Menu |||

লন্ডন অগ্নিকান্ড: মৃতের সংখ্যা ৫৮, চাপের মুখে সরকার

_96533488__96519074_c219358f-fb01-423b-9fa2-880cf732cdd8

লন্ডনের বুধবার ভোরে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকান্ডের যে ঘটনায় অন্তত ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে এখন বলা হচ্ছে – তার ব্যাপারে যথাযথভাবে সাড়া দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ব্রিটেনে সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ ও ক্রোধ ক্রমশই বাড়ছে।

এই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের শিকারদের যখাযখভাবে সহায়তা দিতে পারেননি বলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে।

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের সময়মত সাহায্য করতে ব্যর্থ হবার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

আজ দ্বিতীয় দিনের মতো লন্ডনে ডাউনিং স্ট্রীটের সামনে প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে।

পুলিশের একজন মুখপাত্র আজ বলেছেন, অগ্নিকান্ডের পর কেনসিংটন এলাকায় গ্রেনফেল টাওয়ারের অন্তত ৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছে এবং মনে করা হচ্ছে তারা সবাই মারা গেছে। তিনি বলেন, এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে, এবং অনুসন্ধানকাজ শেষ হতে কয়েক সপ্তাহ লাগবে।

_96532794__96531095_hi040095708-1

প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে আজ ডাউনিং স্ট্রিটে অগ্নিকান্ডের শিকার ও ত্রাণকর্মীদের সাথে এক বৈঠকর পর স্বীকার করেছেন, ঘটনার পর দুর্গত লোকদের সহায়তা ও তথ্য দেবার ক্ষেত্রে যা করা হয়েছে তা যথেষ্ট ছিল না। তিনি তিন সপ্তাহের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সবার কাছাকাছি এলাকায় বাড়ির ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন।

বিক্ষোভকারীরা এই ঘটনাকে দেখছেন সমাজের দরিদ্রদের প্রতি ধনী এবং ক্ষমতাবানদের অবহেলা এবং উদাসীনতার এক চরম নজির হিসেবে, গ্রেনফেল টাওয়ারের বাসিন্দারা যার মূল্য দিয়েছেন আগুনে পুড়ে মৃত্যুর মাধ্যমে।

গতকালের বিক্ষোভের মূল টার্গেট ছিলেন মূলত প্রধানমন্ত্রী টেরেজা মে এবং তার দল ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি।

তারা দশ নম্বর ডাউনিং স্ট্রীট, কেনসিংটন টাউন হল এবং বিবিসির সদর দফতরের সামনে এসে বিক্ষোভ করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই এলাকার বহু লোকের ক্রুদ্ধ বক্তব্য এবং সাক্ষাতকার দেখা যা্ছে – যারা অত্যন্ত ক্রুদ্ধ ভাষায় তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও ক্ষমতাবানদের অবজ্ঞার অভিযোগ করছেন।

টেরিজা মে এই ঘটনার শিকার মানুষদের জন্য যথেষ্ট সহমর্মিতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে দু’দিনের একটানা অভিযোগের পর দূর্গতদের জন্য পঞ্চাশ লাখ পাউন্ড বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন।

_96532796__96531098_hi040103037

কিন্তু তাতে ক্ষোভ বা সমালোচনা থামার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

এরকম এক পটভূমিতে আজ রাণী এলিজাবেথ তার জন্মদিনে এক বিবৃতি দিয়ে এই ঘটনার পর ব্রিটেন যে দুঃসময় অতিক্রম করছে তা স্মরণ করেছেন।

বিবিসির সংবাদদাতা বলছেন, বিক্ষোভকারীরা যদিও এখনো পর্যন্ত রাজপরিবারের বিরুদ্ধে কোন কথা বলেনি, কিন্তু সামনে যে এ নিয়ে অসন্তোষ আরও বাড়বে, সেব্যাপারে তারা সচেতন।

সে কারণেই হয়তো, কোন রাজনৈতিক ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও রাণী এই বিবৃতি দিয়ে ঐক্যের ডাক দিতে চেয়েছেন।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» আমাকে জন্মগত ভাবে পঙ্গু বলে মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করা হচ্ছে

» সুস্থ আছে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধারকৃত নবজাতক

» জাতীয় পার্টি ছাড়া কেউ ক্ষমতায় যেতে পারবে না: এরশাদ

» দায়িত্ব পেলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বহুগুণ বাড়ানো হবে : নয়া প্রতিরক্ষামন্ত্রী

» বার্সেলোনাকে হারিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপ জিতল রিয়াল মাদ্রিদ

» ভারত ভাগের ৭০ বছর: আহমদিয়া সম্প্রদায়ের স্বপ্নভঙ্গ

» লোম্বারদিয়া আ’লীগের উদ্যোগে মিলানে ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালিত

» জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ

» আমার পতাকা, আমার পরিচয়- ফারহানা মোবিন

» রাজনগরে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি প্রতিবাদে মানববন্ধন



logo copy

Chief Editor & Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Adviser : Abadul Haque (Teacher)

