Menu |||

শাওয়ালের ছয় রোযা: সারা বছর রোযার সাওয়াব পাবার সুবর্ণ এক সুযোগ !

শাওয়ালের ছয় রোযা: সারা বছর রোযার সাওয়াব পাবার সুবর্ণ এক সুযোগ !

ধর্ম ও দর্শন ডেস্ক : প্রতিটি মুসলমানের উপর কর্তব্য হল, তারা সর্বদা সৎ কাজের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং সকল সময় আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করবে। ইবাদতের মাধ্যমেই আত্মশুদ্ধি অর্জন করা সম্ভব। প্রতিটি মানুষ যার যার আনুগত্যের পরিমান অনুসারেই তার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে পক্ষান্তরে যার যার অন্যায় ও অপরাধ অনুসারেই আত্মাকে করে কলুষিত। আর এই কারণেই ইবাদত কারীদের অন্তর অধিক নরম এবং তারা সংশোধনশীল ব্যক্তি। অপরপক্ষে পাপীদের অন্তর কঠোরতা সম্পন্ন এবং তারা অধিক ফাসাদকারী। রোযা ঐ সমস্ত ইবাদত সমূহের অন্যতম যা দ্বারা অন্তরকে খারাপ, অন্যায় ও নিকৃষ্টবস্তু থেকে পবিত্র রাখা যায় এবং অন্তরের ব্যাধিকে দূরীভূত করার অন্যতম মাধ্যম। একারণে রামাযান মাস হল পর্যালোচনার একটি মাস এবং আত্মাকে কলুষতা থেকে মুক্ত করার একটি মাস। এই মহান উপকারিতা যা রোযাদার ব্যক্তি রোযার মাধ্যমে অর্জন করে রোযার শেষে এক নতুন অন্তকরণ নিয়ে অবস্তুান করতে সক্ষম হয়। রামাযান মাস শেষে শাওয়ালের ছয় রোযা অন্তর পবিত্র রাখার একটি সুবর্ণ সুযোগ।

শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখার মর্যাদা:

রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীদের শাওয়াল মাসের এই ছয় রোযা রাখার প্রতি উৎসাহ দিতেন। তিনি বলেছেনঃ
مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ
“যে ব্যক্তি রামাযান মাসের রোযা রাখলো অতঃপর শাওয়াল মাসের ছয় রোযাও রাখল ঐ ব্যক্তি যেন সারা বছরই রোযা রাখল। (মুসলিম) এ হাদীসের ব্যাখ্যায় ইমাম নববী (রঃ) বলেন, আলেম সম্প্রদায় বলেন, “এই ছয় রোযাকে পূরো এক বছরের রোযার সাওয়াবের পর্যায়ভূক্ত করা হয়েছে এই জন্য যে, বান্দার প্রতিটি ভাল আমলকে আল্লাহ তায়ালা দশগুন সাওয়াব দান করেন। এ হিসেবে রামাযান মাসের রোযা দশ মাসের সাওয়াব এবং এই ছয় রোযা দুমাসের সাওয়াবের অন্তর্ভূক্ত মনে করা হয়।
হাফেয ইব্নু রজব (রঃ) ইব্নু মোবারক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “শাওয়াল মাসের ছয় রোযা রামাযান মাসের রোযার সাওয়াবের সমতুল্য। এ হিসেবে যে কেউ এ ছয় রোযা রাখবে সে ফরয রোযার সাওয়াব পাবে ।”

শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখার উপকারীতা:

রামাযান মাস চলে যাওয়ার পর রোযা চালু রাখার মধ্যেই রয়েছে বহুবিধ উপকারিতা। এই উপকারিতা তারাই লাভ করবে যারা শাওয়াল মাসের রোযা রাখবে। নিম্নে উহার কতিপয় উপকারিতা উল্লেখ করা হলঃ

