Menu |||

রোহিঙ্গারা হারাচ্ছে ৪৫,০০০ একর জমির মালিকানা ও ক্ষেতের পাকা ধান

_98443280_rohingya_crop1

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, মিয়ানমারে সামরিক অভিযানের মুখে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন যেসব রোহিঙ্গা মুসলমান তারা দেশে ফিরতে পারলেও তাদের জমিজমা ও ঘরবাড়ি হারাতে হতে পারে।

এক অনুসন্ধানী রিপোর্টে রয়টার্স বলছে, মিয়ানমার সরকার পরিকল্পনা করছে যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নেয়া হলেও তাদেরকে নিজেদের ঘরদোরে ফিরে যেতে দেওয়া হবে না।

কঠোর সনাক্তকরণের প্রক্রিয়ায় যেসব রোহিঙ্গা উতরাবে, শুধুমাত্র তাদেরকেই সরকারি ব্যবস্থাপনায় অন্যত্র গ্রাম তৈরি করে সেখানে পাঠানো হবে।

রয়টার্সের সাংবাদিকরা এ নিয়ে কয়েক জন সরকারি কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছেন। কিছু সরকারি পরিকল্পনার দলিলও তাদের হাতে এসেছে।

রয়টার্স জামিল আহমেদ নামের একজন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে এবং এই রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে জমির মালিকানা প্রমাণ করার পরও হয়তো মি. আহমেদকে তার নিজের গ্রাম কিউক পান ডু গ্রামে ফিরে যেতে নাও দেয়া পারে।

শরণার্থীরা ফিরে এসে জমির মালিকানা দাবি করতে পারবে কি না, রয়টার্সের এই প্রশ্নে জবাবে রাখাইনের কৃষিমন্ত্রী চিয় লুইন বলেছেন, “এটা নির্ভর করে তাদের ওপর। যাদের নাগরিকত্ব নেই, তাদের জমির মালিকানা নেই।”

মিয়ানমারের নেত্রী অঙ সান সুচি বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন এমন কেউ যদি পরিচয়ের প্রমাণপত্র দেখাতে পারেন, তবে তাদের মিয়ানমারে ফেরত আসতে দেয়া হবে।

রয়টার্স রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন এবং পুনর্বাসনের সাথে জড়িত ছয়জন কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে যেখানে এই পরিকল্পনা সম্পর্কে সরকারি নীতিমালার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

রোহিঙ্গা বাড়িতে আগুন লাগানো শেষ।

মিয়ানমারের সরকারি পরিকল্পনার বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, যারা মিয়ানমারে ফিরে আসবেন প্রাথমিকভাবে তাদের একটা অভ্যর্থনা কেন্দ্রে রাখা হবে।

কর্মকর্তারা বলছেন, এখানে শরণার্থীদের একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে যেখানে ১৬টি পয়েন্ট রয়েছে।

এরপর স্থানীয় প্রশাসনের কাছে রাখা দলিলের মাধ্যমে এদের পরিচয় যাচাই করা হবে।

মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তারা প্রতিবছর রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরের ওপর জরিপ চালিয়েছে এবং রোহিঙ্গাদের ফটো তুলে রেখেছে বলে কর্মকর্তারা জানান।

যেসব শরণার্থীর কাগজপত্র হারিয়ে গেছে, তাদের ছবির সাথে ইমিগ্রেশন বিভাগের ছবি মিলিয়ে দেখা হবে বলে বলছেন মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন এবং জনসংখ্যা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিন্ট চায়ে।

 

সূত্র, বিবিস

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» সৌদি আরব পশ্চিমাঞ্চল বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

» জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেছে ওআইসি

» প্রবাসীদের জীবনের গল্প।

» সিনেমা নির্মাণ হবে সৌদি আরবে

» বেঙ্গল উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত: রেজিস্ট্রেশন শুরু ১৮ ডিসেম্বর

» ‘থার্টি ফার্স্টে বৈধ অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ’

» শেখ হাসিনার দর্শনেই শহর থেকে গ্রামে ইন্টারনেট : পলক

» ডাবল সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক : বিশ্ব রেকর্ড রোহিতের

» সেলফি তুলতে গিয়ে মৃত্যু

» নির্বাচনের ট্রেন কারো জন্য থেমে থাকবে না : ওবায়দুল কাদের



logo copy

Editor-In-Chief & Agrodristi Group’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor-in-Chief at Health Affairs : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

