Menu |||

বাঙালি জাতির শ্রেষ্ট অর্জনের মহান বিজয়ের মাস শুরু

full_1327384168_1448906791

অগ্রদৃষ্টি ডেস্ক : শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস। এবারের বিজয়ের মাস একটু অন্যভাবেই এলো বাঙালির জীবনে। একটু একটু করে কলঙ্কমুক্তির পথে দেশ। সম্প্রতি দুই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মধ্য দিয়ে দায়মুক্তি আরও একধাপ এগিয়ে গেলো। তাই বিজয়ের আনন্দ আরও গভীর হবে এটাই স্বাভাবিক।

দীর্ঘ ৯ মাসের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ত্রিশ লাখ শহীদ আর দু’লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের মহান স্বাধীনতা।

ডিসেম্বর স্মরণ করিয়ে দেয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জন করা ‘সোনার বাংলা’। আমাদের লাল-সবুজের পতাকা অর্জন, সেই সঙ্গে দেশ গড়ে তোলার রক্তশপথের কথা। মনে করিয়ে দেয় ৪৪ বছর ধরে সেই লাখো প্রাণের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীন দেশে অনাহারে-অভাবে থাকা মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কথা। তাই এই ডিসেম্বর অঙ্গীকারের মাস, প্রত্যয়বদ্ধ হওয়ার মাস। নতুন চেতনায় জেগে ওঠার মাস। দেশপ্রেমকে শানিত করার মাস।

মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ৪৪ বছর পরও আমরা জাতিগত জীবনে যা অর্জন করতে পারিনি, জাতি হিসেবে আমাদের যেসব স্খলন—তার উত্তরণ ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকে ঘরে ঘরে, সমাজে-রাষ্ট্রে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শপথ নেওয়ার মাস এই ডিসেম্বর।

মঙ্গলবার সেই পহেলা ডিসেম্বর (০১ ডিসেম্বর)।

বিজয় ইতিহাস
’৭১’র এ সময় সারাদেশে মুক্তিযুদ্ধ সর্বাত্মক রূপ নেয়। পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল আক্রমণের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে তখন। সারাদেশে চলতে থাকে ব্যাপক যুদ্ধ। তখন নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গেরিলা তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পশ্চিম পাকিস্তানি সামরিক জান্তাদের নির্দেশে সামরিক বাহিনীর লোকরা পুনরায় গ্রামবাসীদের হত্যা এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার বর্বর অভিযান শুরু করেছে। গেরিলা সন্দেহে ঢাকা জিঞ্জিরার কতজন যুবককে যে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে হত্যা করা হয়, তা আজও অজানা। বুড়িগঙ্গার অপর পাড়ের তখনকার এই গ্রামটিতে অন্তত ৮৭ জনকে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা হত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন যুবক। নারী ও শিশুরাও ছিলেন এ তালিকায়।

এদিন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী সংসদের উচ্চ পরিষদে বক্তব্যকালে উপমহাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বার্থে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানি সৈন্য অপসারণের নির্দেশ দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের প্রতি আহ্বান জানান। ইন্দিরা তখন বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানি সৈন্য অপসারণই সমস্যার শ্রেষ্ঠ সমাধান। এই বক্তৃতায় তিনি ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের জনসাধারণকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

এদিকে, স্বাধীনতার ঘোষক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন পাকিস্তানের কারাগারে। রাওয়ালপিন্ডিতে একজন সরকারি মুখপাত্র জানান, অধুনালুপ্ত আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমানের বিচার এখনও শেষ হয়নি। তিনি বলেন, পূর্ব পাকিস্তানের চারটি রণাঙ্গণে যে আক্রমণাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছিল তা এখনও অব্যাহত রয়েছে। ’৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা অপারেশন চালিয়ে ঢাকায় দু’জন মুসলিম লীগ কর্মীকে হত্যা করে। বাকি দু’জনকে বুলেটবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে মুক্তিযোদ্ধারা শেষরাতের দিকে সিলেটের শমসেরনগরে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে পাকবাহিনীকে নাজেহাল করে তোলে। মুক্তিবাহিনীর তীব্র আক্রমণে পাকবাহিনী ওই এলাকা থেকে পালাতে শুরু করে। মুক্তিবাহিনী টেংরাটিলা ও দুয়ারাবাজার মুক্ত ঘোষণা করে। পিপলস পার্টির ঢাকা অফিস বোমা বিস্ফোরণের ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জুলফিকার আলী ভুট্টো দু’মাস আগে এ অফিস উদ্বোধন করেছিলেন। রাঙ্গামাটিতে ব্যাপটিস্ট মিশনে হানাদার বাহিনী কর্তৃক আক্রান্ত হয়ে চার্লস আর. হাউজার নামে একজন ধর্মযাজক এবং বহু বাঙালি সন্ন্যাসী নিহত হন।