Editor of Health Analyzer : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

News Editor : Mirza Emam

Publicity and Publication Editor : Bodrul H. Jusef

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor Sylhet Desk : B.A. Chowdhury

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

লন্ডন অগ্নিকান্ড: মৃতের সংখ্যা ৫৮, চাপের মুখে সরকার

_96533488__96519074_c219358f-fb01-423b-9fa2-880cf732cdd8

লন্ডনের বুধবার ভোরে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকান্ডের যে ঘটনায় অন্তত ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে এখন বলা হচ্ছে – তার ব্যাপারে যথাযথভাবে সাড়া দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ব্রিটেনে সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ ও ক্রোধ ক্রমশই বাড়ছে।

এই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের শিকারদের যখাযখভাবে সহায়তা দিতে পারেননি বলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে।

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের সময়মত সাহায্য করতে ব্যর্থ হবার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

আজ দ্বিতীয় দিনের মতো লন্ডনে ডাউনিং স্ট্রীটের সামনে প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে।

পুলিশের একজন মুখপাত্র আজ বলেছেন, অগ্নিকান্ডের পর কেনসিংটন এলাকায় গ্রেনফেল টাওয়ারের অন্তত ৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছে এবং মনে করা হচ্ছে তারা সবাই মারা গেছে। তিনি বলেন, এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে, এবং অনুসন্ধানকাজ শেষ হতে কয়েক সপ্তাহ লাগবে।

_96532794__96531095_hi040095708-1

প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে আজ ডাউনিং স্ট্রিটে অগ্নিকান্ডের শিকার ও ত্রাণকর্মীদের সাথে এক বৈঠকর পর স্বীকার করেছেন, ঘটনার পর দুর্গত লোকদের সহায়তা ও তথ্য দেবার ক্ষেত্রে যা করা হয়েছে তা যথেষ্ট ছিল না। তিনি তিন সপ্তাহের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সবার কাছাকাছি এলাকায় বাড়ির ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন।

বিক্ষোভকারীরা এই ঘটনাকে দেখছেন সমাজের দরিদ্রদের প্রতি ধনী এবং ক্ষমতাবানদের অবহেলা এবং উদাসীনতার এক চরম নজির হিসেবে, গ্রেনফেল টাওয়ারের বাসিন্দারা যার মূল্য দিয়েছেন আগুনে পুড়ে মৃত্যুর মাধ্যমে।

গতকালের বিক্ষোভের মূল টার্গেট ছিলেন মূলত প্রধানমন্ত্রী টেরেজা মে এবং তার দল ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি।

তারা দশ নম্বর ডাউনিং স্ট্রীট, কেনসিংটন টাউন হল এবং বিবিসির সদর দফতরের সামনে এসে বিক্ষোভ করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই এলাকার বহু লোকের ক্রুদ্ধ বক্তব্য এবং সাক্ষাতকার দেখা যা্ছে – যারা অত্যন্ত ক্রুদ্ধ ভাষায় তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও ক্ষমতাবানদের অবজ্ঞার অভিযোগ করছেন।

টেরিজা মে এই ঘটনার শিকার মানুষদের জন্য যথেষ্ট সহমর্মিতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে দু’দিনের একটানা অভিযোগের পর দূর্গতদের জন্য পঞ্চাশ লাখ পাউন্ড বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন।

_96532796__96531098_hi040103037

কিন্তু তাতে ক্ষোভ বা সমালোচনা থামার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

এরকম এক পটভূমিতে আজ রাণী এলিজাবেথ তার জন্মদিনে এক বিবৃতি দিয়ে এই ঘটনার পর ব্রিটেন যে দুঃসময় অতিক্রম করছে তা স্মরণ করেছেন।

বিবিসির সংবাদদাতা বলছেন, বিক্ষোভকারীরা যদিও এখনো পর্যন্ত রাজপরিবারের বিরুদ্ধে কোন কথা বলেনি, কিন্তু সামনে যে এ নিয়ে অসন্তোষ আরও বাড়বে, সেব্যাপারে তারা সচেতন।

সে কারণেই হয়তো, কোন রাজনৈতিক ক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও রাণী এই বিবৃতি দিয়ে ঐক্যের ডাক দিতে চেয়েছেন।

Facebook Comments


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর





logo copy

Chief Editor & Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Adviser : Abadul Haque (Teacher)

Editor of Health Analyzer : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

News Editor : Mirza Emam

Publicity and Publication Editor : Bodrul H. Jusef

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor Sylhet Desk : B.A. Chowdhury

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Head Office: 4th Floor, Kaderi Bulding,
Police Station Road, Abbasia, Kuwait.
Phone : +96566645793 / +96555004954

Dhaka Office : 69/C, 6th Floor, Panthopath,
Dhaka, Bangladesh.
Phone : +8801733966556 / +8801920733632

Sylhet Office : Ground Floor, Kazir Building,
Sylhet Road, Moulvibazar.
Phone : +8801733966556 / +8801790291055

For News :
agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com