১) যে ব্যক্তি রামাযান মাসের রোযা পূর্ণ করবে এবং শাওয়াল মাসের ছয় রোযা রাখবে সে পূর্ণ এক বছরের রোযার সাওয়াব পাবে।
২) শাওয়াল মাসের ছয় রোযা এবং শাবানের রোযা রাখা হলো ফরয নামাযের আগে ও পরে সুন্নাত নামাযের মত। ফরয ইবাদতে যে সমস্ত ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে যায় তা নফলের মাধ্যমে পূর্ণতা লাভ করে। অনুরূপ ভাবে রামাযানের রোযা পালন করতে গিয়ে ভুল-ত্রুটি হলে শাওয়ালের এছয়টি রোযা পালনের মাধ্যমে তাকে পূর্ণতা দেয়া হয়। কেননা অধিকাংশ মানুষকেই লক্ষ্য করা যায় তাদের রোযাতে ভুল-ত্রুটি রয়েছে এবং কিয়ামতে যখন ফরয দ্বারা তার হিসাব পূর্ণ হবে না তখন নফল দ্বারা তা পূর্ণ করা হবে।
৩) রামাযান মাসের পর শাওয়াল মাসের রোযা রাখা হলো রামাযান মাসের রোযা কবুল হওয়ার আলামত। কেননা আল্লাহ যখন কোন ভাল আমল কবুল করেন তখন পরবর্তীতে তাকে আরো ভাল আমল করার তাওফীক দান করেন।

রামাযানের কাযা রোযা পূরণের পর শাওয়ালের রোযা:

রামাযান মাসের কাযা রোযাকে শাওয়ালের রোযা এবং অন্যান্য নফল রোযার উপর প্রাধান্য দিতে হবে । কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ
“যে ব্যক্তি রামাযান মাসের রোযা রাখবে অতঃপর শাওয়াল মাসের ছয় রোযা রাখবে সে যেন সারা বছরই রোযা রাখলো।” (মুসলিম)
সুতরাং যে ব্যক্তি রামাযানের কাযা রোযা আদায়ের পূর্বে শাওয়ালের রোযা প্রাধান্য দিবে সে এ হাদীসের অন্তর্ভূক্ত নয়।

কেননা হাদীসের ভাষ্য হল, যে ব্যক্তি রামাযানের রোযা রাখলো অতঃপর শাওয়ালের রোযা রাখল। রামাযান মাসের রোযা হল ফরয আর শাওয়ালের ছয় রোযা হল নফল, সুতরাং ফরয এর গুরুত্ব অপরিসীম।
শাওয়ালের রোযা কি রামাযান শেষ হওয়ার সাথে সাথে শুরু করতে হবে?
শাওয়ালের ছয় রোযা কি রামাযান মাসের পর পরই রাখতে হবে নাকি কিছু দিন পর রাখলেও তাতে কোন সমস্যা নেই ? উত্তরে বলা যায় : রামাযান মাস শেষ হওয়ার একদিন, দু দিন বা কয়েক দিন পর শুরু করাতে কোন প্রকার অসুবিধা নেই। ধারাবাহিকভাবে রাখতে পারবে বা বিছিন্ন ভাবে রাখতে পারবে। তবে শাওয়াল মাসের মধ্যেই রাখতে হবে।

পরিশেষে বলা যায় :

প্রত্যেক মুসলমানের অধিকরূপে ভাল আমল করার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের চেষ্টা করা উচিৎ। প্রত্যেক মুসলমান দ্বীন ও দুনিয়ার কল্যাণমূলক কাজের চেষ্টা ও সাধনা করবে। ভাল কাজের উক্ত সময়টি দ্রুত চলে যাচ্ছে, তাই এই সময়গুলোকে মূল্যবান মনে করে অধিক সাওয়াব ও সেই সাথে ভাল কাজের জন্য আল্লাহর কাছে বেশী বেশী দোয়া করা সকলের কর্তব্য। আল্লাহ পাকের কাছে কামনা করি তিনি যেন আমাদের উত্তম কর্ম সম্পাদনের শক্তি দেন এবং তাঁর দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার পূর্ণ তাওফীক দান করেন। আমীন !!!

মোস্তফা কবীর সিদ্দিকী
লেখক, গবেষক, প্রাবন্ধিক

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» চট্টগ্রাম আবাহনীর টানা তৃতীয় জয়

» উ. কোরিয়া-চীনের ১৩ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

» ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সেনাসহ নিহত দুই

» সরকারকে ‘জোর’ করে সরাতে চান ফখরুল

» বিশ্বের তৃতীয় সৎ সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা

» পদ্মা সেতু প্রকল্পের ৪৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে : সেতু মন্ত্রী

» মৃত্যুকে হাতের মুঠোয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি: প্রধানমন্ত্রী

» দুটি বিলে রাষ্ট্রপতির সম্মতি

» রসিক নির্বাচনের সম্ভাব্য ব্যয় ৩ কোটি টাকা

» পদত্যাগ করেছেন মুগাবে, নেচে-গেয়ে জনতার উল্লাস



logo copy

Editor-In-Chief & Agrodristi Group’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor-in-Chief at Health Affairs : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

শাওয়ালের ছয় রোযা: সারা বছর রোযার সাওয়াব পাবার সুবর্ণ এক সুযোগ !

