Menu |||

কে এই নাম পরিচয়হীন বৃদ্ধ

ag
  • নাম পরিচহীন কে এই বৃদ্ধ? কোথায় বাড়িঘর কিছুই বলতে পরছেন না নিদিষ্ট করে। ৬০ বছরের এই বৃদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে আছেন মৌলভীবাজার শহরে। নেই থাকা খাওয়ার নিদিষ্ট কোন স্থান।শহরের অলি-গলি ঘুরে বেড়ানো যার কাজ।কথা বলতে গিয়ে অবাক হয়ে গেলেন এই প্রতিবেদক,অনর্গল কথা বলে যান সুযোগ নেই প্রশ্ন করার এই ভারসাম্যহীন বৃদ্ধর কাছে। আপনার বাড়ি কেথায়? আমার কোন বাড়ি নেই,কার বাড়ি আছে,সবাই পরদেশী,কি হবে বাড়ি দিয়ে এভাবে প্রশ্নের উত্তর দেন। আপনার নাম কি? রেগে গিয়ে বলেন নাম নাই!যা চলে যা,একটু নড়েচরে বসলেন। আবার আপনার পরিবার সন্তাননাদী নেই? কার সন্তান, কার পরিবার, কেউ নেই মরে গেছে একাই বলে যাচ্ছেন বিরামহীন ভাবে! দশটা টাকা দে? কেন কি করবে ভাল খাবো,টাকা তো নেই চলেন কিনে দেই,বিরি দে একটা? আমি বিরি খাইনা চলেন খাবার চাইলেন কিনে দেই না চাইনা। কেন রাগ করলেন মুখের দিকে চেয়ে হাসি আর কোন কথা নেই। শরীলে এত কাপড় কেন গরমের দিনে পায়ে মোজা পরে আছেন যে? উত্তর দিতে গিয়ে মুখের দিকে থাকালেন কিছু পর বললেন কাপড় আমায় খাবেনা -শীত আসবেনা। এখন তো শীত নয় আপনার কষ্ট হয়না? আমার কেন কষ্ট হবে আমার কষ্ট নেই। তোমার হাতে কি? মোবাইল কথা বলবেন, না কি হয় ছবি তোলা যায় তুলবো! না বিরক্ত করোন যা। এই ভাবে বিরামহীন ভাবে রোদ ঝড় বৃষ্টিতে মিশে একাকার হয়ে চলে ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার জীবন। 22স্থানীয় সূত্রে আরো জানাযায়, তিনি মৌলভীবাজারে অনেক দিন ধরে আছেন।নাম বাড়িঘর ঠিকানা কিছুই সটিক করে বলতে পারেন না। তার কোন কষ্ট নেই ক্লান্তি নেই,মনের সুখে শহরের প্রতিটি রাস্তা-ঘাটে ছুটে চলেন। বিভিন্ন হোটেলেন পরিত্যক্ত খাবার খেয়ে চলে তার জীবন। কোন কোন দিন খাবার না খেয়ে রাস্তার পরে থাকা বিবির কিছু অংশ কুড়িয়ে এসব দিয়ে রাত পার করে দেন। কোন মানুষের কাছে চাইলে দশ টাকা না হয় বিরি এটা তার চাওয়া।আর কি চাননা বলেলেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সেলুন ব্যাবসায়িরা বলেন,আমরা রাত জেগে বিভিন্ন সময় কাজ করে থাকি তাই লোকটিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। লোকটি বৃষ্টির দিনে দোকানের সামনে খালি জায়গার বসে রাত পার করে দেন। কারো সাথে কোন কথা নেই একা একা বসে বকবক করেন। অনেক পাগল এবং ভারসাম্যহীন লোক দেখেছি ওনার মত নয় কোন খারপ আচরণ করেন না তিনি। তার কিছু বিষয়ে অবাক করে দেয়,মৌলভীবাজার থেকে পায়ে হেটে হেটে সিলেট চলে যান প্রায় ৬০ কিলোমিটার আবার পরদিন হেটে হেটে মৌলভীবাজার চলে আসেন কোন ক্লান্তি নেই।এসব বিষয়ে অবাক করে দেয় মানুষ কে। তারা আরো বলেন,বৃদ্ধ মানুষটি কার পিতা, কার ভাই ওরা কি খুজেনা মানুষটিকে। তাকালে কষ্ট হয় কেন লোকটির আজ এ অবস্থা জানিনা। সাংবাদিক ভাই কিছু লিখেন লোকটি কে নিয়ে যদি ওনার পরিবারের কারো নজরে আশে খুব উপকার হবে। তারা বলেন বৃদ্ধ লোকটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারলে এবং সটিক পরিচর্যা করা হলে লোকটি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে আসতে পারে।

    বদরুল আলম চৌধুরী

Facebook Comments

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» বদরুল আলম চৌধুরী এর কবিতা-আগামীকাল

» মৌলভীবাজার দুর্নীতি মুক্তকরণ ফেরামের প্রতিবাদ সমাবেশ

» মৌলভীবাজারে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

» একটি বাস্তব জীবনের সত্য ঘটনা বলব আজ

» মৌলভীবাজারে বন্যা সমস্যা সমাধানে ৮ দফা দাবীতে মানববন্ধন

» মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে রোহিঙ্গা শিশু উদ্ধার

» দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ‘সুপার ম্যালেরিয়া’, বিশ্বজুড়ে হুমকি

» মৌলভীবাজার ও রাজনগরে বন্যার্তদের মাঝে যুবলীগের এাণ বিতরণ

» বিএনপি’র ৩৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে কুয়েতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

» মৌলভীবাজারে কাউন্সিলরকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা



logo copy

Chief Editor & Agrodristi Goup’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor of Health Analyzer : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
,