রোহিঙ্গারা হারাচ্ছে ৪৫,০০০ একর জমির মালিকানা ও ক্ষেতের পাকা ধান

_98443280_rohingya_crop1

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, মিয়ানমারে সামরিক অভিযানের মুখে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন যেসব রোহিঙ্গা মুসলমান তারা দেশে ফিরতে পারলেও তাদের জমিজমা ও ঘরবাড়ি হারাতে হতে পারে।

এক অনুসন্ধানী রিপোর্টে রয়টার্স বলছে, মিয়ানমার সরকার পরিকল্পনা করছে যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নেয়া হলেও তাদেরকে নিজেদের ঘরদোরে ফিরে যেতে দেওয়া হবে না।

কঠোর সনাক্তকরণের প্রক্রিয়ায় যেসব রোহিঙ্গা উতরাবে, শুধুমাত্র তাদেরকেই সরকারি ব্যবস্থাপনায় অন্যত্র গ্রাম তৈরি করে সেখানে পাঠানো হবে।

রয়টার্সের সাংবাদিকরা এ নিয়ে কয়েক জন সরকারি কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছেন। কিছু সরকারি পরিকল্পনার দলিলও তাদের হাতে এসেছে।

রয়টার্স জামিল আহমেদ নামের একজন রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছে এবং এই রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে জমির মালিকানা প্রমাণ করার পরও হয়তো মি. আহমেদকে তার নিজের গ্রাম কিউক পান ডু গ্রামে ফিরে যেতে নাও দেয়া পারে।

শরণার্থীরা ফিরে এসে জমির মালিকানা দাবি করতে পারবে কি না, রয়টার্সের এই প্রশ্নে জবাবে রাখাইনের কৃষিমন্ত্রী চিয় লুইন বলেছেন, “এটা নির্ভর করে তাদের ওপর। যাদের নাগরিকত্ব নেই, তাদের জমির মালিকানা নেই।”

মিয়ানমারের নেত্রী অঙ সান সুচি বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন এমন কেউ যদি পরিচয়ের প্রমাণপত্র দেখাতে পারেন, তবে তাদের মিয়ানমারে ফেরত আসতে দেয়া হবে।

রয়টার্স রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন এবং পুনর্বাসনের সাথে জড়িত ছয়জন কর্মকর্তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে যেখানে এই পরিকল্পনা সম্পর্কে সরকারি নীতিমালার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

রোহিঙ্গা বাড়িতে আগুন লাগানো শেষ।

মিয়ানমারের সরকারি পরিকল্পনার বরাত দিয়ে রয়টার্স বলছে, যারা মিয়ানমারে ফিরে আসবেন প্রাথমিকভাবে তাদের একটা অভ্যর্থনা কেন্দ্রে রাখা হবে।

কর্মকর্তারা বলছেন, এখানে শরণার্থীদের একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে যেখানে ১৬টি পয়েন্ট রয়েছে।

এরপর স্থানীয় প্রশাসনের কাছে রাখা দলিলের মাধ্যমে এদের পরিচয় যাচাই করা হবে।

মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্মকর্তারা প্রতিবছর রোহিঙ্গাদের বাড়িঘরের ওপর জরিপ চালিয়েছে এবং রোহিঙ্গাদের ফটো তুলে রেখেছে বলে কর্মকর্তারা জানান।

যেসব শরণার্থীর কাগজপত্র হারিয়ে গেছে, তাদের ছবির সাথে ইমিগ্রেশন বিভাগের ছবি মিলিয়ে দেখা হবে বলে বলছেন মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন এবং জনসংখ্যা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিন্ট চায়ে।

 

সূত্র, বিবিস

Facebook Comments


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর





logo copy

Editor-In-Chief & Agrodristi Group’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor-in-Chief at Health Affairs : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Head Office: Jeleeb al shouyoukh
Mahrall complex , Mezzanine floor, Office No: 14
Po.box No: 41260, Zip Code: 85853
KUWAIT
Phone : +965 65535272

Dhaka Office : 69/C, 6th Floor, Panthopath,
Dhaka, Bangladesh.
Phone : +8801733966556 / +8801920733632

For News :
agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com