন্ধ। এই নিয়ে দলের প্রাণ তৃণমূলের ক্ষোভের শেষ ছিলনা। দলের ঝিমিড়ে পড়া কর্যক্রম দেখে তারা দাবি তোলেন নতুন কমিটির। আর দাবি ক্রমেই বিরাট আকার ধারণ করে। দীর্ঘদিন পরেও হলে তাদের দাবি পৌছেছে কেন্দ্রীয় কমিটিতে। কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ তাদের এমন দাবির প্রয়োজনীয়তা মনে করে দলের সাংগঠনিক কাজের অগ্রগতি কথা চিন্তা করে তারা এ ব্যাপারে উদ্দ্যোগী হন। তারা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে আলোচনার জন্য ১২ মার্চ মৌলভীবাজার জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দকে ঢাকায় তলব করেন। দলের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কর্মকান্ড উজ্জীবিত করতে ২০ মে জেলা সম্মেলনের নির্দেশ দেন। কিন্তু ওই নির্ধারিত তারিখে জেলা সম্মেলন হয়নি। এর পর তারিখ নির্ধারণ করা হয় ১১ অক্টোবর কিন্তু সে তারিখে সম্মেলন হয়নি আর তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে। তবে জেলা কমিটির অনেকেই বলেন সম্মেলনের জন্য যে তারিখ গুলো ছিল মৌখিক নির্দেশনা। আর ২৮ অক্টোবরের সম্মেলনের তারিখ কেন্দ্রীয় কমিটির লিখিত সিন্ধান্ত। তাই এখান থেকে আর পেছানোর সুযোগ নেই।
দলীয় সূত্রে; দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ৩ বছর পর দলের ও জেলা ও উপজেলার কমিটি গঠনের কথা থাকলেও মৌলভীবাজারে ঘটে তার উল্টা। সে সময়ে কাউন্সিল অনুষ্টানে ৪ বছর পর মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন পায়। জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ সভাপতি ও নেছার আহমদকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত ৭১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটি কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন পায়। ২০০৬ সালের ৭ জুলাই মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্টান ৪ বছর ২ মাস ৯ দিন পর প্রস্তাবিত ৭১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটির অনুমোদনের পর কার্যরত দুটি শক্তিতে বিভিক্ত হয়ে পড়ে জেলা আওয়ামীলীগ।
প্রয়াত মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলী গ্রুপ ও সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ গ্রুপ। এই দুই শক্তিধর গ্রুপের বাহিরে ছিল আরো কয়েটি ইপ গ্রুপ। তবে এই দুই শক্তিধর গ্রুপের মত তার ততটা প্রকাশ্য ছিলনা।
জানা যায় এপর্যন্ত ৯টি সাংগঠনিক শাখার মধ্যে শুধু বড়লেখা উপজেলায় নতুন কমিটি গঠন হয়েছিল অন্যান্য উপজেলায় ও শাখায় কমিটি গঠন করা হয়নি। তবে নেতাকর্মীরা আশাবাদী নতুন জেলা কমিটি উপজেলা ও শাখা গুলোর সম্মেলন ও কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব উপহার দিয়ে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম গুলো আরো সুসংগঠিত করবেন। দলেন একাধিক নেতা কর্মীদের সাথে বিডিটোয়েন্টিফোর লাইভের কথা হলে তার বলেন আমরা কেন্দ্রীয় কমিটির এমন সিন্ধান্তকে স্বাগতম জানাই। দলের অগ্রগতির জন্য নতুন কমিটি খুবই প্রয়োজন ছিল।

ledars copy
অনুসন্ধানে ২৮ অক্টোবর কাউন্সিলে প্রার্থী হিসাবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে দলের নেতাকর্মীদের মুখে যাদের নাম শোভা পাচ্ছে। তারা হলেন সভাপতি পদে; মো; ফিরুজ,নেছার আহমদ,অধ্যাপক রফিক আহমদ,উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ,মুহিবুর রহমান তরফদার,সৈয়দ বজললুল করিম,মো: শাহাব উদ্দিন আহমদ।
সাধারণ সম্পাদক পদে; মো: ফজলুর রহমান,সৈয়দ মফচ্ছির আলী,মো; কামাল হোসেন,মসুদ আহমদ,মিছবাউর রহমান,এম এ রহিম (সিআইপি),আব্দুল মালেক তরফদার সুয়েব,সাইফুর রহমান বাবলু,ভিপি আব্দুল মতিন।
দলের নেতাকর্মীরা বলেন সম্মেলনের তারিখ ঘোষনার পর থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীরা বিরামহীন ভাবে লবিং করে যাচ্ছেন। কখন ও ঢাকায় কখনও উপজেলা ও তৃণমূলের সকল কর্মীদের নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে জোর লবিং করে যাচ্ছেন।

বদরুল আলম চৌধুরী

Facebook Comments


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর





logo copy

Editor-In-Chief & Agrodristi Group’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor-in-Chief at Health Affairs : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Head Office: Jeleeb al shouyoukh
Mahrall complex , Mezzanine floor, Office No: 14
Po.box No: 41260, Zip Code: 85853
KUWAIT
Phone : +965 65535272

Dhaka Office : 69/C, 6th Floor, Panthopath,
Dhaka, Bangladesh.
Phone : +8801733966556 / +8801920733632

For News :
agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com