শাওয়ালের ছয় রোযা: সারা বছর রোযার সাওয়াব পাবার সুবর্ণ এক সুযোগ !

ধর্ম ও দর্শন ডেস্ক : প্রতিটি মুসলমানের উপর কর্তব্য হল, তারা সর্বদা সৎ কাজের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং সকল সময় আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করবে। ইবাদতের মাধ্যমেই আত্মশুদ্ধি অর্জন করা সম্ভব। প্রতিটি মানুষ যার যার আনুগত্যের পরিমান অনুসারেই তার আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে পক্ষান্তরে যার যার অন্যায় ও অপরাধ অনুসারেই আত্মাকে করে কলুষিত। আর এই কারণেই ইবাদত কারীদের অন্তর অধিক নরম এবং তারা সংশোধনশীল ব্যক্তি। অপরপক্ষে পাপীদের অন্তর কঠোরতা সম্পন্ন এবং তারা অধিক ফাসাদকারী। রোযা ঐ সমস্ত ইবাদত সমূহের অন্যতম যা দ্বারা অন্তরকে খারাপ, অন্যায় ও নিকৃষ্টবস্তু থেকে পবিত্র রাখা যায় এবং অন্তরের ব্যাধিকে দূরীভূত করার অন্যতম মাধ্যম। একারণে রামাযান মাস হল পর্যালোচনার একটি মাস এবং আত্মাকে কলুষতা থেকে মুক্ত করার একটি মাস। এই মহান উপকারিতা যা রোযাদার ব্যক্তি রোযার মাধ্যমে অর্জন করে রোযার শেষে এক নতুন অন্তকরণ নিয়ে অবস্তুান করতে সক্ষম হয়। রামাযান মাস শেষে শাওয়ালের ছয় রোযা অন্তর পবিত্র রাখার একটি সুবর্ণ সুযোগ।

শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখার মর্যাদা:

রাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীদের শাওয়াল মাসের এই ছয় রোযা রাখার প্রতি উৎসাহ দিতেন। তিনি বলেছেনঃ
مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ
“যে ব্যক্তি রামাযান মাসের রোযা রাখলো অতঃপর শাওয়াল মাসের ছয় রোযাও রাখল ঐ ব্যক্তি যেন সারা বছরই রোযা রাখল। (মুসলিম) এ হাদীসের ব্যাখ্যায় ইমাম নববী (রঃ) বলেন, আলেম সম্প্রদায় বলেন, “এই ছয় রোযাকে পূরো এক বছরের রোযার সাওয়াবের পর্যায়ভূক্ত করা হয়েছে এই জন্য যে, বান্দার প্রতিটি ভাল আমলকে আল্লাহ তায়ালা দশগুন সাওয়াব দান করেন। এ হিসেবে রামাযান মাসের রোযা দশ মাসের সাওয়াব এবং এই ছয় রোযা দুমাসের সাওয়াবের অন্তর্ভূক্ত মনে করা হয়।
হাফেয ইব্নু রজব (রঃ) ইব্নু মোবারক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: “শাওয়াল মাসের ছয় রোযা রামাযান মাসের রোযার সাওয়াবের সমতুল্য। এ হিসেবে যে কেউ এ ছয় রোযা রাখবে সে ফরয রোযার সাওয়াব পাবে ।”

শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখার উপকারীতা:

রামাযান মাস চলে যাওয়ার পর রোযা চালু রাখার মধ্যেই রয়েছে বহুবিধ উপকারিতা। এই উপকারিতা তারাই লাভ করবে যারা শাওয়াল মাসের রোযা রাখবে। নিম্নে উহার কতিপয় উপকারিতা উল্লেখ করা হলঃ