বিভিন্ন কর্মসূচি
আমাদের যা কিছুর অর্জন, স্বাক্ষর তা হলো বিজয়। এ বিজয়ের মাস বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উদযাপনে প্রতিবারের মতো এবারও নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। মহান এ বিজয়ের মাস উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি পালিত হবে। বিজয়ের মাসকে স্বাগত জানিয়ে সমাবেশ, মানববন্ধন, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, বিজয় র‌্যালি, মুক্তিযোদ্ধাদের কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন হবে। মুক্তিযোদ্ধা দিবস বাস্তবায়ন পরিষদ বিজয়ের মাসের প্রথম প্রহরে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে মাসব্যপী কর্মসূচির উদ্বোধন করবে।

‘যুদ্ধাপরাধী মুক্ত বাংলাদেশ চাই’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) পরিবারের সদস্যরা সকাল সাড়ে ১০টায় টিএসসিতে অপরাজেয় বাংলা থেকে বিজয়র‌্যালি বের করবেন। র‌্যালিটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে শেষ হবে।

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» টি-টোয়েন্টিতেও ধরাশায়ী পাকিস্তান

» বার্সার গোল উৎসব

» মৌলভীবাজারে নবম শ্রেণীর ছাত্র হাসান নিখোঁজ, থানায় জিডি

» জাতীয়তাবাদী যুবদল কুয়েত শাখা আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়

» কাশ্মীরে একটি গ্রাম আছে, যার নাম বাংলাদেশ

» একজন ফারহানা মোবিনের এক’শ টি হাত হোক

» প্রবাসী সাহিত্য পরিষদ কুয়েতের আহ্বায়ক কমিটি গঠনকল্পে আলোচনা সভা

» ‘আমাকে ভালোবাসার জন্য খুন হয়েছেন আমার স্বামী’

» কুয়েতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮২ তম জন্ম বার্ষিকী পালন

» কুয়েত বিমানবন্দরে ফুলে দিয়ে স্বাগত জানান আওয়ামীলীগ নেতা আঃ আজিজকে



logo copy

Editor-In-Chief & Agrodristi Group’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor-in-Chief at Health Affairs : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

বাঙালি জাতির শ্রেষ্ট অর্জনের মহান বিজয়ের মাস শুরু

full_1327384168_1448906791

অগ্রদৃষ্টি ডেস্ক : শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস। এবারের বিজয়ের মাস একটু অন্যভাবেই এলো বাঙালির জীবনে। একটু একটু করে কলঙ্কমুক্তির পথে দেশ। সম্প্রতি দুই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মধ্য দিয়ে দায়মুক্তি আরও একধাপ এগিয়ে গেলো। তাই বিজয়ের আনন্দ আরও গভীর হবে এটাই স্বাভাবিক।

দীর্ঘ ৯ মাসের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। ত্রিশ লাখ শহীদ আর দু’লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের মহান স্বাধীনতা।

ডিসেম্বর স্মরণ করিয়ে দেয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জন করা ‘সোনার বাংলা’। আমাদের লাল-সবুজের পতাকা অর্জন, সেই সঙ্গে দেশ গড়ে তোলার রক্তশপথের কথা। মনে করিয়ে দেয় ৪৪ বছর ধরে সেই লাখো প্রাণের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীন দেশে অনাহারে-অভাবে থাকা মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর কথা। তাই এই ডিসেম্বর অঙ্গীকারের মাস, প্রত্যয়বদ্ধ হওয়ার মাস। নতুন চেতনায় জেগে ওঠার মাস। দেশপ্রেমকে শানিত করার মাস।

মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ৪৪ বছর পরও আমরা জাতিগত জীবনে যা অর্জন করতে পারিনি, জাতি হিসেবে আমাদের যেসব স্খলন—তার উত্তরণ ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকে ঘরে ঘরে, সমাজে-রাষ্ট্রে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শপথ নেওয়ার মাস এই ডিসেম্বর।

