Menu |||

দুর্গে আ.লীগের ভরাডুবি বিদ্রোহীদের আধিক্য

download (1)
আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শরীয়তপুর সদর ও গোসাইরহাট উপজেলার ১৪টি ইউপিতে গত শনিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১২টিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হয়। শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর, আঙ্গারিয়া, ডোমসার, চিকন্দি, শোলপাড়া ও তুলাসার এবং গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা বিজয়ী হন। সদর উপজেলার পালং ও চন্দ্রপুর এবং গোসাইরহাট উপজেলার সামন্তসার, নলমুড়ি ও গোসাইরহাট ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নাসির উদ্দিনের ভাই সৈয়দ মনিরুজ্জামানকে। ওই ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে বিজয়ী হন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান।
মিজানুর রহমান বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজের পরিবারকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে তাঁর ভাইকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য প্রভাব খাটিয়েছেন। জনগণ সমুচিত জবাব দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাসির উদ্দিন বলেন, ‘তৃণমূলের সমর্থনেই আমার ভাই মনোনয়ন পেয়েছেন। মিজানুর রহমান নির্বাচনের দিন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। আমরা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় নির্বাচন দাবি করেছি।’
শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দি ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল আইনজীবী মান্নান তালুকদারকে। তিনি ২০১১ সালে করা কমিটির ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি। ওই ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক।
এনামুল হক বলেন, ‘কীভাবে মনোনয়ন বাণিজ্য হয়েছে তার বড় প্রমাণ বিএনপির নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া। মনোনয়ন দিতে ভুল হলেও জনগণ ভুল করেনি। তারা প্রকৃত আওয়ামী লীগের প্রার্থীকেই ভোট দিয়েছে।’
রুদ্রকর ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা সাংসদ নাভানা আক্তারের স্বামী মোক্তার হোসেন। ওই ইউপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান। তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন।
হাবিবুর রহমান বলেন, ‘শরীরের রক্ত দিয়ে, জেল জুলুম সহ্য করে তৃণমূলের আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করে রেখেছি। মনোনয়ন দেওয়ার সময় পরিবারের সদস্যদের দেওয়া হয়। জনগণ তাদের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে।’
Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» প্রতি মাসেই মুক্তিযোদ্ধা ভাতা দেয়া হবে : মোজাম্মেল হক

» এবার ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে জাপা: এরশাদ

» পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে ইইউর সমর্থন

» ৩ দিন পর সচল হল যুক্তরাষ্ট্র সরকার

» ত্রিদেশীয় সিরিজ : জিম্বাবুয়েকে ৯১ রানে হারালো বাংলাদেশ

» ২০১৮ সালে টি২০ মহিলা বিশ্বকাপের আয়োজক ওয়েস্ট ইন্ডিজ

» ভিয়েনায় যেভাবে বিদেশিনীর প্রেমে পড়েন সুভাষ বসু

» বিদেশ থেকে আসেন কোচ হয়ে, এসেই হয়ে যান রাজনীতিবিদ – মোস্তফা সরয়ার ফারুকী

» আরব আমিরাতে অগ্নিকাণ্ডে ৭ শিশুর মৃত্যু

» প্রথমবার স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে মিথিলা



logo copy

Editor-In-Chief & Agrodristi Group’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor-in-Chief at Health Affairs : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

দুর্গে আ.লীগের ভরাডুবি বিদ্রোহীদের আধিক্য

download (1)
আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শরীয়তপুর সদর ও গোসাইরহাট উপজেলার ১৪টি ইউপিতে গত শনিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১২টিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হয়। শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর, আঙ্গারিয়া, ডোমসার, চিকন্দি, শোলপাড়া ও তুলাসার এবং গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা বিজয়ী হন। সদর উপজেলার পালং ও চন্দ্রপুর এবং গোসাইরহাট উপজেলার সামন্তসার, নলমুড়ি ও গোসাইরহাট ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নাসির উদ্দিনের ভাই সৈয়দ মনিরুজ্জামানকে। ওই ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে বিজয়ী হন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান।
মিজানুর রহমান বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজের পরিবারকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে তাঁর ভাইকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য প্রভাব খাটিয়েছেন। জনগণ সমুচিত জবাব দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাসির উদ্দিন বলেন, ‘তৃণমূলের সমর্থনেই আমার ভাই মনোনয়ন পেয়েছেন। মিজানুর রহমান নির্বাচনের দিন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। আমরা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় নির্বাচন দাবি করেছি।’
শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দি ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল আইনজীবী মান্নান তালুকদারকে। তিনি ২০১১ সালে করা কমিটির ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি। ওই ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক।
এনামুল হক বলেন, ‘কীভাবে মনোনয়ন বাণিজ্য হয়েছে তার বড় প্রমাণ বিএনপির নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া। মনোনয়ন দিতে ভুল হলেও জনগণ ভুল করেনি। তারা প্রকৃত আওয়ামী লীগের প্রার্থীকেই ভোট দিয়েছে।’
রুদ্রকর ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা সাংসদ নাভানা আক্তারের স্বামী মোক্তার হোসেন। ওই ইউপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান। তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন।
হাবিবুর রহমান বলেন, ‘শরীরের রক্ত দিয়ে, জেল জুলুম সহ্য করে তৃণমূলের আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করে রেখেছি। মনোনয়ন দেওয়ার সময় পরিবারের সদস্যদের দেওয়া হয়। জনগণ তাদের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে।’
Facebook Comments


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর





logo copy

Editor-In-Chief & Agrodristi Group’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor-in-Chief at Health Affairs : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Head Office: Jeleeb al shouyoukh
Mahrall complex , Mezzanine floor, Office No: 14
Po.box No: 41260, Zip Code: 85853
KUWAIT
Phone : +965 65535272

Dhaka Office : 69/C, 6th Floor, Panthopath,
Dhaka, Bangladesh.
Phone : +8801733966556 / +8801920733632

For News :
agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com