১) যে ব্যক্তি রামাযান মাসের রোযা পূর্ণ করবে এবং শাওয়াল মাসের ছয় রোযা রাখবে সে পূর্ণ এক বছরের রোযার সাওয়াব পাবে।
২) শাওয়াল মাসের ছয় রোযা এবং শাবানের রোযা রাখা হলো ফরয নামাযের আগে ও পরে সুন্নাত নামাযের মত। ফরয ইবাদতে যে সমস্ত ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে যায় তা নফলের মাধ্যমে পূর্ণতা লাভ করে। অনুরূপ ভাবে রামাযানের রোযা পালন করতে গিয়ে ভুল-ত্রুটি হলে শাওয়ালের এছয়টি রোযা পালনের মাধ্যমে তাকে পূর্ণতা দেয়া হয়। কেননা অধিকাংশ মানুষকেই লক্ষ্য করা যায় তাদের রোযাতে ভুল-ত্রুটি রয়েছে এবং কিয়ামতে যখন ফরয দ্বারা তার হিসাব পূর্ণ হবে না তখন নফল দ্বারা তা পূর্ণ করা হবে।
৩) রামাযান মাসের পর শাওয়াল মাসের রোযা রাখা হলো রামাযান মাসের রোযা কবুল হওয়ার আলামত। কেননা আল্লাহ যখন কোন ভাল আমল কবুল করেন তখন পরবর্তীতে তাকে আরো ভাল আমল করার তাওফীক দান করেন।

রামাযানের কাযা রোযা পূরণের পর শাওয়ালের রোযা:

রামাযান মাসের কাযা রোযাকে শাওয়ালের রোযা এবং অন্যান্য নফল রোযার উপর প্রাধান্য দিতে হবে । কেননা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
مَنْ صَامَ رَمَضَانَ ثُمَّ أَتْبَعَهُ سِتًّا مِنْ شَوَّالٍ كَانَ كَصِيَامِ الدَّهْرِ
“যে ব্যক্তি রামাযান মাসের রোযা রাখবে অতঃপর শাওয়াল মাসের ছয় রোযা রাখবে সে যেন সারা বছরই রোযা রাখলো।” (মুসলিম)
সুতরাং যে ব্যক্তি রামাযানের কাযা রোযা আদায়ের পূর্বে শাওয়ালের রোযা প্রাধান্য দিবে সে এ হাদীসের অন্তর্ভূক্ত নয়।

কেননা হাদীসের ভাষ্য হল, যে ব্যক্তি রামাযানের রোযা রাখলো অতঃপর শাওয়ালের রোযা রাখল। রামাযান মাসের রোযা হল ফরয আর শাওয়ালের ছয় রোযা হল নফল, সুতরাং ফরয এর গুরুত্ব অপরিসীম।
শাওয়ালের রোযা কি রামাযান শেষ হওয়ার সাথে সাথে শুরু করতে হবে?
শাওয়ালের ছয় রোযা কি রামাযান মাসের পর পরই রাখতে হবে নাকি কিছু দিন পর রাখলেও তাতে কোন সমস্যা নেই ? উত্তরে বলা যায় : রামাযান মাস শেষ হওয়ার একদিন, দু দিন বা কয়েক দিন পর শুরু করাতে কোন প্রকার অসুবিধা নেই। ধারাবাহিকভাবে রাখতে পারবে বা বিছিন্ন ভাবে রাখতে পারবে। তবে শাওয়াল মাসের মধ্যেই রাখতে হবে।

পরিশেষে বলা যায় :

প্রত্যেক মুসলমানের অধিকরূপে ভাল আমল করার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভের চেষ্টা করা উচিৎ। প্রত্যেক মুসলমান দ্বীন ও দুনিয়ার কল্যাণমূলক কাজের চেষ্টা ও সাধনা করবে। ভাল কাজের উক্ত সময়টি দ্রুত চলে যাচ্ছে, তাই এই সময়গুলোকে মূল্যবান মনে করে অধিক সাওয়াব ও সেই সাথে ভাল কাজের জন্য আল্লাহর কাছে বেশী বেশী দোয়া করা সকলের কর্তব্য। আল্লাহ পাকের কাছে কামনা করি তিনি যেন আমাদের উত্তম কর্ম সম্পাদনের শক্তি দেন এবং তাঁর দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার পূর্ণ তাওফীক দান করেন। আমীন !!!

মোস্তফা কবীর সিদ্দিকী
লেখক, গবেষক, প্রাবন্ধিক

Facebook Comments


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর





logo copy

Editor-In-Chief & Agrodristi Group’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor-in-Chief at Health Affairs : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Head Office: Jeleeb al shouyoukh
Mahrall complex , Mezzanine floor, Office No: 14
Po.box No: 41260, Zip Code: 85853
KUWAIT
Phone : +965 65535272

Dhaka Office : 69/C, 6th Floor, Panthopath,
Dhaka, Bangladesh.
Phone : +8801733966556 / +8801920733632

For News :
agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com