মঙ্গলবার সেই পহেলা ডিসেম্বর (০১ ডিসেম্বর)।

বিজয় ইতিহাস
’৭১’র এ সময় সারাদেশে মুক্তিযুদ্ধ সর্বাত্মক রূপ নেয়। পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল আক্রমণের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে তখন। সারাদেশে চলতে থাকে ব্যাপক যুদ্ধ। তখন নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গেরিলা তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পশ্চিম পাকিস্তানি সামরিক জান্তাদের নির্দেশে সামরিক বাহিনীর লোকরা পুনরায় গ্রামবাসীদের হত্যা এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার বর্বর অভিযান শুরু করেছে। গেরিলা সন্দেহে ঢাকা জিঞ্জিরার কতজন যুবককে যে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে হত্যা করা হয়, তা আজও অজানা। বুড়িগঙ্গার অপর পাড়ের তখনকার এই গ্রামটিতে অন্তত ৮৭ জনকে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা হত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন যুবক। নারী ও শিশুরাও ছিলেন এ তালিকায়।

এদিন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী সংসদের উচ্চ পরিষদে বক্তব্যকালে উপমহাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বার্থে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানি সৈন্য অপসারণের নির্দেশ দেওয়ার জন্য প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের প্রতি আহ্বান জানান। ইন্দিরা তখন বলেছিলেন, বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানি সৈন্য অপসারণই সমস্যার শ্রেষ্ঠ সমাধান। এই বক্তৃতায় তিনি ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের জনসাধারণকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।

এদিকে, স্বাধীনতার ঘোষক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন পাকিস্তানের কারাগারে। রাওয়ালপিন্ডিতে একজন সরকারি মুখপাত্র জানান, অধুনালুপ্ত আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমানের বিচার এখনও শেষ হয়নি। তিনি বলেন, পূর্ব পাকিস্তানের চারটি রণাঙ্গণে যে আক্রমণাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছিল তা এখনও অব্যাহত রয়েছে। ’৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা অপারেশন চালিয়ে ঢাকায় দু’জন মুসলিম লীগ কর্মীকে হত্যা করে। বাকি দু’জনকে বুলেটবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে মুক্তিযোদ্ধারা শেষরাতের দিকে সিলেটের শমসেরনগরে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়ে পাকবাহিনীকে নাজেহাল করে তোলে। মুক্তিবাহিনীর তীব্র আক্রমণে পাকবাহিনী ওই এলাকা থেকে পালাতে শুরু করে। মুক্তিবাহিনী টেংরাটিলা ও দুয়ারাবাজার মুক্ত ঘোষণা করে। পিপলস পার্টির ঢাকা অফিস বোমা বিস্ফোরণের ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জুলফিকার আলী ভুট্টো দু’মাস আগে এ অফিস উদ্বোধন করেছিলেন। রাঙ্গামাটিতে ব্যাপটিস্ট মিশনে হানাদার বাহিনী কর্তৃক আক্রান্ত হয়ে চার্লস আর. হাউজার নামে একজন ধর্মযাজক এবং বহু বাঙালি সন্ন্যাসী নিহত হন।

বিভিন্ন কর্মসূচি
আমাদের যা কিছুর অর্জন, স্বাক্ষর তা হলো বিজয়। এ বিজয়ের মাস বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উদযাপনে প্রতিবারের মতো এবারও নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। মহান এ বিজয়ের মাস উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি পালিত হবে। বিজয়ের মাসকে স্বাগত জানিয়ে সমাবেশ, মানববন্ধন, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, বিজয় র‌্যালি, মুক্তিযোদ্ধাদের কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন হবে। মুক্তিযোদ্ধা দিবস বাস্তবায়ন পরিষদ বিজয়ের মাসের প্রথম প্রহরে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিখা চিরন্তনে মাসব্যপী কর্মসূচির উদ্বোধন করবে।

‘যুদ্ধাপরাধী মুক্ত বাংলাদেশ চাই’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) পরিবারের সদস্যরা সকাল সাড়ে ১০টায় টিএসসিতে অপরাজেয় বাংলা থেকে বিজয়র‌্যালি বের করবেন। র‌্যালিটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে শেষ হবে।

Facebook Comments


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর





logo copy

Editor-In-Chief & Agrodristi Group’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor-in-Chief at Health Affairs : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Head Office: Jeleeb al shouyoukh
Mahrall complex , Mezzanine floor, Office No: 14
Po.box No: 41260, Zip Code: 85853
KUWAIT
Phone : +965 65535272

Dhaka Office : 69/C, 6th Floor, Panthopath,
Dhaka, Bangladesh.
Phone : +8801733966556 / +8801920733632

For News :
agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com