কে এই নাম পরিচয়হীন বৃদ্ধ

ag
  • নাম পরিচহীন কে এই বৃদ্ধ? কোথায় বাড়িঘর কিছুই বলতে পরছেন না নিদিষ্ট করে। ৬০ বছরের এই বৃদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে আছেন মৌলভীবাজার শহরে। নেই থাকা খাওয়ার নিদিষ্ট কোন স্থান।শহরের অলি-গলি ঘুরে বেড়ানো যার কাজ।কথা বলতে গিয়ে অবাক হয়ে গেলেন এই প্রতিবেদক,অনর্গল কথা বলে যান সুযোগ নেই প্রশ্ন করার এই ভারসাম্যহীন বৃদ্ধর কাছে। আপনার বাড়ি কেথায়? আমার কোন বাড়ি নেই,কার বাড়ি আছে,সবাই পরদেশী,কি হবে বাড়ি দিয়ে এভাবে প্রশ্নের উত্তর দেন। আপনার নাম কি? রেগে গিয়ে বলেন নাম নাই!যা চলে যা,একটু নড়েচরে বসলেন। আবার আপনার পরিবার সন্তাননাদী নেই? কার সন্তান, কার পরিবার, কেউ নেই মরে গেছে একাই বলে যাচ্ছেন বিরামহীন ভাবে! দশটা টাকা দে? কেন কি করবে ভাল খাবো,টাকা তো নেই চলেন কিনে দেই,বিরি দে একটা? আমি বিরি খাইনা চলেন খাবার চাইলেন কিনে দেই না চাইনা। কেন রাগ করলেন মুখের দিকে চেয়ে হাসি আর কোন কথা নেই। শরীলে এত কাপড় কেন গরমের দিনে পায়ে মোজা পরে আছেন যে? উত্তর দিতে গিয়ে মুখের দিকে থাকালেন কিছু পর বললেন কাপড় আমায় খাবেনা -শীত আসবেনা। এখন তো শীত নয় আপনার কষ্ট হয়না? আমার কেন কষ্ট হবে আমার কষ্ট নেই। তোমার হাতে কি? মোবাইল কথা বলবেন, না কি হয় ছবি তোলা যায় তুলবো! না বিরক্ত করোন যা। এই ভাবে বিরামহীন ভাবে রোদ ঝড় বৃষ্টিতে মিশে একাকার হয়ে চলে ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার জীবন। 22স্থানীয় সূত্রে আরো জানাযায়, তিনি মৌলভীবাজারে অনেক দিন ধরে আছেন।নাম বাড়িঘর ঠিকানা কিছুই সটিক করে বলতে পারেন না। তার কোন কষ্ট নেই ক্লান্তি নেই,মনের সুখে শহরের প্রতিটি রাস্তা-ঘাটে ছুটে চলেন। বিভিন্ন হোটেলেন পরিত্যক্ত খাবার খেয়ে চলে তার জীবন। কোন কোন দিন খাবার না খেয়ে রাস্তার পরে থাকা বিবির কিছু অংশ কুড়িয়ে এসব দিয়ে রাত পার করে দেন। কোন মানুষের কাছে চাইলে দশ টাকা না হয় বিরি এটা তার চাওয়া।আর কি চাননা বলেলেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সেলুন ব্যাবসায়িরা বলেন,আমরা রাত জেগে বিভিন্ন সময় কাজ করে থাকি তাই লোকটিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। লোকটি বৃষ্টির দিনে দোকানের সামনে খালি জায়গার বসে রাত পার করে দেন। কারো সাথে কোন কথা নেই একা একা বসে বকবক করেন। অনেক পাগল এবং ভারসাম্যহীন লোক দেখেছি ওনার মত নয় কোন খারপ আচরণ করেন না তিনি। তার কিছু বিষয়ে অবাক করে দেয়,মৌলভীবাজার থেকে পায়ে হেটে হেটে সিলেট চলে যান প্রায় ৬০ কিলোমিটার আবার পরদিন হেটে হেটে মৌলভীবাজার চলে আসেন কোন ক্লান্তি নেই।এসব বিষয়ে অবাক করে দেয় মানুষ কে। তারা আরো বলেন,বৃদ্ধ মানুষটি কার পিতা, কার ভাই ওরা কি খুজেনা মানুষটিকে। তাকালে কষ্ট হয় কেন লোকটির আজ এ অবস্থা জানিনা। সাংবাদিক ভাই কিছু লিখেন লোকটি কে নিয়ে যদি ওনার পরিবারের কারো নজরে আশে খুব উপকার হবে। তারা বলেন বৃদ্ধ লোকটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারলে এবং সটিক পরিচর্যা করা হলে লোকটি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে আসতে পারে।

    বদরুল আলম চৌধুরী

Facebook Comments


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ খবর





logo copy

Chief Editor & Agrodristi Goup’s Director : A.H. Jubed

Legal Adviser : Advocate S.M. Musharrof Hussain Setu (Supreme Court of Bangladesh)

Editor of Health Analyzer : Dr. Farhana Mobin (Square Hospital Dhaka)

Editor Dhaka Desk : Mohammad Saiyedul Islam

Editor of Social Welfare : Ruksana Islam (Runa)

Head Office: 4th Floor, Kaderi Bulding,
Police Station Road, Abbasia, Kuwait.
Phone : +96566645793 / +96555004954

Dhaka Office : 69/C, 6th Floor, Panthopath,
Dhaka, Bangladesh.
Phone : +8801733966556 / +8801920733632

For News :
agrodristi@gmail.com, agrodristitv@gmail.com

Design & Devaloped BY Popular-IT.Com