Menu |||

শ্রীমঙ্গল উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

FB_IMG_1503399682760-900x500

বিশেষ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) পৌর শহরের জালালীয়া সড়কের একটি গেস্ট হাউসে এ ঘটনাটি ঘটে।

ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রীর বাবা মো.ওয়াছিল ওরফে কালা মিয়া শনিবার (১৯ আগস্ট) রাতে এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

তারা হলো-পৌর শহরের জালালীয়া রোডের বাসিন্দা বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো.সাদ্দাম (২৫), শহরতলীর রামনগর বস্তির সিদ্দেক মিয়ার ছেলে শাহীন মিয়া(২২), একই এলাকার মৃত আনোয়ার মিয়ার ছেলে মো.ওয়াহিদ মিয়া(২২) ও সিন্দুরখাঁন রোডের বিল্লাল মিয়ার ছেলে ইউসুফ মিয়া(২৫)।

শ্রীমঙ্গল থানার ওসি কেএম নজরুল ইসলাম জানান,রোববার বিকেলে মামলার ১নম্বর আসামি মো. সাদ্দাম স্বেচ্ছায় থানায় আত্মসমর্পণ করেছে।

ওসি বলেন,সাদ্দাম থানায় এসে বলে,পুলিশ আমাকে খোঁজে কিতার লাগি?’ জানাই তোমার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। তখন সে বলে, ‘মেয়ের সাথে আমার প্রেম ছিল। ওই স্কুল ছাত্রী ঘটনারদিন বিকেলে রামনগর বস্তির নীলকণ্ঠ চা কেবিনের সংলগ্ন রাবার বাগানে আমাকে ডেকে নিয়ে তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। আমি বলছি আমার এখন বয়স হয়নি। পরে আমি তাকে দুইটা চড় দিয়েছি। এরপর মেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে। আমিও ফালাই দিয়ে চলে আসি’।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাদ্দাম পেশায় একজন মোবাইল মেকার। শহরের মক্কা সুপার মার্কেটে একটি দোকানে কাজ করে।

এদিকে ধর্ষকের দাবি,ওই মেয়ের সঙ্গে তার প্রেম ছিল। ধর্ষণের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। মামলার পুরো এজহার মিথ্যা ও বানোয়াট।

মামলার লিখিত এজাহারে কালা মিয়া উল্লেখ করেন, ‘তার মেয়ের বয়স ১৭ বৎসর। ঘটনার দিন ১৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টারদিকে মেয়ের মা কুলসুমা বেগমসহ সাইটুলা গ্রামে নানা বাড়ি থেকে বাসায় আসার পথে কালীঘাট সড়কের ফুলছড়া রাস্তার মুখে আমার মেয়েকে জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়। এরপর উল্লেখিত আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জালালিয়া সড়কের একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে বখাটে সাদ্দাম ধর্ষণ করে। এতে সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তারা তাকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে রেখে চলে যায়। এরই মধ্যে আমার স্ত্রীর মোবাইলে কে বা কারা কল দিয়ে জানায় আমার মেয়ে হাসপাতালে আছে। এ খবর শুনে আমি দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমার মেয়ে চিকিৎসাধীন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসার একদিন পর আমার মেয়ের জ্ঞান ফিরলে বিস্তারিত ঘটনা জানায়।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী পুলিশের উপ-পরিদর্শক অনিক বড়ুয়া বলেন, ‘‘রোববার সন্ধ্যায় মৌলভীবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট ২ নম্বর আমলি আদালতে ভিকটিমের জবানবন্দী নেয়া হয়। সে এখন সুস্থ রয়েছে। খাওয়া দাওয়া হাঁটাচলা করতে পারছে।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» চট্টগ্রাম আবাহনীর টানা তৃতীয় জয়

» উ. কোরিয়া-চীনের ১৩ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

» ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সেনাসহ নিহত দুই

» সরকারকে ‘জোর’ করে সরাতে চান ফখরুল

» বিশ্বের তৃতীয় সৎ সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা

» পদ্মা সেতু প্রকল্পের ৪৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে : সেতু মন্ত্রী

» মৃত্যুকে হাতের মুঠোয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

» দুটি বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি

» রসিক নির্বাচনের সম্ভাব্য ব্যয় ৩ কোটি টাকা

» পদত্যাগ করেছেন মুগাবে, নেচে-গেয়ে জনতার উল্লাস



logo copy

Editor-In-Chief & Agrodristi Group’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor-in-Chief at Health Affairs : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

শ্রীমঙ্গল উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

FB_IMG_1503399682760-900x500

বিশেষ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) পৌর শহরের জালালীয়া সড়কের একটি গেস্ট হাউসে এ ঘটনাটি ঘটে।

ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রীর বাবা মো.ওয়াছিল ওরফে কালা মিয়া শনিবার (১৯ আগস্ট) রাতে এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

তারা হলো-পৌর শহরের জালালীয়া রোডের বাসিন্দা বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো.সাদ্দাম (২৫), শহরতলীর রামনগর বস্তির সিদ্দেক মিয়ার ছেলে শাহীন মিয়া(২২), একই এলাকার মৃত আনোয়ার মিয়ার ছেলে মো.ওয়াহিদ মিয়া(২২) ও সিন্দুরখাঁন রোডের বিল্লাল মিয়ার ছেলে ইউসুফ মিয়া(২৫)।

শ্রীমঙ্গল থানার ওসি কেএম নজরুল ইসলাম জানান,রোববার বিকেলে মামলার ১নম্বর আসামি মো. সাদ্দাম স্বেচ্ছায় থানায় আত্মসমর্পণ করেছে।

ওসি বলেন,সাদ্দাম থানায় এসে বলে,পুলিশ আমাকে খোঁজে কিতার লাগি?’ জানাই তোমার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। তখন সে বলে, ‘মেয়ের সাথে আমার প্রেম ছিল। ওই স্কুল ছাত্রী ঘটনারদিন বিকেলে রামনগর বস্তির নীলকণ্ঠ চা কেবিনের সংলগ্ন রাবার বাগানে আমাকে ডেকে নিয়ে তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। আমি বলছি আমার এখন বয়স হয়নি। পরে আমি তাকে দুইটা চড় দিয়েছি। এরপর মেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে। আমিও ফালাই দিয়ে চলে আসি’।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাদ্দাম পেশায় একজন মোবাইল মেকার। শহরের মক্কা সুপার মার্কেটে একটি দোকানে কাজ করে।

এদিকে ধর্ষকের দাবি,ওই মেয়ের সঙ্গে তার প্রেম ছিল। ধর্ষণের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। মামলার পুরো এজহার মিথ্যা ও বানোয়াট।

মামলার লিখিত এজাহারে কালা মিয়া উল্লেখ করেন, ‘তার মেয়ের বয়স ১৭ বৎসর। ঘটনার দিন ১৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টারদিকে মেয়ের মা কুলসুমা বেগমসহ সাইটুলা গ্রামে নানা বাড়ি থেকে বাসায় আসার পথে কালীঘাট সড়কের ফুলছড়া রাস্তার মুখে আমার মেয়েকে জোর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে চলে যায়। এরপর উল্লেখিত আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জালালিয়া সড়কের একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে বখাটে সাদ্দাম ধর্ষণ করে। এতে সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তারা তাকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে রেখে চলে যায়। এরই মধ্যে আমার স্ত্রীর মোবাইলে কে বা কারা কল দিয়ে জানায় আমার মেয়ে হাসপাতালে আছে। এ খবর শুনে আমি দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমার মেয়ে চিকিৎসাধীন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসার একদিন পর আমার মেয়ের জ্ঞান ফিরলে বিস্তারিত ঘটনা জানায়।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী পুলিশের উপ-পরিদর্শক অনিক বড়ুয়া বলেন, ‘‘রোববার সন্ধ্যায় মৌলভীবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট ২ নম্বর আমলি আদালতে ভিকটিমের জবানবন্দী নেয়া হয়। সে এখন সুস্থ রয়েছে। খাওয়া দাওয়া হাঁটাচলা করতে পারছে।

Facebook Comments


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর





logo copy

Editor-In-Chief & Agrodristi Group’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor-in-Chief at Health Affairs : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Head Office: Jeleeb al shouyoukh
Mahrall complex , Mezzanine floor, Office No: 14
Po.box No: 41260, Zip Code: 85853
KUWAIT
Phone : +965 65535272

Dhaka Office : 69/C, 6th Floor, Panthopath,
Dhaka, Bangladesh.
Phone : +8801733966556 / +8801920733632

For News :
agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com